স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি ভাঙার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্যানেলগুলো। আজ রোববার আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেল।
আজ বেলা একটার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাই যে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করতেছেন বিভিন্ন পরিষদের নেতারা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সামনে, নির্বাচন কমিশনের সামনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করতেছে, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো কথা বলছে না। এখন এই ধরনের ঘটনা ঘটতেছে যে অবাধ টাকার খেলা শুরু হয়ে গেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এখন প্রতিনিয়ত গিফট বিতরণ হচ্ছে। কাদেরকে গিফট দিচ্ছে? কোনো কোনো ক্ষেত্রে গিফটের ক্ষেত্রে ধর্মীয় উপহারগুলো সংযুক্ত করছে। যাতে ধর্ম নিয়ে, ধর্মকে নিয়ে মানুষকে ব্যবহার করতে পারে।’
এ সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি জানিয়েছে প্রতিরোধ পর্ষদ। এর মধ্যে একটি দফা হলো, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।
প্রতিপক্ষের প্রতি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটও। আজ দুপুর সোয়া বারোটার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জোটের এজিএস প্রার্থী মহিউদ্দীন খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের যে নমনীয় আচরণ, সেই নমনীয় আচরণের কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে কিছু প্যানেল এবং কিছু প্রার্থীরা নিয়মিত আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। ফরমালি এবং ইনফরমালি আমরা জানিয়েছি কমিশনকে, যে সকল জায়গায় আচরণবিধিগুলো লঙ্ঘন হচ্ছে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা লক্ষ করেছি যে তারা ত্বরিত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।’
প্যানেলটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব, এ ধরনের কেউ যদি নীতিমালা ভঙ্গ করে, তাঁদের প্রতি যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেটি যাতে নির্বাচন কমিশন ঠিকঠাকভাবে নেয়।’
ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের প্রতি একই অভিযোগ করেছেন প্যানেলটির জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম। তিনি বলেন, ‘গতকালকে (শনিবার) টিএসসি অডিটোরিয়ামে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যজোট নামে একটি প্যানেল স্ট্যান্ড আপ কমেডি শোয়ের আয়োজন করেছে এবং সেখানে তারা একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। নির্বাচনী যে প্যানেলটি রয়েছে, তারা একপ্রকার প্রচারণা করেছে। ঠিক একইভাবে আজকে টিএসসি অডিটোরিয়ামে তারা একটি গানের আয়োজন করেছে। খুব অ্যাট্রাক্টিভ (আকর্ষণীয়) নাম দিয়েছে--নারীদের জন্য গান। কিন্তু এ সকল অ্যাট্রাক্টিভ নাম দিয়ে তাঁরা এখানে সমাবেশ আয়োজন করছে। নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আহ্বান জানাব, অনতিবিলম্বে সকল প্রোগ্রামের কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। আপনারা যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করতে পারেন, তাহলে কারা করবে?’
এ সময় সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে নারী প্রার্থীদের হেনস্তার অভিযোগও করেন তানভীর বারী হামিম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি ভাঙার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্যানেলগুলো। আজ রোববার আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেল।
আজ বেলা একটার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাই যে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করতেছেন বিভিন্ন পরিষদের নেতারা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সামনে, নির্বাচন কমিশনের সামনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করতেছে, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো কথা বলছে না। এখন এই ধরনের ঘটনা ঘটতেছে যে অবাধ টাকার খেলা শুরু হয়ে গেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এখন প্রতিনিয়ত গিফট বিতরণ হচ্ছে। কাদেরকে গিফট দিচ্ছে? কোনো কোনো ক্ষেত্রে গিফটের ক্ষেত্রে ধর্মীয় উপহারগুলো সংযুক্ত করছে। যাতে ধর্ম নিয়ে, ধর্মকে নিয়ে মানুষকে ব্যবহার করতে পারে।’
এ সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি জানিয়েছে প্রতিরোধ পর্ষদ। এর মধ্যে একটি দফা হলো, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।
প্রতিপক্ষের প্রতি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটও। আজ দুপুর সোয়া বারোটার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জোটের এজিএস প্রার্থী মহিউদ্দীন খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের যে নমনীয় আচরণ, সেই নমনীয় আচরণের কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে কিছু প্যানেল এবং কিছু প্রার্থীরা নিয়মিত আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। ফরমালি এবং ইনফরমালি আমরা জানিয়েছি কমিশনকে, যে সকল জায়গায় আচরণবিধিগুলো লঙ্ঘন হচ্ছে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা লক্ষ করেছি যে তারা ত্বরিত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।’
প্যানেলটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব, এ ধরনের কেউ যদি নীতিমালা ভঙ্গ করে, তাঁদের প্রতি যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেটি যাতে নির্বাচন কমিশন ঠিকঠাকভাবে নেয়।’
ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের প্রতি একই অভিযোগ করেছেন প্যানেলটির জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম। তিনি বলেন, ‘গতকালকে (শনিবার) টিএসসি অডিটোরিয়ামে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যজোট নামে একটি প্যানেল স্ট্যান্ড আপ কমেডি শোয়ের আয়োজন করেছে এবং সেখানে তারা একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। নির্বাচনী যে প্যানেলটি রয়েছে, তারা একপ্রকার প্রচারণা করেছে। ঠিক একইভাবে আজকে টিএসসি অডিটোরিয়ামে তারা একটি গানের আয়োজন করেছে। খুব অ্যাট্রাক্টিভ (আকর্ষণীয়) নাম দিয়েছে--নারীদের জন্য গান। কিন্তু এ সকল অ্যাট্রাক্টিভ নাম দিয়ে তাঁরা এখানে সমাবেশ আয়োজন করছে। নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আহ্বান জানাব, অনতিবিলম্বে সকল প্রোগ্রামের কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। আপনারা যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করতে পারেন, তাহলে কারা করবে?’
এ সময় সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে নারী প্রার্থীদের হেনস্তার অভিযোগও করেন তানভীর বারী হামিম।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা আর সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই নতুন কাঠামো ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
১ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর কালুখালী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে চাঁদা দাবি, মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের সব রপ্তানিমুখী খাতের জন্য কাস্টমস বন্ড সুবিধা সম্প্রসারণসহ ব্যবসা সহজ করতে একগুচ্ছ প্রস্তাব করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এসব সংস্কারের কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল আকারের বাজেটকে ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ আখ্যা দিয়েছে । প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বাজেটে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা অর্জন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
২ ঘণ্টা আগে