স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার একুশের প্রথম প্রহরে ফুল দিয়ে ভাষার অধিকারের জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা। এই শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় একুশের আনুষ্ঠানিকতা।
শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রীসহ শহীদ মিনারে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষ।

রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাত ১২টা ৩ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর শহীদ মিনার এলাকা ছেড়ে যায়। রাষ্ট্রপতি এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, শ্রদ্ধা নিবেদন কমিটির সমন্বয়ক ড. মোর্শেদ হাসান খান, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান এবং তাকে বেদি পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাষ্ট্রপতিকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেন।
রাষ্ট্রপতির পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় আসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর। তাদের স্বাগত জানান উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, শ্রদ্ধা নিবেদন কমিটির সমন্বয়ক ড. মোর্শেদ হাসান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমে রাত ১২টা ৭ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ও পরে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তারেক রহমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে মন্ত্রিসভার সদস্য ও নিজের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এরপর শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতারা। পরিবারের সদস্যদের নিয়েও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর শ্রদ্ধা জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁন।
এরপর রাত ১২ টা ২৩ মিনিটে শ্রদ্ধা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি প্রথমবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত জোট থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা। পরে তারা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত শ্রদ্ধা জানান। এরপরই শহীদ মিনার সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার একুশের প্রথম প্রহরে ফুল দিয়ে ভাষার অধিকারের জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা। এই শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় একুশের আনুষ্ঠানিকতা।
শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রীসহ শহীদ মিনারে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষ।

রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাত ১২টা ৩ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর শহীদ মিনার এলাকা ছেড়ে যায়। রাষ্ট্রপতি এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, শ্রদ্ধা নিবেদন কমিটির সমন্বয়ক ড. মোর্শেদ হাসান খান, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান এবং তাকে বেদি পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাষ্ট্রপতিকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেন।
রাষ্ট্রপতির পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় আসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর। তাদের স্বাগত জানান উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, শ্রদ্ধা নিবেদন কমিটির সমন্বয়ক ড. মোর্শেদ হাসান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমে রাত ১২টা ৭ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ও পরে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তারেক রহমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে মন্ত্রিসভার সদস্য ও নিজের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এরপর শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতারা। পরিবারের সদস্যদের নিয়েও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর শ্রদ্ধা জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁন।
এরপর রাত ১২ টা ২৩ মিনিটে শ্রদ্ধা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি প্রথমবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত জোট থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা। পরে তারা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত শ্রদ্ধা জানান। এরপরই শহীদ মিনার সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী বাগদাদীর (রহ.) মাজারে হামলা ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছেই। কয়েক শ বছরের পুরোনো এই প্রতিষ্ঠানে কারা, কেন হামলা করল– তা নিয়ে গুঞ্জনের ডানা মেলছে। কয়েক দিনের অনুসন্ধানে স্ট্রিম ধর্মীয় ভিন্নমত দমন, রাজনৈতিক আধিপত্য, মাদকবিরোধী অভিযানসহ কয়েকটি বিষয়ে কাজ করে হামলার নেপথ্যে...
২ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে দেশের ১৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের শঙ্কা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
২ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানের থানচির দুর্গম পাহাড়ি জনপদে ডায়রিয়া মোকাবিলায় জরুরি চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর সাধারণ মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার বোধ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৩ ঘণ্টা আগে