স্ট্রিম ডেস্ক

বলা হয়, আমরা যা খাই তার প্রতিচ্ছবি আমাদের ত্বকে ফুটে ওঠে। কোরবানি ঈদ মানেই নানা পদের মাংসের সঙ্গে প্রচুর তেল-মশলার আয়োজন। আমাদের ত্বকে এসব খাবারের প্রভাব পড়তে পারে। ফলে ঈদের সময় ব্রণের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া কিংবা ত্বক তেলতেলে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
এ ছাড়া ঈদের দিন অনেকেই রান্নাঘরের আগুনের তাপে কাজ করেন। চুলার তাপও ত্বকের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিতে পারে। ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে ঈদের আগে থেকেই শুরু করুন প্রস্তুতি।
ঈদের অন্তত দুই-তিন দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা ভালো। এই সময়ে ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করতে প্রচুর পানি খাওয়া জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পর্যাপ্ত ঘুমও এই সময়ে দরকারি। ঈদের সময় কাজের চাপে আমাদের ঘুম অনেক সময় কম হয়। তাই আগে থেকেই দিনে অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। এতে চোখের নিচের কালো দাগ বা ফোলা ভাব থাকবে না।
ত্বক পরিষ্কার রাখতে আগের সপ্তাহে দুই দিন ঘরোয়া স্ক্রাব ব্যবহার করা যেতে পারে। চিনি আর লেবুর রসের মিশ্রণ এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে লেবুর রস ব্যবহারে জ্বালাপোড়া হতে পারে, তাই আগে ত্বকে মানিয়ে নেয় কি না দেখে নেওয়া ভালো। এটা ত্বকের মরা কোষ সরিয়ে ঈদের দিনের জন্য ত্বককে তৈরি রাখে।
আর পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করতে চাইলে ত্বকের ধরন বুঝে করুন। ভ্রু প্লাকও করিয়ে নিতে পারেন তিন-চার দিন আগেই।
ঈদের দিন অনেকেরই দীর্ঘ সময় চুলার পাশে থাকতে হয়। আগুনের তাপ ত্বকের কোষের ক্ষতি করতে পারে। অনেকেই মনে করেন সানস্ক্রিন শুধু রোদের জন্য। আসলে সানস্ক্রিন মূলত সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। তবে রান্নাঘরে দীর্ঘ সময় কাজ করলে ত্বক পরিষ্কার ও আর্দ্র রাখা জরুরি।
রান্না শুরুর আগেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। রান্না শেষ করার পর সরাসরি সাধারণ পানির বদলে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। এতে ত্বক কিছুটা আরাম পাবে এবং জ্বালাপোড়া থাকলে কমতে পারে। রান্নার ক্লান্তি দূর করতে মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন। এটা ত্বকের লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই ত্বকের ধরন বুঝে এসব মাখতে হবে।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য ঈদের এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। মাংস ও ভাজাপোড়া খাওয়ার ফলে তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতে দিনে অন্তত দুইবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার চেষ্টা করুন।
অন্যদিকে শুষ্ক ত্বক আগুনের তাপে আরও রুক্ষ হয়ে পড়ে। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা মুখে সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে মাইল্ড ক্লিনজার ব্যবহার করুন। রান্নার আগে ও পরে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ভালো। রাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিন বা ফেসিয়াল সিরাম ব্যবহার করলে ত্বকের হারানো আর্দ্রতা ফিরে আসবে।
মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রে যত্ন একটু আলাদা হবে। যাদের কপাল ও নাক তৈলাক্ত কিন্তু গাল শুষ্ক, তাঁরা ঘরোয়া ফলের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। শসা বা কলার পেস্ট ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর। ঈদের কয়েক দিন ভারী খাবারের ধকল সামলাতে ত্বককে ডিটক্স করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। পাতে প্রচুর পরিমাণে শসা ও লেবুসহ সালাদ রাখুন। এতে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
ত্বকের জেল্লা ফেরাতে বরফ থেরাপি নিতে পারেন। পাতলা সুতি কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে পুরো মুখে হালকা করে ঘষুন। এটা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং সতেজ ভাব ফিরিয়ে আনে। চোখের ফোলা ভাব কমাতে শসার স্লাইস বা ব্যবহৃত টি-ব্যাগ চোখের ওপর দিয়ে দশ মিনিট শুয়ে থাকুন। ক্লান্তি দূর করতে এটা বেশ কার্যকর।
ঘরোয়া ক্লিনজার হিসেবে কাঁচা দুধ আর মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। তুলা দিয়ে এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। এটি ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করবে।

বলা হয়, আমরা যা খাই তার প্রতিচ্ছবি আমাদের ত্বকে ফুটে ওঠে। কোরবানি ঈদ মানেই নানা পদের মাংসের সঙ্গে প্রচুর তেল-মশলার আয়োজন। আমাদের ত্বকে এসব খাবারের প্রভাব পড়তে পারে। ফলে ঈদের সময় ব্রণের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া কিংবা ত্বক তেলতেলে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
এ ছাড়া ঈদের দিন অনেকেই রান্নাঘরের আগুনের তাপে কাজ করেন। চুলার তাপও ত্বকের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিতে পারে। ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে ঈদের আগে থেকেই শুরু করুন প্রস্তুতি।
ঈদের অন্তত দুই-তিন দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা ভালো। এই সময়ে ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করতে প্রচুর পানি খাওয়া জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পর্যাপ্ত ঘুমও এই সময়ে দরকারি। ঈদের সময় কাজের চাপে আমাদের ঘুম অনেক সময় কম হয়। তাই আগে থেকেই দিনে অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। এতে চোখের নিচের কালো দাগ বা ফোলা ভাব থাকবে না।
ত্বক পরিষ্কার রাখতে আগের সপ্তাহে দুই দিন ঘরোয়া স্ক্রাব ব্যবহার করা যেতে পারে। চিনি আর লেবুর রসের মিশ্রণ এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে লেবুর রস ব্যবহারে জ্বালাপোড়া হতে পারে, তাই আগে ত্বকে মানিয়ে নেয় কি না দেখে নেওয়া ভালো। এটা ত্বকের মরা কোষ সরিয়ে ঈদের দিনের জন্য ত্বককে তৈরি রাখে।
আর পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করতে চাইলে ত্বকের ধরন বুঝে করুন। ভ্রু প্লাকও করিয়ে নিতে পারেন তিন-চার দিন আগেই।
ঈদের দিন অনেকেরই দীর্ঘ সময় চুলার পাশে থাকতে হয়। আগুনের তাপ ত্বকের কোষের ক্ষতি করতে পারে। অনেকেই মনে করেন সানস্ক্রিন শুধু রোদের জন্য। আসলে সানস্ক্রিন মূলত সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। তবে রান্নাঘরে দীর্ঘ সময় কাজ করলে ত্বক পরিষ্কার ও আর্দ্র রাখা জরুরি।
রান্না শুরুর আগেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। রান্না শেষ করার পর সরাসরি সাধারণ পানির বদলে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। এতে ত্বক কিছুটা আরাম পাবে এবং জ্বালাপোড়া থাকলে কমতে পারে। রান্নার ক্লান্তি দূর করতে মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন। এটা ত্বকের লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই ত্বকের ধরন বুঝে এসব মাখতে হবে।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য ঈদের এই সময়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং। মাংস ও ভাজাপোড়া খাওয়ার ফলে তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতে দিনে অন্তত দুইবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার চেষ্টা করুন।
অন্যদিকে শুষ্ক ত্বক আগুনের তাপে আরও রুক্ষ হয়ে পড়ে। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা মুখে সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে মাইল্ড ক্লিনজার ব্যবহার করুন। রান্নার আগে ও পরে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ভালো। রাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিন বা ফেসিয়াল সিরাম ব্যবহার করলে ত্বকের হারানো আর্দ্রতা ফিরে আসবে।
মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রে যত্ন একটু আলাদা হবে। যাদের কপাল ও নাক তৈলাক্ত কিন্তু গাল শুষ্ক, তাঁরা ঘরোয়া ফলের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। শসা বা কলার পেস্ট ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর। ঈদের কয়েক দিন ভারী খাবারের ধকল সামলাতে ত্বককে ডিটক্স করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। পাতে প্রচুর পরিমাণে শসা ও লেবুসহ সালাদ রাখুন। এতে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
ত্বকের জেল্লা ফেরাতে বরফ থেরাপি নিতে পারেন। পাতলা সুতি কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে পুরো মুখে হালকা করে ঘষুন। এটা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং সতেজ ভাব ফিরিয়ে আনে। চোখের ফোলা ভাব কমাতে শসার স্লাইস বা ব্যবহৃত টি-ব্যাগ চোখের ওপর দিয়ে দশ মিনিট শুয়ে থাকুন। ক্লান্তি দূর করতে এটা বেশ কার্যকর।
ঘরোয়া ক্লিনজার হিসেবে কাঁচা দুধ আর মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। তুলা দিয়ে এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। এটি ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করবে।

প্রতিবারই হয়তো ইচ্ছা করে দূরে কোথাও ঘুরতে যাবেন, কিন্তু সময়ের অভাবে যাওয়া হয়ে ওঠে না। এবারের ঈদের লম্বা ছুটিতে সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিজের পছন্দের কোনো জায়গা থেকে কয়েক দিন ঘুরে এলে মন ভালো হয়ে যাবে।
৪ ঘণ্টা আগে
সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ট্রেন্ডিং’ বিষয় বিক্রেতা-খামারিরা বেশ ভালোই ধরতে জানে। এ কারণেই এবারের ঈদে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’, ‘নেতানিয়াহু’, ‘পুতিন’ আর ‘মোদি’ নামের গরু-মহিষ কোরবানির হাটে আলোচনার তুঙ্গে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কেন পশুর এমন বিচিত্র আর বাহারি নাম দেওয়া হয়?
১ দিন আগে
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর ১৪তম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
১ দিন আগে
সীমা কেরমানির কথা মনে আছে আপনাদের? অনেকেই নাম না জানলেও চেনেন তাঁকে। কোক স্টুডিও পাকিস্তানের তুমুল জনপ্রিয় গান ‘পাসুরি’-তে তিনি ধ্রুপদী নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন। কী অনবদ্য পরিবশনা! তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের দিকে গেলে আমরা দেখতে পাই, ১৯৫১ সালে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্ম নেওয়া সীমা কেরমানি পেশা হিসেবে
১ দিন আগে