স্ট্রিম সংবাদদাতা

বান্দরবানের আলীকদমের করুকপাতার ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাবে জুমচাষ ব্যাহত হওয়ায় পাহাড়ি পরিবারগুলোতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অসুস্থদের নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় জমিতে যেতে পারছেন না চাষিরা।
জুমচাষের ভরা মৌসুমে হামের প্রভাবে অন্তত ৩৭৫ পাহাড়ি পরিবার নিয়মিত জুমচাষ করতে পারছে না। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এই ইউনিয়নে ১১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ বসবাস করে। সময়মতো ধান ও অন্যান্য ফসল রোপণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আলীকদম উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনিস জানান, মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৭৫ জন পাহাড়ি চিকিৎসা নিয়েছেন, এর মধ্যে ২৬৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং বর্তমানে ৬৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
করুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাপ্রো ম্রো দাবি করেছেন, এ পর্যন্ত অন্তত ৮ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে, যার মধ্যে একজন গত বৃহস্পতিবার মারা যায়। যদিও এই এলাকায় মৃত্যুর কোনো সরকারি রেকর্ড নেই।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় এপ্রিলের শেষের দিকে করুকপাতা বাজারে একটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হলেও চেয়ারম্যানের মতে, দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে এই সংকট মোকাবিলায় তা যথেষ্ট নয়। বর্তমানে আক্রান্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কেউ না কেউ অসুস্থ। সন্তানদের নিয়ে মা-বাবারা আলীকদম, লামা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় মাঠের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
জুমচাষে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে দড়িপাড়ার বাসিন্দা মাংইন ম্রো বলেন, ‘হাম রোগের কারণে জুমের কাজে যেতে পারছি না। রোগীদের পরিবারগুলো আলীকদম, লামা ও কক্সবাজারের হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় মাঠে কাজের লোকের সংকট দেখা দিয়েছে। এ বছর জুমচাষ করতে না পারলে খাদ্যসংকটে পড়তে হবে। জুমের কাজ করার মতো মানুষ নেই, সবাই হাসপাতালে। আমাদের হাতে টাকা-পয়সাও নেই এবং দিনমজুরও পাওয়া যাচ্ছে না।’
একই হতাশা প্রকাশ করে সূর্য ম্রো বলেন, ‘জুমচাষ ঠিকমতো করতে পারিনি। যাদের বাড়িতে রোগী আছে, তারা কেউই জুমে যেতে পারছে না। মা-বাবাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে।’
অসুস্থতার চিত্র তুলে ধরে বড় আগলা পাড়ার মেনয়ুং ম্রো বলেন, ‘আমার পরিবারে ৯ সদস্যের বেশিরভাগই অসুস্থ। বাবা চলাফেরা করতে পারেন না। স্ত্রী, তিন সন্তান, ছোট ভাই ও বাচ্চারা সবাই হামে আক্রান্ত। অসুস্থদের দেখভাল করতে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে।’
একই আক্ষেপ করে স্থানীয় বাসিন্দা দুনিরাং ত্রিপুরা বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের হাসপাতালে নিতে হয়েছে, তাই জুমের কাজ করতে পারিনি। অবস্থা খুব খারাপ, আমরা সবাই অসহায় হয়ে পড়েছি। জুমচাষ করতে না পারলে খাবার পাব না।’
করুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাপ্রো ম্রো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল। হামে আক্রান্ত পরিবারগুলো ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারেনি। ফলে তারা ভবিষ্যতে খাদ্যসংকটে পড়বে। যারা হামে আক্রান্ত হয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসন যদি আক্রান্তদের তালিকা করে দ্রুত বিশেষ সহায়তা দেয়, তবেই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে।’
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, আলীকদম উপজেলায় প্রতি বছর মোট ১ হাজার ২৫৫ হেক্টর জমিতে জুমচাষ হয়। এর মধ্যে আলীকদম সদরে ১৬০ হেক্টর, চৈক্ষ্যঙে ২৪০ হেক্টর, নয়াপাড়ায় ২৫৫ হেক্টর এবং সবচেয়ে বেশি করুকপাতা ইউনিয়নে ৬০০ হেক্টর জমিতে জুমচাষ করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী ‘কাটা ও পোড়ানো’ পদ্ধতির এই জুমচাষে মাটির উর্বরতা বাড়াতে ফসল কাটার পর জমি এক বছরের জন্য পতিত রাখা হয়। চাষ শুরু হয় ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে জমি পরিষ্কারের মাধ্যমে। এরপর এপ্রিল বা মে মাসের দিকে পোড়ানো বর্জ্য দিয়ে জমি প্রস্তুত করা হয়। মে এবং জুন মাসে বর্ষার ঠিক আগে হলুদ, আদা, মরিচ, ভুট্টা, মিষ্টি কুমড়া ও বিভিন্ন শাকসবজির বীজ বপন করা হয়। পরে সেপ্টেম্বর মাস থেকে ফসল তোলার মৌসুম শুরু হয়।
বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, ‘জুমচাষ আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল, তাই নির্ধারিত সময়ে বপন ও নিয়মিত পরিচর্যা গুরুত্বপূর্ণ। দেরিতে বীজ রোপণে উৎপাদন কমে যাবে। তবে এখন বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং এটি জুমচাষের উপযুক্ত সময়, পরিবারের অন্য সদস্যরা বা দিনমজুর দিয়ে হলেও কাজ এগিয়ে নিতে হবে।’
আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুর আলম জানান, করুকপাতা ইউনিয়নের প্রায় ৩২২টি পরিবারে হামের উপসর্গে কেউ না কেউ আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে থাকায় জুমচাষ ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো হবে।

বান্দরবানের আলীকদমের করুকপাতার ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাবে জুমচাষ ব্যাহত হওয়ায় পাহাড়ি পরিবারগুলোতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অসুস্থদের নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় জমিতে যেতে পারছেন না চাষিরা।
জুমচাষের ভরা মৌসুমে হামের প্রভাবে অন্তত ৩৭৫ পাহাড়ি পরিবার নিয়মিত জুমচাষ করতে পারছে না। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এই ইউনিয়নে ১১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ বসবাস করে। সময়মতো ধান ও অন্যান্য ফসল রোপণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আলীকদম উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনিস জানান, মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৭৫ জন পাহাড়ি চিকিৎসা নিয়েছেন, এর মধ্যে ২৬৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং বর্তমানে ৬৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
করুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাপ্রো ম্রো দাবি করেছেন, এ পর্যন্ত অন্তত ৮ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে, যার মধ্যে একজন গত বৃহস্পতিবার মারা যায়। যদিও এই এলাকায় মৃত্যুর কোনো সরকারি রেকর্ড নেই।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় এপ্রিলের শেষের দিকে করুকপাতা বাজারে একটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হলেও চেয়ারম্যানের মতে, দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে এই সংকট মোকাবিলায় তা যথেষ্ট নয়। বর্তমানে আক্রান্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কেউ না কেউ অসুস্থ। সন্তানদের নিয়ে মা-বাবারা আলীকদম, লামা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় মাঠের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
জুমচাষে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে দড়িপাড়ার বাসিন্দা মাংইন ম্রো বলেন, ‘হাম রোগের কারণে জুমের কাজে যেতে পারছি না। রোগীদের পরিবারগুলো আলীকদম, লামা ও কক্সবাজারের হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় মাঠে কাজের লোকের সংকট দেখা দিয়েছে। এ বছর জুমচাষ করতে না পারলে খাদ্যসংকটে পড়তে হবে। জুমের কাজ করার মতো মানুষ নেই, সবাই হাসপাতালে। আমাদের হাতে টাকা-পয়সাও নেই এবং দিনমজুরও পাওয়া যাচ্ছে না।’
একই হতাশা প্রকাশ করে সূর্য ম্রো বলেন, ‘জুমচাষ ঠিকমতো করতে পারিনি। যাদের বাড়িতে রোগী আছে, তারা কেউই জুমে যেতে পারছে না। মা-বাবাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে।’
অসুস্থতার চিত্র তুলে ধরে বড় আগলা পাড়ার মেনয়ুং ম্রো বলেন, ‘আমার পরিবারে ৯ সদস্যের বেশিরভাগই অসুস্থ। বাবা চলাফেরা করতে পারেন না। স্ত্রী, তিন সন্তান, ছোট ভাই ও বাচ্চারা সবাই হামে আক্রান্ত। অসুস্থদের দেখভাল করতে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে।’
একই আক্ষেপ করে স্থানীয় বাসিন্দা দুনিরাং ত্রিপুরা বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের হাসপাতালে নিতে হয়েছে, তাই জুমের কাজ করতে পারিনি। অবস্থা খুব খারাপ, আমরা সবাই অসহায় হয়ে পড়েছি। জুমচাষ করতে না পারলে খাবার পাব না।’
করুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাপ্রো ম্রো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল। হামে আক্রান্ত পরিবারগুলো ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারেনি। ফলে তারা ভবিষ্যতে খাদ্যসংকটে পড়বে। যারা হামে আক্রান্ত হয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসন যদি আক্রান্তদের তালিকা করে দ্রুত বিশেষ সহায়তা দেয়, তবেই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে।’
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, আলীকদম উপজেলায় প্রতি বছর মোট ১ হাজার ২৫৫ হেক্টর জমিতে জুমচাষ হয়। এর মধ্যে আলীকদম সদরে ১৬০ হেক্টর, চৈক্ষ্যঙে ২৪০ হেক্টর, নয়াপাড়ায় ২৫৫ হেক্টর এবং সবচেয়ে বেশি করুকপাতা ইউনিয়নে ৬০০ হেক্টর জমিতে জুমচাষ করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী ‘কাটা ও পোড়ানো’ পদ্ধতির এই জুমচাষে মাটির উর্বরতা বাড়াতে ফসল কাটার পর জমি এক বছরের জন্য পতিত রাখা হয়। চাষ শুরু হয় ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে জমি পরিষ্কারের মাধ্যমে। এরপর এপ্রিল বা মে মাসের দিকে পোড়ানো বর্জ্য দিয়ে জমি প্রস্তুত করা হয়। মে এবং জুন মাসে বর্ষার ঠিক আগে হলুদ, আদা, মরিচ, ভুট্টা, মিষ্টি কুমড়া ও বিভিন্ন শাকসবজির বীজ বপন করা হয়। পরে সেপ্টেম্বর মাস থেকে ফসল তোলার মৌসুম শুরু হয়।
বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, ‘জুমচাষ আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল, তাই নির্ধারিত সময়ে বপন ও নিয়মিত পরিচর্যা গুরুত্বপূর্ণ। দেরিতে বীজ রোপণে উৎপাদন কমে যাবে। তবে এখন বৃষ্টি শুরু হয়েছে এবং এটি জুমচাষের উপযুক্ত সময়, পরিবারের অন্য সদস্যরা বা দিনমজুর দিয়ে হলেও কাজ এগিয়ে নিতে হবে।’
আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুর আলম জানান, করুকপাতা ইউনিয়নের প্রায় ৩২২টি পরিবারে হামের উপসর্গে কেউ না কেউ আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে থাকায় জুমচাষ ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো হবে।

শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠী ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসার সামনে কর্মসূচিতে তারা অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
১ ঘণ্টা আগে
সংসদ থেকে খুনিদের পক্ষ নেওয়ার কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ হয়েছিল। বিচারহীনতার সেই চক্র এখনো ভাঙেনি বলে অভিযোগ অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদের।
২ ঘণ্টা আগে
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকায় ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) থেকেই ছুটি শুরু হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে