স্ট্রিম সংবাদদাতা

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। মুঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি যেমন তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত, তেমনি একে ঘিরে প্রচলিত এক ‘ট্র্যাজিক’ লোককাহিনী পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে।
লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, এই মসজিদের নির্মাণশৈলী এতটাই অনবদ্য ছিল যে, কারিগর যাতে আর কোথাও এমন নকশা করতে না পারেন, সেজন্য তাঁর হাত কেটে দিয়েছিলেন তৎকালীন জমিদার।
১২৭০ বঙ্গাব্দে (১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দ) তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে মসজিদটি নির্মাণ করেন প্রভাবশালী জমিদার খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ। কলকাতার ‘সিন্দুরে পট্টি’ মসজিদের আদলে নির্মিত এই স্থাপনাটি স্থানীয়ভাবে ‘মিয়ার মসজিদ’ নামেও সমধিক পরিচিত।
স্থাপত্যশৈলী পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় এক একর জমির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদে চুন-সুরকি ও চিটাগুড়ের মজবুত গাঁথুনি ব্যবহার করা হয়েছে। ছাদের ওপর রয়েছে ৬টি বড় গম্বুজ এবং চার কোণে ও চারপাশে সুউচ্চ ২০টি মিনার মসজিদটিকে দিয়েছে এক রাজকীয় রূপ। ১২টি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদে ৭টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পাশে রয়েছে বিশাল এক দিঘি, যা মসজিদের সৌন্দর্যকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম জানান, মুঘল স্থাপত্যের এই অমূল্য নিদর্শনটি রক্ষায় সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ও ইতিহাসপ্রেমী এই মসজিদটি দেখতে ভিড় জমান। কেউ নামাজ পড়তে, আবার কেউবা কেবল সাড়ে তিন শতকের এই রহস্যময় স্থাপত্যের সাক্ষী হতে ছুটে আসেন সাতক্ষীরার এই নিভৃত জনপদে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। মুঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি যেমন তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত, তেমনি একে ঘিরে প্রচলিত এক ‘ট্র্যাজিক’ লোককাহিনী পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে।
লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, এই মসজিদের নির্মাণশৈলী এতটাই অনবদ্য ছিল যে, কারিগর যাতে আর কোথাও এমন নকশা করতে না পারেন, সেজন্য তাঁর হাত কেটে দিয়েছিলেন তৎকালীন জমিদার।
১২৭০ বঙ্গাব্দে (১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দ) তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে মসজিদটি নির্মাণ করেন প্রভাবশালী জমিদার খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ। কলকাতার ‘সিন্দুরে পট্টি’ মসজিদের আদলে নির্মিত এই স্থাপনাটি স্থানীয়ভাবে ‘মিয়ার মসজিদ’ নামেও সমধিক পরিচিত।
স্থাপত্যশৈলী পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় এক একর জমির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদে চুন-সুরকি ও চিটাগুড়ের মজবুত গাঁথুনি ব্যবহার করা হয়েছে। ছাদের ওপর রয়েছে ৬টি বড় গম্বুজ এবং চার কোণে ও চারপাশে সুউচ্চ ২০টি মিনার মসজিদটিকে দিয়েছে এক রাজকীয় রূপ। ১২টি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদে ৭টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পাশে রয়েছে বিশাল এক দিঘি, যা মসজিদের সৌন্দর্যকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে মসজিদটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম জানান, মুঘল স্থাপত্যের এই অমূল্য নিদর্শনটি রক্ষায় সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ও ইতিহাসপ্রেমী এই মসজিদটি দেখতে ভিড় জমান। কেউ নামাজ পড়তে, আবার কেউবা কেবল সাড়ে তিন শতকের এই রহস্যময় স্থাপত্যের সাক্ষী হতে ছুটে আসেন সাতক্ষীরার এই নিভৃত জনপদে।

সাংবাদিক আনিস আলমগীর মুক্তি পেয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
২৬ মিনিট আগে
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
৩৪ মিনিট আগে
পাবনা জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাটমোহর উপজেলা সদরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৪৪৪ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক চাটমোহর শাহী মসজিদ। ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি কেবল একটি উপাসনালয় নয়, বরং বাংলার স্থাপত্য বিবর্তনের এক অমূল্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে প্রতিদিনের ইফতার আয়োজন যেন এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলী আর পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই মসজিদে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেন। গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা এই গণ-ইফতার এখন চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয়
২ ঘণ্টা আগে