স্ট্রিম সংবাদদাতা

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল (কওমী জুটমিল) ‘সিরাজগঞ্জ টেক্সটাইল লিমিটেড’ হিসেবে পুনরায় যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত এই পাটকলটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে লিজ দিয়েছে সরকার।
গত ১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চুক্তি সই হয়। ইতোমধ্যে মিলটি পরিদর্শন করেছেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কর্মকর্তারা।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহান শাহ আজাদ বলেন, বর্তমান সময়ে যখন দেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনপদের মানুষ কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে, তখন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে, যা টেকসই উন্নয়নের অন্যতম মূল ভিত্তি।
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে জাতীয় জুট মিলসে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে প্রায় ৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা; যা আঞ্চলিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কারখানাকে উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করতে চায় প্রাণ-আরএফএল।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার রায়পুর এলাকায় ৭৫ একর জমির ওপর ১৯৬০ সালে নির্মাণ করা হয় কওমি জুট মিল। এই মিলকে ঘিরে কর্মসংস্থান হয় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের। কিন্তু দুর্নীতি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানা কারণে লোকসানের মুখে ২০০৭ সালে উৎপাদন বন্ধ হয় কারখানাটির।
মিলটি চালুর দাবিতে আন্দোলনে নামেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। পরে ২০১১ সালে কওমি জুট মিল নতুন নামে (জাতীয় জুট মিল) আবার চালু করা হয়। পরে ২০২০ সালের ১ জুন আবারও মিলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালে কুষ্টিয়ার রশিদ গ্রুপ মিলটি ভাড়া (লিজ) নিয়ে উৎপাদন শুরু করলেও মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০২৪ সালে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস বকেয়া রেখেই মিলটি বন্ধ করে চলে যায়। পুনরায় চালুর লক্ষ্যে গত ১১ আগস্ট দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে লিজ দেয় সরকার।
জুট মিলের শ্রমিক মাসুদ শিকদার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে মিলটি চালু হচ্ছে। এই মিলে হাজার হাজার মানুষ কর্ম করে খেত। তারা এখন বেকার। সরকার মিলটি চালুর উদ্যেগ নিয়েছে এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। জুট মিল বন্ধ হওয়ার আগে শ্রমিকদের অনেক টাকা বকেয়া রয়েছে। একেক শ্রমিকের ২-৩ লাখ টাকা করে বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকদের চলার মতো কোন পথ নাই। তাই সরকার যদি বকেয়া টাকা পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতো তাহলে শ্রমিকরা উপকৃত হত।’
কুদ্দুস শিকদার বলেন, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে মিলটি বন্ধ হয়ে যায়। কী কারণে বন্ধ হলো জানি না। যাদেরকে মিলটি লিজ দেওয়া হয়েছে তারা রাতের আধারে মিলের যন্ত্রাংশ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ওয়াদা দিয়েছিলেন মিলটি চালু করবেন। যে নামেই চালু হোক না কেন সিরাজগঞ্জের মানুষ উপকৃত হবে। এখানে হাজার হাজার বেকার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্ব দূর হবে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল (কওমী জুটমিল) ‘সিরাজগঞ্জ টেক্সটাইল লিমিটেড’ হিসেবে পুনরায় যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত এই পাটকলটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে লিজ দিয়েছে সরকার।
গত ১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চুক্তি সই হয়। ইতোমধ্যে মিলটি পরিদর্শন করেছেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কর্মকর্তারা।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহান শাহ আজাদ বলেন, বর্তমান সময়ে যখন দেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনপদের মানুষ কর্মসংস্থানের অভাবে শহরমুখী হচ্ছে, তখন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে, যা টেকসই উন্নয়নের অন্যতম মূল ভিত্তি।
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে জাতীয় জুট মিলসে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে প্রায় ৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা; যা আঞ্চলিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কারখানাকে উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করতে চায় প্রাণ-আরএফএল।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার রায়পুর এলাকায় ৭৫ একর জমির ওপর ১৯৬০ সালে নির্মাণ করা হয় কওমি জুট মিল। এই মিলকে ঘিরে কর্মসংস্থান হয় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের। কিন্তু দুর্নীতি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানা কারণে লোকসানের মুখে ২০০৭ সালে উৎপাদন বন্ধ হয় কারখানাটির।
মিলটি চালুর দাবিতে আন্দোলনে নামেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। পরে ২০১১ সালে কওমি জুট মিল নতুন নামে (জাতীয় জুট মিল) আবার চালু করা হয়। পরে ২০২০ সালের ১ জুন আবারও মিলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালে কুষ্টিয়ার রশিদ গ্রুপ মিলটি ভাড়া (লিজ) নিয়ে উৎপাদন শুরু করলেও মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০২৪ সালে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস বকেয়া রেখেই মিলটি বন্ধ করে চলে যায়। পুনরায় চালুর লক্ষ্যে গত ১১ আগস্ট দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে লিজ দেয় সরকার।
জুট মিলের শ্রমিক মাসুদ শিকদার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে মিলটি চালু হচ্ছে। এই মিলে হাজার হাজার মানুষ কর্ম করে খেত। তারা এখন বেকার। সরকার মিলটি চালুর উদ্যেগ নিয়েছে এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। জুট মিল বন্ধ হওয়ার আগে শ্রমিকদের অনেক টাকা বকেয়া রয়েছে। একেক শ্রমিকের ২-৩ লাখ টাকা করে বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকদের চলার মতো কোন পথ নাই। তাই সরকার যদি বকেয়া টাকা পরিশোধ করার ব্যবস্থা করতো তাহলে শ্রমিকরা উপকৃত হত।’
কুদ্দুস শিকদার বলেন, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে মিলটি বন্ধ হয়ে যায়। কী কারণে বন্ধ হলো জানি না। যাদেরকে মিলটি লিজ দেওয়া হয়েছে তারা রাতের আধারে মিলের যন্ত্রাংশ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ওয়াদা দিয়েছিলেন মিলটি চালু করবেন। যে নামেই চালু হোক না কেন সিরাজগঞ্জের মানুষ উপকৃত হবে। এখানে হাজার হাজার বেকার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্ব দূর হবে।
.png)

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। তবে এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে ৩৪২ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নে দুপুর দেড়টার দিকে মরাপদ্মা নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
২১ মিনিট আগে
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে জাকির হোসেন নামের এক বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত আরও ৩৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু নামে আরেক বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন। গত ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) আমুর অঞ্চলের কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (এজিসিসি) প্রকল্পের সিন
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। একই সময়ে ৩৯টি মামলা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে