স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঈদুল আজহার প্রথম দিনে ঢাকার সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে আসতে শুরু করেছে কাঁচা চামড়া। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টা পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া এসেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চামড়া শিল্প নগরীর বিসিক কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাইয়ান জানান, বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ৬১৫টি ট্রাকে করে শিল্পনগরীতে এসেছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮২৫টি কাঁচা চামড়া। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ২৭৫টি এবং ছাগল-ভেড়ার চামড়া ২ হাজার ৫৫০টি।
সরেজমিনে চামড়া শিল্প নগরীতে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শিল্প নগরীতে চামড়া প্রবেশ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য কার্যক্রমে কোনো দৃশ্যমান বিশৃঙ্খলা লক্ষ করা যায়নি। ঈদের বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি শিল্প নগরীতে চামড়া প্রবেশ ও সঠিকভাবে এর সংরক্ষণ নিশ্চিতে বিসিক, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় ও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী দুদিনে আরও বাড়বে চামড়া সংগ্রহের পরিমাণ।
শিল্পনগরীতে আসা চামড়া দ্রুত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ চলছে। এ ছাড়া চামড়া পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় সার্বিক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চামড়া প্রবেশের এই পরিমাণ আরও বাড়বে, পাশাপাশি সার্বিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানাসহ শিল্প নগরীতে অবস্থিত ট্যানারিগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা বিভিন্ন মৌসুমি ব্যাবসায়ীদের চামড়ার দর নিয়ে কোন আপত্তি না পাওয়া গেলেও শিল্প নগরীসংলগ্ন চামড়ার আড়তগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা ব্যক্তিরা দর নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
একাধিক মৌসুমি ব্যবসায়ী এ সময় দাবি করেন, সরকার নির্ধারিত দাম অনুপাতে রক্তমাখা কাঁচা চামড়ার দাম যতটা হওয়া প্রয়োজন, সেই অনুপাতে অনেক কম দাম প্রস্তাব করছেন আড়তদাররা।
তবে ট্যানারিগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আড়তের তুলনায় ট্যানারিতে তারা ভালো দর পাচ্ছেন। আবার যেসব ট্যানারির সঙ্গে তাদের পূর্বের সম্পর্ক রয়েছে, সেখানে তারা এই মুহূর্তে দাম নিয়ে আলোচনা ছাড়াই চামড়া লবণজাত করার জন্য রেখে যাচ্ছেন, কিছুদিন পর ট্যানারি কর্তৃপক্ষের ডাক পেলে এসে দরদাম করে দাম নির্ধারণ করবেন।
পরেশ নামে বলিয়ারপুর এলাকা থেকে ৩০টি চামড়া নিয়ে আড়তে বিক্রি করতে আসা একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী বলেন, ৭০০ টাকা দরে যেই চামড়া কিনেছি, সেই চামড়ার দর আড়তে ৬০০ টাকা বলছে। লাভ তো দূরে থাক, এমন হলে তো গাড়ি ভাড়াও পকেট থেকে যাবে।
একইভাবে আক্ষেপ প্রকাশ করে টঙ্গীর গাজিপুরা এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে ২০০টি চামড়া নিয়ে আসা আরেকজন ব্যক্তি বলেন, ‘আড়তে চামড়ার দাম অনেক কম বলছে। যার কারনে ট্যানারির ভিতর চামড়া নিয়ে যাচ্ছি। আশা করি ট্যানারিতে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া যাবে।’
যদিও অভিযোগের আংশিক সত্যতার কথা স্বীকার করে হেমায়েতপুরের চামড়ার আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুর রহমান বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে অর্থসংকট। আমাদের প্রচুর টাকা ট্যানারিগুলোতে বাকি পড়ে আছে। নগদ প্রবাহ কম থাকায় এবং যেহেতু আমরা লোন ফ্যাসিলিটিও পাই না, কাজেই চামড়া বেশি এসে পড়লে দেখা যায় কিনতে সমস্যা হয়ে যায়। তবে মোটাদাগে আমরা সব সময় চেষ্টা করি সরকার নির্ধারিত মূল্যের অনুপাতেই দাম দেওয়ার। আবার চামড়ার সাইজ এবং মানও নির্ভর করে দর বিবেচনার ক্ষেত্রে।’
ট্যানারিমালিকরা বলছেন, একসময় এই সময়ে চামড়া কেনার ক্ষেত্রে যেই ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো, এখন সেটি নেই। ব্যাবসায়ীক মন্দা, ক্রমাগত দরপতন, রপ্তানির ক্ষেত্রে এককভাবে চীন নির্ভরতা এবং লোকসান—সব মিলিয়ে অনেক ব্যবসায়ী ইতিমধ্যে আগ্রহ হারিয়েছেন।
আজমীর লেদারের মালিক মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘এই দফায় ২০ হাজারটি চামড়া কেনার লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। ইতিমধ্যে ৫ হাজারের মতো চামড়া চলে এসেছে। মূলত আমাদের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্কের সূত্রে যারা চামড়া নিয়ে আসছেন, তাদের চামড়াগুলোই কিনছি, কেননা এখনো আমার কারখানায় ৫০ হাজার পিসের ওপরে চামড়া স্টকে রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো হলে সেটি সকলেই জন্যই কল্যাণকর হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি অনেক ব্যবসায়ী আছে যাদের মূলধন ইতিমধ্যে অর্ধেক হয়ে গেছে।’
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক ও সমতা লেদারের মালিক মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ বছর প্রায় ১ কোটি কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য আমাদের রয়েছে। সমস্যা হচ্ছে, বেচাকেনাটা রাতে হওয়ার কারণে, দিনের বেলা যেভাবে একটা চামড়া দেখে নেওয়া যায়, রাতে তো সেটা পারা যায় না। ফলে তখন দর কম হলে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। এবারও মূল বেচাকেনা রাতেই হবে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কেট পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’

ঈদুল আজহার প্রথম দিনে ঢাকার সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে আসতে শুরু করেছে কাঁচা চামড়া। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টা পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া এসেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চামড়া শিল্প নগরীর বিসিক কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাইয়ান জানান, বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ৬১৫টি ট্রাকে করে শিল্পনগরীতে এসেছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮২৫টি কাঁচা চামড়া। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ২৭৫টি এবং ছাগল-ভেড়ার চামড়া ২ হাজার ৫৫০টি।
সরেজমিনে চামড়া শিল্প নগরীতে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শিল্প নগরীতে চামড়া প্রবেশ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য কার্যক্রমে কোনো দৃশ্যমান বিশৃঙ্খলা লক্ষ করা যায়নি। ঈদের বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি শিল্প নগরীতে চামড়া প্রবেশ ও সঠিকভাবে এর সংরক্ষণ নিশ্চিতে বিসিক, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় ও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী দুদিনে আরও বাড়বে চামড়া সংগ্রহের পরিমাণ।
শিল্পনগরীতে আসা চামড়া দ্রুত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ চলছে। এ ছাড়া চামড়া পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় সার্বিক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চামড়া প্রবেশের এই পরিমাণ আরও বাড়বে, পাশাপাশি সার্বিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানাসহ শিল্প নগরীতে অবস্থিত ট্যানারিগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা বিভিন্ন মৌসুমি ব্যাবসায়ীদের চামড়ার দর নিয়ে কোন আপত্তি না পাওয়া গেলেও শিল্প নগরীসংলগ্ন চামড়ার আড়তগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা ব্যক্তিরা দর নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
একাধিক মৌসুমি ব্যবসায়ী এ সময় দাবি করেন, সরকার নির্ধারিত দাম অনুপাতে রক্তমাখা কাঁচা চামড়ার দাম যতটা হওয়া প্রয়োজন, সেই অনুপাতে অনেক কম দাম প্রস্তাব করছেন আড়তদাররা।
তবে ট্যানারিগুলোতে চামড়া নিয়ে আসা বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আড়তের তুলনায় ট্যানারিতে তারা ভালো দর পাচ্ছেন। আবার যেসব ট্যানারির সঙ্গে তাদের পূর্বের সম্পর্ক রয়েছে, সেখানে তারা এই মুহূর্তে দাম নিয়ে আলোচনা ছাড়াই চামড়া লবণজাত করার জন্য রেখে যাচ্ছেন, কিছুদিন পর ট্যানারি কর্তৃপক্ষের ডাক পেলে এসে দরদাম করে দাম নির্ধারণ করবেন।
পরেশ নামে বলিয়ারপুর এলাকা থেকে ৩০টি চামড়া নিয়ে আড়তে বিক্রি করতে আসা একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী বলেন, ৭০০ টাকা দরে যেই চামড়া কিনেছি, সেই চামড়ার দর আড়তে ৬০০ টাকা বলছে। লাভ তো দূরে থাক, এমন হলে তো গাড়ি ভাড়াও পকেট থেকে যাবে।
একইভাবে আক্ষেপ প্রকাশ করে টঙ্গীর গাজিপুরা এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে ২০০টি চামড়া নিয়ে আসা আরেকজন ব্যক্তি বলেন, ‘আড়তে চামড়ার দাম অনেক কম বলছে। যার কারনে ট্যানারির ভিতর চামড়া নিয়ে যাচ্ছি। আশা করি ট্যানারিতে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া যাবে।’
যদিও অভিযোগের আংশিক সত্যতার কথা স্বীকার করে হেমায়েতপুরের চামড়ার আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুর রহমান বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে অর্থসংকট। আমাদের প্রচুর টাকা ট্যানারিগুলোতে বাকি পড়ে আছে। নগদ প্রবাহ কম থাকায় এবং যেহেতু আমরা লোন ফ্যাসিলিটিও পাই না, কাজেই চামড়া বেশি এসে পড়লে দেখা যায় কিনতে সমস্যা হয়ে যায়। তবে মোটাদাগে আমরা সব সময় চেষ্টা করি সরকার নির্ধারিত মূল্যের অনুপাতেই দাম দেওয়ার। আবার চামড়ার সাইজ এবং মানও নির্ভর করে দর বিবেচনার ক্ষেত্রে।’
ট্যানারিমালিকরা বলছেন, একসময় এই সময়ে চামড়া কেনার ক্ষেত্রে যেই ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো, এখন সেটি নেই। ব্যাবসায়ীক মন্দা, ক্রমাগত দরপতন, রপ্তানির ক্ষেত্রে এককভাবে চীন নির্ভরতা এবং লোকসান—সব মিলিয়ে অনেক ব্যবসায়ী ইতিমধ্যে আগ্রহ হারিয়েছেন।
আজমীর লেদারের মালিক মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘এই দফায় ২০ হাজারটি চামড়া কেনার লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। ইতিমধ্যে ৫ হাজারের মতো চামড়া চলে এসেছে। মূলত আমাদের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্কের সূত্রে যারা চামড়া নিয়ে আসছেন, তাদের চামড়াগুলোই কিনছি, কেননা এখনো আমার কারখানায় ৫০ হাজার পিসের ওপরে চামড়া স্টকে রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো হলে সেটি সকলেই জন্যই কল্যাণকর হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি অনেক ব্যবসায়ী আছে যাদের মূলধন ইতিমধ্যে অর্ধেক হয়ে গেছে।’
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক ও সমতা লেদারের মালিক মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ বছর প্রায় ১ কোটি কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য আমাদের রয়েছে। সমস্যা হচ্ছে, বেচাকেনাটা রাতে হওয়ার কারণে, দিনের বেলা যেভাবে একটা চামড়া দেখে নেওয়া যায়, রাতে তো সেটা পারা যায় না। ফলে তখন দর কম হলে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। এবারও মূল বেচাকেনা রাতেই হবে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কেট পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’

জামালপুরের ইসলামপুরে ঈদুল আজহার আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কোরবানির মাংস খাওয়ার সময় গলায় মাংস আটকে মো. ইয়াসিন (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
এবার কোরবানির পশুর চামড়া পাচার হওয়ার শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
৩৭ মিনিট আগে
উজানে ভারতের ফারাক্কা বাঁধ। এর প্রভাবে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মিঠাপানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। বিপরীতে পানির অব্যাহত লবণাক্ততা বৃদ্ধিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন এখন বিপন্ন। ইকোসিস্টেমও ঝুঁকিতে।
১ ঘণ্টা আগে
বাইরে তখন ঈদুল আজহার সকাল। কোরবানির প্রস্তুতি, রাস্তাজুড়ে মানুষের আনাগোনা। নতুন জামার গন্ধে নগরের অলিগলিতে ছুটছে শিশুরা। সেই সময় এক মা সন্তানের কপালে হাত রেখে জ্বর মাপছেন। অন্যজন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন। কেউ সন্তান কোলে রোগমুক্তির প্রার্থনা করছেন। এই দৃশ্য বরিশালের শেবাচিম হাসপাতালের।
২ ঘণ্টা আগে