স্ট্রিম প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলার আজ তৃতীয় দিন। বেশ কিছু স্টলের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। হাতুড়ি-পেরেকের ঠুকঠাক শব্দ আর শেষ মুহূর্তের গোছগাছের মাঝেই বইপ্রেমীরা স্টলে স্টলে ঘুরে নিজেদের পছন্দের বইয়ের খোঁজ করছেন। প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বই বিক্রির সার্বিক পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ‘মন্দের ভালো’। সামনের দিনগুলোতে বিক্রি ও দর্শনার্থী—উভয়ই বাড়বে বলে আশাবাদী তারা।
এবারের মেলায় পবিত্র রমজান মাসের একটি বড় প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। দিনের বেলায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম।
এ বিষয়ে কথা হয় ইলহাম প্রকাশনের তাকিব রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, এবারের বিক্রি তেমন একটা ভালো নয়। আগে যেখানে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো, বর্তমানে তা কমে দেড় থেকে দুই হাজার। মেলায় লোকজনও আগের তুলনায় কম আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রমজানেরই একটা বড় প্রভাব পড়েছে মেলায়। আগে তো ইফতারের কোনো বিষয় ছিল না, তাই মানুষ স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারত। এখন রোজাদারদের ইফতারের আগে দ্রুত বাসায় চলে যাওয়ার একটা তাড়া থাকে। আবার রাতে তারাবির নামাজ রয়েছে। এসব কারণেই লোকজনের উপস্থিতি কম।’
বড় প্রকাশনীগুলোর অবস্থাও প্রায় কাছাকাছি। প্রথমা প্রকাশনের ব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ আশিক জানান, বিক্রি এখনো ঠিক আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে তা একেবারে খারাপও নয়। রমজান মাস ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক কারণে বিক্রি কিছুটা কম হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তবে সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে বলে তিনি আশা করেছেন।
এ দিকে বেঙ্গল বুকসের তাওহীদ ইমামও প্রায় একই সুরে বলেন, ‘মেলা তো মাত্র শুরু হলো। এখনো অনেকের স্টলের কাজই পুরোপুরি শেষ হয়নি। আমরা আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে ক্রেতা ও দর্শনার্থীর সমাগম বাড়বে এবং বই বিক্রিও স্বাভাবিকভাবেই আরও বৃদ্ধি পাবে।’
কাকলী প্রকাশনীর এক কর্মীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘পরিস্থিতি সামনে হয়তো ভালো হবে। মানুষজন তো মেলায় আসছেন। তবে রোজার কারণে অনেকেই চাইলেও দিনের বেলায় আসতে পারেন না।’ তার মতে, ইফতারের পর মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা বাড়ে। যারা নামাজ বা ইফতার শেষ করে আসেন, তাদের মাধ্যমেই রাতের বেলা মেলায় কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
সার্বিকভাবে, বইমেলার তৃতীয় দিনে এসে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে। প্রকাশকেরা বলছেন, রমজানের কারণে মেলার স্বাভাবিক ছন্দে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতির সময়সূচিতেও বদল এসেছে। তবে স্টলগুলোর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে এবং দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বইপ্রেমীদের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠবে এবং বিক্রি বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন মেলার প্রকাশক ও বিক্রেতারা।

অমর একুশে বইমেলার আজ তৃতীয় দিন। বেশ কিছু স্টলের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। হাতুড়ি-পেরেকের ঠুকঠাক শব্দ আর শেষ মুহূর্তের গোছগাছের মাঝেই বইপ্রেমীরা স্টলে স্টলে ঘুরে নিজেদের পছন্দের বইয়ের খোঁজ করছেন। প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বই বিক্রির সার্বিক পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ‘মন্দের ভালো’। সামনের দিনগুলোতে বিক্রি ও দর্শনার্থী—উভয়ই বাড়বে বলে আশাবাদী তারা।
এবারের মেলায় পবিত্র রমজান মাসের একটি বড় প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। দিনের বেলায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম।
এ বিষয়ে কথা হয় ইলহাম প্রকাশনের তাকিব রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, এবারের বিক্রি তেমন একটা ভালো নয়। আগে যেখানে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার বই বিক্রি হতো, বর্তমানে তা কমে দেড় থেকে দুই হাজার। মেলায় লোকজনও আগের তুলনায় কম আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রমজানেরই একটা বড় প্রভাব পড়েছে মেলায়। আগে তো ইফতারের কোনো বিষয় ছিল না, তাই মানুষ স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারত। এখন রোজাদারদের ইফতারের আগে দ্রুত বাসায় চলে যাওয়ার একটা তাড়া থাকে। আবার রাতে তারাবির নামাজ রয়েছে। এসব কারণেই লোকজনের উপস্থিতি কম।’
বড় প্রকাশনীগুলোর অবস্থাও প্রায় কাছাকাছি। প্রথমা প্রকাশনের ব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ আশিক জানান, বিক্রি এখনো ঠিক আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে তা একেবারে খারাপও নয়। রমজান মাস ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক কারণে বিক্রি কিছুটা কম হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তবে সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে বলে তিনি আশা করেছেন।
এ দিকে বেঙ্গল বুকসের তাওহীদ ইমামও প্রায় একই সুরে বলেন, ‘মেলা তো মাত্র শুরু হলো। এখনো অনেকের স্টলের কাজই পুরোপুরি শেষ হয়নি। আমরা আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে ক্রেতা ও দর্শনার্থীর সমাগম বাড়বে এবং বই বিক্রিও স্বাভাবিকভাবেই আরও বৃদ্ধি পাবে।’
কাকলী প্রকাশনীর এক কর্মীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘পরিস্থিতি সামনে হয়তো ভালো হবে। মানুষজন তো মেলায় আসছেন। তবে রোজার কারণে অনেকেই চাইলেও দিনের বেলায় আসতে পারেন না।’ তার মতে, ইফতারের পর মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা বাড়ে। যারা নামাজ বা ইফতার শেষ করে আসেন, তাদের মাধ্যমেই রাতের বেলা মেলায় কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
সার্বিকভাবে, বইমেলার তৃতীয় দিনে এসে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে। প্রকাশকেরা বলছেন, রমজানের কারণে মেলার স্বাভাবিক ছন্দে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতির সময়সূচিতেও বদল এসেছে। তবে স্টলগুলোর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে এবং দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বইপ্রেমীদের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠবে এবং বিক্রি বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন মেলার প্রকাশক ও বিক্রেতারা।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ৮৯ হাজার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদে সিলেট-৬ আসনের এমপি ইমরান আহমেদ চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন।
২০ মিনিট আগে
ঢাকার নবাবগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় ইস্যুতে উসকানিমূলক বক্তব্যের জেরে মো. আমিনুর শাহ (৩৮) নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
২৯ মিনিট আগে
রাজধানীতে শামীম সালিম কাসিম (৬৭) নামে এক ভারতীয় নারীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তাঁকে মৃত অবস্থায় গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয় স্বজনেরা। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
৪৩ মিনিট আগে
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছে নুর আলম (২৬) নামে এক অটোরিকশাচালক। তিনি রিকশার ব্যাটারি কিনতে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে কমলাপুর যাচ্ছিলেন। পথে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে তাঁর কাছ থেকে ওই টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে