জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব ও উপদেষ্টা রেহান আসিফ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ পরিদর্শন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। ছবি: সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ পরিদর্শন করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

আজ রোববার (৮ মার্চ) প্রকল্প এলাকায় পৌঁছালে প্রকল্প পরিচালক তাঁদের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরিয়ে দেখান এবং কাজের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর এই কেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে। তিনি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বড় প্রকৌশল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক। এসব চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করে ঝুঁকি কমিয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত ‘টিমওয়ার্ক’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। এ সময় তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট যেকোনো সহায়তা নিশ্চিত করার কথা জানান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন প্রকল্পটিকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

পরিদর্শনকালে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, রাশিয়ান ফেডারেশন বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ান বিশেষজ্ঞদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্ব প্রশংসনীয়। বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও রাশিয়ান বিশেষজ্ঞদের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রকল্পটি সফলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রদূত আরও জানান, প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার মাইলফলক এবং ভবিষ্যতে এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের মালিকানায় পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত