স্ট্রিম সংবাদদাতা

ভারী বর্ষণে এক মাসের ব্যবধানে আবার জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর বেশ কিছু এলাকা। এতে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে পানি জমে যায়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে থাকাকালেও নগর জলমগ্ন হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম আমবাগান আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই তিন ঘণ্টাতেই হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার অতি ভারী বর্ষণ। চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী আরও দুই থেকে তিন দিন এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় পাহাড়ধসের শঙ্কাও রয়েছে।
গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতের ভারী বর্ষণে নগরীর কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, ফরিদারপাড়া, চকবাজার, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী, কাপাসগোলা, উত্তর কাট্টলী, দক্ষিণ নালাপাড়া ও জামালখানসহ বেশ কিছু এলাকার নিচু অঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যায়। যদিও সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি নেমে যেতে থাকে।
সকালে নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জ ও পাঁচলাইশ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মূল সড়ক ও গলির পথ কোমরসমান পানিতে ভেসে একাকার হয়ে গেছে। ভবনের নিচতলার পার্কিং, দোকানপাট এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখেও পানি ঢুকে পড়েছে। যানবাহন চলাচল না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারেনি।
কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সড়কে কোমরসমান পানি জমে থাকায় জরুরি প্রয়োজনেও ঘর থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি। একই পরিস্থিতির কথা জানান পাঁচলাইশ এলাকার বাসিন্দা ও কলেজশিক্ষক ফারজানা আক্তার।
জলাবদ্ধতার পানি ঢুকে পড়েছে নগরের নিউমার্কেট এলাকার নুপুর মার্কেটের বিভিন্ন দোকানেও। কয়েকটি বইয়ের দোকানে পানি ঢুকে বই ভিজে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বই, কাগজ ও অন্যান্য পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
এদিকে জলমগ্ন সড়কে চলাচলের সুযোগ নিয়ে তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া হাঁকাচ্ছেন রিকশাচালকেরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই কোমরপানি ভেঙে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছান। দক্ষিণ নালাপাড়ার বাসিন্দা টুম্পা আকতার জানান, নিউমার্কেট যাওয়ার স্বাভাবিক সময়ের ৩০ থেকে ৪০ টাকার ভাড়া, কিন্তু আজ আদায় করা হয়েছে ১৫০ টাকা।
হামজারবাগে গাড়ির অপেক্ষায় থাকা চাকরিজীবী আজগর আলী বলেন, ‘গাড়ি আসলেই সবাই হুড়মুড় করে উঠে যাচ্ছে। গাড়ির সংখ্যা কম। পানি জমে থাকায় চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে।’
প্রকল্পের কার্যাকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। প্রকল্পগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। গত ১৪ জুলাই রাজধানীর পিআইডি সম্মেলনকক্ষে এক সভা শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, পতেঙ্গা এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চলতি বছরের শেষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রকল্পটি চালু হলে চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।
এরই মধ্যে বৃষ্টিতে নগর জলমগ্ন হওয়ায় এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। চকবাজার এলাকার বাসিন্দা আবু বকর বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ নাকি শেষের দিকে। কিন্তু আমাদের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির তো কোনো উন্নতি নেই।’
এ সব বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মদ মঈনুদ্দিন জানান, তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের বাইরে রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘সকালে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে সাগরের জোয়ারের পানির চাপ বেশি ছিল। তাই দ্রুত পানি সরতে পারেনি।’
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের উপপরিচালক আবদুর রহমান খান বলেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত রয়েছে।
এর আগে গত জুলাইয়ে প্রথম সপ্তাহে কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় বন্ধ্যা দেখা দেয়। এ সময় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়।

ভারী বর্ষণে এক মাসের ব্যবধানে আবার জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর বেশ কিছু এলাকা। এতে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে পানি জমে যায়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে থাকাকালেও নগর জলমগ্ন হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম আমবাগান আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই তিন ঘণ্টাতেই হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার অতি ভারী বর্ষণ। চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী আরও দুই থেকে তিন দিন এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় পাহাড়ধসের শঙ্কাও রয়েছে।
গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতের ভারী বর্ষণে নগরীর কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, ফরিদারপাড়া, চকবাজার, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, পাঠানটুলী, কাপাসগোলা, উত্তর কাট্টলী, দক্ষিণ নালাপাড়া ও জামালখানসহ বেশ কিছু এলাকার নিচু অঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যায়। যদিও সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি নেমে যেতে থাকে।
সকালে নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জ ও পাঁচলাইশ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মূল সড়ক ও গলির পথ কোমরসমান পানিতে ভেসে একাকার হয়ে গেছে। ভবনের নিচতলার পার্কিং, দোকানপাট এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখেও পানি ঢুকে পড়েছে। যানবাহন চলাচল না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারেনি।
কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সড়কে কোমরসমান পানি জমে থাকায় জরুরি প্রয়োজনেও ঘর থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি। একই পরিস্থিতির কথা জানান পাঁচলাইশ এলাকার বাসিন্দা ও কলেজশিক্ষক ফারজানা আক্তার।
জলাবদ্ধতার পানি ঢুকে পড়েছে নগরের নিউমার্কেট এলাকার নুপুর মার্কেটের বিভিন্ন দোকানেও। কয়েকটি বইয়ের দোকানে পানি ঢুকে বই ভিজে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বই, কাগজ ও অন্যান্য পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
এদিকে জলমগ্ন সড়কে চলাচলের সুযোগ নিয়ে তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া হাঁকাচ্ছেন রিকশাচালকেরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই কোমরপানি ভেঙে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছান। দক্ষিণ নালাপাড়ার বাসিন্দা টুম্পা আকতার জানান, নিউমার্কেট যাওয়ার স্বাভাবিক সময়ের ৩০ থেকে ৪০ টাকার ভাড়া, কিন্তু আজ আদায় করা হয়েছে ১৫০ টাকা।
হামজারবাগে গাড়ির অপেক্ষায় থাকা চাকরিজীবী আজগর আলী বলেন, ‘গাড়ি আসলেই সবাই হুড়মুড় করে উঠে যাচ্ছে। গাড়ির সংখ্যা কম। পানি জমে থাকায় চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে।’
প্রকল্পের কার্যাকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। প্রকল্পগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। গত ১৪ জুলাই রাজধানীর পিআইডি সম্মেলনকক্ষে এক সভা শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, পতেঙ্গা এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চলতি বছরের শেষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রকল্পটি চালু হলে চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।
এরই মধ্যে বৃষ্টিতে নগর জলমগ্ন হওয়ায় এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। চকবাজার এলাকার বাসিন্দা আবু বকর বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ নাকি শেষের দিকে। কিন্তু আমাদের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির তো কোনো উন্নতি নেই।’
এ সব বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মদ মঈনুদ্দিন জানান, তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের বাইরে রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘সকালে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে সাগরের জোয়ারের পানির চাপ বেশি ছিল। তাই দ্রুত পানি সরতে পারেনি।’
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের উপপরিচালক আবদুর রহমান খান বলেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত রয়েছে।
এর আগে গত জুলাইয়ে প্রথম সপ্তাহে কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় বন্ধ্যা দেখা দেয়। এ সময় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়।
.png)

আমদানির চেয়ে রপ্তানি তুলনামূলক বেশি হওয়ায় রপ্তানিমুখী বন্দর হিসেবে বিবেচিত হয় আখাউড়া স্থলবন্দর। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন বেশ কয়েকটি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার। যার প্রভাব পড়ে আখাউড়া স্থলবন্দরের রপ্তানি বাণিজ্যে।
৭ মিনিট আগে
সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা বা অটোরিকশা চার্জ দিলে জরিমানা ও নিবন্ধন বাতিলের বিধান করছে সরকার।সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারসংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার
২২ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৯৮১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৮১৬
২৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা সংক্রান্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিবেদন আমলে নিচ্ছে না সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রতিবেদনটিকে অনুমাননির্ভর বলে দাবি করেন। প্রতিবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুনেছি, তবে পড়িনি। সে