স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর ঢাকা-১১ আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সমীকরণের চিত্র। জাতীয় পার্টির ‘লাঙ্গল’ এবং এনপিপির ‘আম’ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কেউ কেউ দাবি করছেন, কেন্দ্রের পরিস্থিতি দেখে তারা এখন কার্যত বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নূরের চালা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সন্তোষজনক ভোটার উপস্থিতির কথাও জানিয়েছেন ভোটার ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা।
নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরুষ ভোটকেন্দ্রে লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে এসেছিলেন আকাশ নামের এক ব্যক্তি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি জানান, তিনি মূলত ব্যবসায়ী। লাঙ্গলের এজেন্ট হয়ে কেন্দ্রে এলেও এসে শুনেছেন পরিস্থিতি বদলে গেছে। তার দাবি, কেন্দ্রে এসে জানতে পারেন লাঙ্গল এখন ধানের শীষকে সমর্থন করছে। সেই প্রেক্ষাপটে তিনিও নিজেকে ধানের শীষের পক্ষের মানুষ হিসেবে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন।
একই কেন্দ্রের সামনে আম প্রতীকের এজেন্ট রফিকুল ইসলামের সঙ্গেও কথা হয়। তিনিও প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করে বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ ও পরিস্থিতি দেখে তিনিও এখন ধানের শীষের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।
কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার নাহার বেগম বলেন, আগে তিনি ভোট দিতে পারেননি। নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি থেকেই বের হতে পারেননি। তবে এবার পরিবারের সবাই মিলে ভোট দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হবে।
ভোটের হার ও সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে জানা যায়, নূরের চালা এলাকায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ চলছে—নূরের চালা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য বাইরে থেকে কোনো ধরনের আপ্যায়ন গ্রহণ না করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
সার্বিকভাবে ঢাকা-১১ আসনের এসব কেন্দ্র ঘুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাজধানীর ঢাকা-১১ আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সমীকরণের চিত্র। জাতীয় পার্টির ‘লাঙ্গল’ এবং এনপিপির ‘আম’ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কেউ কেউ দাবি করছেন, কেন্দ্রের পরিস্থিতি দেখে তারা এখন কার্যত বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নূরের চালা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সন্তোষজনক ভোটার উপস্থিতির কথাও জানিয়েছেন ভোটার ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা।
নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরুষ ভোটকেন্দ্রে লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে এসেছিলেন আকাশ নামের এক ব্যক্তি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি জানান, তিনি মূলত ব্যবসায়ী। লাঙ্গলের এজেন্ট হয়ে কেন্দ্রে এলেও এসে শুনেছেন পরিস্থিতি বদলে গেছে। তার দাবি, কেন্দ্রে এসে জানতে পারেন লাঙ্গল এখন ধানের শীষকে সমর্থন করছে। সেই প্রেক্ষাপটে তিনিও নিজেকে ধানের শীষের পক্ষের মানুষ হিসেবে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন।
একই কেন্দ্রের সামনে আম প্রতীকের এজেন্ট রফিকুল ইসলামের সঙ্গেও কথা হয়। তিনিও প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করে বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ ও পরিস্থিতি দেখে তিনিও এখন ধানের শীষের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।
কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার নাহার বেগম বলেন, আগে তিনি ভোট দিতে পারেননি। নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি থেকেই বের হতে পারেননি। তবে এবার পরিবারের সবাই মিলে ভোট দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হবে।
ভোটের হার ও সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে জানা যায়, নূরের চালা এলাকায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ চলছে—নূরের চালা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নূরের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য বাইরে থেকে কোনো ধরনের আপ্যায়ন গ্রহণ না করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
সার্বিকভাবে ঢাকা-১১ আসনের এসব কেন্দ্র ঘুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, সারাদেশে বেলা ২টা পর্যন্ত ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
২৬ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে যারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন তারা প্রত্যেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে বড় কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তেয়ানি মনিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব নুরজাহান বেগম। তবে বুথে ঢুকতেই পোলিং অফিসার তাঁকে বলেন, ‘আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
নড়াইল-২ আসনের লোহাগড়া উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলাকালে ধানের শীষ প্রতীকের এক সমর্থককে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বয়রা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে