leadT1ad

শিশু রামিসা হত্যা

আসামিদের আপিল গ্রহণ, দ্রুত নিষ্পত্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১৪: ১২
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আসামিদের আপিল শুনানি শেষে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। স্ট্রিম ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জেল আপিল গ্রহণ করেন।

গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই আপিল করেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। সেখানে সোহেল দোষ স্বীকার করে উচ্চ আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আর স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করা অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এদিকে, এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে শেষ করে রায় কার্যকর চায় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি শেষে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বলেন, আপিলটি মৃত্যুদণ্ডের রেফারেন্সের সঙ্গেই শুনানি হবে। আদেশটি তারা সেকশনে পাঠিয়ে দেবেন। আমরা প্রত্যাশা করি, সেটি যাওয়ার পরেই মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স শুনানির প্রস্তুতির কাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এর মধ্যে পেপারবুকও তৈরি হয়ে যাবে।

প্রত্যাশিত দুই কার্যদিবসে পেপারবুক তৈরি না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী যে দুই কার্যদিবসের কথা বলা হয়েছিল, সেটি হয়নি। কারণ, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জেল আপিল করতে সাত দিন সময় থাকে। আইনি বাধ্যবাধকতার ওই সময়টুকু তাদের দিতে হবে।

সোহেলের আপিলের গ্রাউন্ড উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘তিনি বলেছেন- আমি আর্থিকভাবে অসচ্ছল। অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতাম। আমি নিয়মিত ইয়াবা বা মাদকাসক্ত ছিলাম। নেশাগ্রস্ত হওয়ার কারণে পরিবারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এই মামলার ভিকটিমের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হয়েছে। আমি ভুল করেছি, আমি ক্ষমা চাই।’

আইনি দিক তুলে ধরে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘যে কারণ তিনি উল্লেখ করেছেন, তার মাধ্যমে প্রকারান্তরে ঘটনা স্বীকার করেছেন। তিনি পারিবারিক অশান্তি ও মাদকাসক্তির মতো কয়েকটি বিষয় বলেছেন। এগুলো আপিল করার ক্ষেত্রে অনেকেই করেন। তবে নিম্ন আদালত যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন কিনা, চূড়ান্ত বিচারে সেটিই বিবেচনা হবে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আইনি সহায়তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনি প্রক্রিয়ায় তার যা যা অধিকার, সবই দেওয়া হবে। আইনের নির্ধারিত সময়সীমা মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এখানে তাড়াহুড়ার কিছু নেই।

Ad 300x250

সম্পর্কিত