স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষে নয়, বরং দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা পালন করবেন - এটাই বিরোধী দলের প্রত্যাশা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. তাহের বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। এবার সরকারি দল ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন এবং ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি সকলের রাষ্ট্রপতি, আশা করি তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বে রূপান্তরিত হবেন।’
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় সংসদ সদস্যদের দলের বাইরে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না। বিরোধী দল ‘জুলাই সনদে’ প্রস্তাব রেখেছিল, অনাস্থা প্রস্তাব ও বাজেট ছাড়া সংসদ সদস্যরা যেন স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারেন। তবে জুলাই সনদ এখনো সংসদে পাস না হওয়ায় এবং সংবিধানে সংশোধনী না আসায় ভিন্নমত পোষণকারী এমপিদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়নি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য বিরোধী জোটের আন্দোলন ও ঘোষিত ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি মাঠে অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরাজয়ের সম্ভাবনা জেনেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাকে সুসংহত করা, বিরোধী জোটের সংসদীয় শক্তি প্রদর্শন এবং এ ধরনের একটি প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
ভোটের পরিসংখ্যান ও উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিরোধী ১১ দলীয় জোটের ৯০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৮৮ জন ভোট দিয়েছেন। জোটের একজন সদস্য বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারেননি এবং অন্য একজনকে শৃঙ্খলাজনিত কারণে দল থেকে বহিষ্কার করায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে জোটের প্রায় সব সদস্যই এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও রাষ্ট্রীয় খরচ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে কমিশন কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে বলে মনে হয় না। এ নির্বাচনে রাষ্ট্রের যে খরচ হয়েছে, তা-ও অত্যন্ত নগণ্য। গণতন্ত্রের চর্চায় এ ধরনের প্রক্রিয়াকে অর্থহীন বা অপ্রয়োজনীয় বলার সুযোগ নেই।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হলে নিরপেক্ষ অভিভাবক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে লক্ষ্যে তিনি যথাযথ ভূমিকা রাখবেন।

বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষে নয়, বরং দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা পালন করবেন - এটাই বিরোধী দলের প্রত্যাশা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. তাহের বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। এবার সরকারি দল ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন এবং ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি সকলের রাষ্ট্রপতি, আশা করি তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বে রূপান্তরিত হবেন।’
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় সংসদ সদস্যদের দলের বাইরে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না। বিরোধী দল ‘জুলাই সনদে’ প্রস্তাব রেখেছিল, অনাস্থা প্রস্তাব ও বাজেট ছাড়া সংসদ সদস্যরা যেন স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারেন। তবে জুলাই সনদ এখনো সংসদে পাস না হওয়ায় এবং সংবিধানে সংশোধনী না আসায় ভিন্নমত পোষণকারী এমপিদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়নি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য বিরোধী জোটের আন্দোলন ও ঘোষিত ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি মাঠে অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরাজয়ের সম্ভাবনা জেনেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাকে সুসংহত করা, বিরোধী জোটের সংসদীয় শক্তি প্রদর্শন এবং এ ধরনের একটি প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
ভোটের পরিসংখ্যান ও উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিরোধী ১১ দলীয় জোটের ৯০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৮৮ জন ভোট দিয়েছেন। জোটের একজন সদস্য বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারেননি এবং অন্য একজনকে শৃঙ্খলাজনিত কারণে দল থেকে বহিষ্কার করায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে জোটের প্রায় সব সদস্যই এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও রাষ্ট্রীয় খরচ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে কমিশন কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে বলে মনে হয় না। এ নির্বাচনে রাষ্ট্রের যে খরচ হয়েছে, তা-ও অত্যন্ত নগণ্য। গণতন্ত্রের চর্চায় এ ধরনের প্রক্রিয়াকে অর্থহীন বা অপ্রয়োজনীয় বলার সুযোগ নেই।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হলে নিরপেক্ষ অভিভাবক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে লক্ষ্যে তিনি যথাযথ ভূমিকা রাখবেন।
.png)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারী হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।
৫ মিনিট আগে
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
৭ মিনিট আগে
সংক্রমণ ছড়ানোর নিশ্চিত ঝুঁকি সত্ত্বেও রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে মশারি ছাড়াই চলছে চিকিৎসা। সরেজমিনে হাসপাতালটির নারী-পুরুষ উভয় ওয়ার্ডে একজন ডেঙ্গু রোগীর শয্যায়ও মশারি টানাতে দেখা যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও ছিল না কোনো উচ্চবাচ্য।