ড. বিভূতি ভূষণ মিত্র
-d7c325-720x405.webp)
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস ‘পল্লীসমাজ’। এই উপন্যাসের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে ম্যালেরিয়া রোগের কথা। সে যুগে ঘরে ঘরে ম্যালেরিয়া জ্বর হতো। এই ব্যাধিটি তখন অসংখ্য মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছিল। উনিশ শতকে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কতটা ভয়াবহ ছিল, তা আরও বেশ কিছু উপন্যাসেও দেখা যায়। যেমন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’।
এই উপন্যাসে অপুর আদরের দিদি দুর্গাও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অকালে মারা যায়। দুর্গার সেই মর্মান্তিক মৃত্যু আজও আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তোলে। অনেকেই এই উপন্যাস পড়ে চোখের জল ফেলেছেন।
ম্যালেরিয়া জ্বরের মূল বাহক হলো মশা। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়েই যে এই জ্বর হয়, তা ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রস আবিষ্কার করেছিলেন। ১৮৯৭ সালের ২০ আগস্ট তিনি এই যুগান্তকারী আবিষ্কার করেন। এই দিনটিকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ২০ আগস্ট বিশ্বব্যাপী 'বিশ্ব মশা দিবস' পালন করা হয়। স্যার রোনাল্ড রসের এই আবিষ্কার নিয়ে বিখ্যাত লেখক অমিতাভ ঘোষ একটি উপন্যাস লিখেছেন। নাম ‘ দ্য ক্যালকাটা ক্রোমোজোম’। এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের থ্রিলার উপন্যাস হিসেবে বেশ পরিচিত।
উনিশ শতকে মশার কারণে ম্যালেরিয়ার মহামারি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই মশা থেকে আজও আমরা পুরোপুরি রক্ষা পাইনি। এখন আমরা ম্যালেরিয়ার মতোই ডেঙ্গু জ্বরের কবলে পড়েছি। ম্যালেরিয়া ছড়াতো অ্যানোফিলিস মশা, আর ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে এডিস মশা। ডেঙ্গু নিয়ে বাংলা ভাষায় কোনো উপন্যাস আছে কি না, তা আমার জানা নেই। তবে আর্জেন্টিনার একজন লেখক ডেঙ্গু নিয়ে একটি সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছেন। মিচেল নিয়েভার লেখা এই উপন্যাসের নাম ‘ডেঙ্গু বয়’। পরিবেশ দূষণ ও ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে লেখা এই বইতে দেখানো হয়েছে, ভবিষ্যতে লাতিন আমেরিকায় এই ভাইরাসের প্রভাব কেমন হতে পারে।
আমাদের দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব চলছে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। ২০০০ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন, তখন মারা যান ৯৩ জন। এরপর ২০০১ সালে ২ হাজার ৪৩০ জন আক্রান্ত হন এবং ৪৪ জন মারা যান। ২০০২ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ২৩২ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৫৮ জন। তবে ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কোনো প্রাণহানি হয়নি। এরপর ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নেয়। ওই বছর এক লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, তখন মারা যান ১৭৯ জন।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকে সাধারণত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষার সময় ডেঙ্গুর মারাত্মক বিস্তার ঘটে। এ সময় জমে থাকা স্থির পানি এডিস মশার প্রজনন বাড়িয়ে দেয়। এডিস মশা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সর্বনিম্ন ৭ থেকে ১০ দিনে জীবন চক্র সম্পন্ন করে। এডিস মশার ডিম শুকনা অবস্থায় ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।
এপ্রিল-মে মাসে বৃষ্টি শুরু হলে এডিস মশা বাড়তে থাকে। ফলে জুন-জুলাই মাসে ডেঙ্গু ছড়াতে থাকে। মূলত বৃষ্টির পরপরই এডিসের উপদ্রব বাড়ে। বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় পড়ে থাকা অব্যবহৃত জিনিসপত্রে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এর মধ্যে প্লাস্টিকের পাত্র, বালতি, ড্রাম, খোলা টিন, কৌটা বা পাইপ উল্লেখযোগ্য। এসব জমে থাকা পানিতেই এডিস মশার বংশবৃদ্ধি হয়।
ঢাকায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এর আগে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমন: কীটতত্ত্ববিদদের সাহায্যে এডিসের প্রজননস্থল খুঁজে বের করতে জরিপ চালানো, মশা নিয়ন্ত্রণে আলাদা পর্ষদ এবং মশক নিধন সেল গঠন করা ইত্যাদি। কিন্তু এসব পদক্ষেপে তেমন কোনো কাজ হচ্ছে না। বরং ডেঙ্গু এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা এবং মফস্বল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালে রোগী ভর্তির হারও অনেক বেশি। ফলে মশা নিয়ন্ত্রণ এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার দায় শুধু সিটি করপোরেশনের একার নয়। এর দায় আমাদের সবার। সাধারণ নাগরিক, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রাজউক, পরিবেশ অধিদপ্তর, এনজিও এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়—সবাইকে এই দায় নিতে হবে। কারণ, একা কোনো সংস্থার পক্ষে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর জন্য সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সিটি করপোরেশনের পক্ষে সবার ঘরে ঘরে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই নিজেদের ঘরবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরই নিতে হবে।
অন্যদিকে, নাগরিকদের পক্ষে বড় বড় নালা, নর্দমা বা আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এই দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও স্থানীয় সরকার—সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। যেহেতু এটি সবার সমস্যা, তাই সারা বছর ধরেই মশা মারার কাজ চালিয়ে যেতে হবে। যেসব জায়গায় মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে, সেখানে পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ছিটাতে হবে। ফগিং বা অ্যারোসল ব্যবহার করে মশা মারতে হবে। মফস্বল এলাকায় বাড়ির আশেপাশে বা উঠানে কোনোভাবেই পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এর পাশাপাশি, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত কিট রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত কাজের কোনো বিকল্প নেই। তা না হলে এক সময়ের ম্যালেরিয়ার মতোই ডেঙ্গুও সারা দেশে ভয়াবহ মহামারি রূপ নিতে পারে।
-d7c325-480x270.webp)
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস ‘পল্লীসমাজ’। এই উপন্যাসের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে ম্যালেরিয়া রোগের কথা। সে যুগে ঘরে ঘরে ম্যালেরিয়া জ্বর হতো। এই ব্যাধিটি তখন অসংখ্য মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছিল। উনিশ শতকে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কতটা ভয়াবহ ছিল, তা আরও বেশ কিছু উপন্যাসেও দেখা যায়। যেমন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’।
এই উপন্যাসে অপুর আদরের দিদি দুর্গাও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অকালে মারা যায়। দুর্গার সেই মর্মান্তিক মৃত্যু আজও আমাদের মনকে কাঁদিয়ে তোলে। অনেকেই এই উপন্যাস পড়ে চোখের জল ফেলেছেন।
ম্যালেরিয়া জ্বরের মূল বাহক হলো মশা। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়েই যে এই জ্বর হয়, তা ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রস আবিষ্কার করেছিলেন। ১৮৯৭ সালের ২০ আগস্ট তিনি এই যুগান্তকারী আবিষ্কার করেন। এই দিনটিকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ২০ আগস্ট বিশ্বব্যাপী 'বিশ্ব মশা দিবস' পালন করা হয়। স্যার রোনাল্ড রসের এই আবিষ্কার নিয়ে বিখ্যাত লেখক অমিতাভ ঘোষ একটি উপন্যাস লিখেছেন। নাম ‘ দ্য ক্যালকাটা ক্রোমোজোম’। এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের থ্রিলার উপন্যাস হিসেবে বেশ পরিচিত।
উনিশ শতকে মশার কারণে ম্যালেরিয়ার মহামারি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই মশা থেকে আজও আমরা পুরোপুরি রক্ষা পাইনি। এখন আমরা ম্যালেরিয়ার মতোই ডেঙ্গু জ্বরের কবলে পড়েছি। ম্যালেরিয়া ছড়াতো অ্যানোফিলিস মশা, আর ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে এডিস মশা। ডেঙ্গু নিয়ে বাংলা ভাষায় কোনো উপন্যাস আছে কি না, তা আমার জানা নেই। তবে আর্জেন্টিনার একজন লেখক ডেঙ্গু নিয়ে একটি সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছেন। মিচেল নিয়েভার লেখা এই উপন্যাসের নাম ‘ডেঙ্গু বয়’। পরিবেশ দূষণ ও ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে লেখা এই বইতে দেখানো হয়েছে, ভবিষ্যতে লাতিন আমেরিকায় এই ভাইরাসের প্রভাব কেমন হতে পারে।
আমাদের দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব চলছে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। ২০০০ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন, তখন মারা যান ৯৩ জন। এরপর ২০০১ সালে ২ হাজার ৪৩০ জন আক্রান্ত হন এবং ৪৪ জন মারা যান। ২০০২ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ২৩২ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৫৮ জন। তবে ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কোনো প্রাণহানি হয়নি। এরপর ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নেয়। ওই বছর এক লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, তখন মারা যান ১৭৯ জন।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকে সাধারণত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষার সময় ডেঙ্গুর মারাত্মক বিস্তার ঘটে। এ সময় জমে থাকা স্থির পানি এডিস মশার প্রজনন বাড়িয়ে দেয়। এডিস মশা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সর্বনিম্ন ৭ থেকে ১০ দিনে জীবন চক্র সম্পন্ন করে। এডিস মশার ডিম শুকনা অবস্থায় ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।
এপ্রিল-মে মাসে বৃষ্টি শুরু হলে এডিস মশা বাড়তে থাকে। ফলে জুন-জুলাই মাসে ডেঙ্গু ছড়াতে থাকে। মূলত বৃষ্টির পরপরই এডিসের উপদ্রব বাড়ে। বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় পড়ে থাকা অব্যবহৃত জিনিসপত্রে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এর মধ্যে প্লাস্টিকের পাত্র, বালতি, ড্রাম, খোলা টিন, কৌটা বা পাইপ উল্লেখযোগ্য। এসব জমে থাকা পানিতেই এডিস মশার বংশবৃদ্ধি হয়।
ঢাকায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এর আগে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমন: কীটতত্ত্ববিদদের সাহায্যে এডিসের প্রজননস্থল খুঁজে বের করতে জরিপ চালানো, মশা নিয়ন্ত্রণে আলাদা পর্ষদ এবং মশক নিধন সেল গঠন করা ইত্যাদি। কিন্তু এসব পদক্ষেপে তেমন কোনো কাজ হচ্ছে না। বরং ডেঙ্গু এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা এবং মফস্বল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালে রোগী ভর্তির হারও অনেক বেশি। ফলে মশা নিয়ন্ত্রণ এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার দায় শুধু সিটি করপোরেশনের একার নয়। এর দায় আমাদের সবার। সাধারণ নাগরিক, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রাজউক, পরিবেশ অধিদপ্তর, এনজিও এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়—সবাইকে এই দায় নিতে হবে। কারণ, একা কোনো সংস্থার পক্ষে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর জন্য সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সিটি করপোরেশনের পক্ষে সবার ঘরে ঘরে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই নিজেদের ঘরবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরই নিতে হবে।
অন্যদিকে, নাগরিকদের পক্ষে বড় বড় নালা, নর্দমা বা আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এই দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও স্থানীয় সরকার—সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। যেহেতু এটি সবার সমস্যা, তাই সারা বছর ধরেই মশা মারার কাজ চালিয়ে যেতে হবে। যেসব জায়গায় মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে, সেখানে পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ছিটাতে হবে। ফগিং বা অ্যারোসল ব্যবহার করে মশা মারতে হবে। মফস্বল এলাকায় বাড়ির আশেপাশে বা উঠানে কোনোভাবেই পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এর পাশাপাশি, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত কিট রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত কাজের কোনো বিকল্প নেই। তা না হলে এক সময়ের ম্যালেরিয়ার মতোই ডেঙ্গুও সারা দেশে ভয়াবহ মহামারি রূপ নিতে পারে।
.png)

মাত্র ছয় মাসের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনো সরকারকে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তবে এই সময়ের অগ্রাধিকার, মানসিকতা ও কাজের ধরন থেকে ভবিষ্যৎ পথচলা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিশেষ করে দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসন, এরপর দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বিএনপির ক্ষ
৪ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের একটি খবর পড়ে আমি কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলাম। একটি কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, গান-বাজনা ইসলামী শরিয়াহবিরোধী। পরে প্রশাসনিক অনুমতি বা লাইসেন্স না থাকার কথাও বলা হয়েছে।