স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী চলমান বিশেষ অভিযানে গত ৪০ দিনে ১৮ হাজার ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ১ মে থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে জড়িত ব্যক্তি, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুরো মে মাস এবং জুনের ৯ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪০ দিনের অভিযানের এই সমন্বিত হিসাব দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশটি চোরাকারবারী ও মাদক ব্যবসায়ী। এই অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ হাজার ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও তাদের সহযোগী হিসেবে ১ হাজার ৯৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ ধরা পড়েছে ৩৩১ জন।
পুলিশ জানিয়েছে, চলমান এই বিশেষ তৎপরতায় ছিনতাইকারী, দস্যু ও ডাকাত দলের ২ হাজার ২১১ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আরও ৮০৮ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই কঠোর অবস্থান ও চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী চলমান বিশেষ অভিযানে গত ৪০ দিনে ১৮ হাজার ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ১ মে থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে জড়িত ব্যক্তি, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুরো মে মাস এবং জুনের ৯ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪০ দিনের অভিযানের এই সমন্বিত হিসাব দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশটি চোরাকারবারী ও মাদক ব্যবসায়ী। এই অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ হাজার ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও তাদের সহযোগী হিসেবে ১ হাজার ৯৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ ধরা পড়েছে ৩৩১ জন।
পুলিশ জানিয়েছে, চলমান এই বিশেষ তৎপরতায় ছিনতাইকারী, দস্যু ও ডাকাত দলের ২ হাজার ২১১ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আরও ৮০৮ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই কঠোর অবস্থান ও চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

বৃক্ষরোপণকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের ‘সবুজ বিপ্লবে’ রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান।
৬ মিনিট আগে
আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সব কন্টেইনার টার্মিনাল চালু করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, সেতু ও নৌ পরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে দ্বিতীয় অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
১৭ মিনিট আগে
২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তের স্বার্থে বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তর টিভির সম্প্রচার লাইসেন্সসহ আনুষঙ্গিক নথিপত্র তলব করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
৪০ মিনিট আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমজাদের মোড় এলাকার আয়েশা টাওয়ারের একটি কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে