জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

যুদ্ধে নিহত প্রবাসীর বিএমইটি থাকলে পরিবার পাবে অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬, ২০: ২০
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী । সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিহত প্রবাসীর বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কার্ড থাকলে তাঁর পরিবার অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা করে পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

শুক্রবার হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মোশারফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণ শেষে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে যারা মারা গেছেন, তাদের বাড়িতে মরদেহ নেওয়ার খরচ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নিহতের পরিবারকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব প্রবাসীর বিএমইটির কার্ড রয়েছে তাঁদের পরিবার আরো ১০ লাখ টাকা পাবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখানে এসেছি। আমরা যুদ্ধকালীন সময়ে প্রবাসীদের পাশে ছিলাম। আমরা প্রবাসীদের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। আমাদের যে ভাই লাশ হয়ে ফিরে এলেন তার পরিবাবের জন্য আমরা আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করে দেব। তার দুই বাচ্চাদের পড়ালেখার দায়িত্ব প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় নেবে।’

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে চাকরি ছেড়ে দেশে আসা প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সরকার করবে কিনা জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আসার পর আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। অনেক সময় তারা ফিরে যেতে চাইবে। তারা ফিরতে চাইলে আমাদের যা যা করার, করব। যেভাবে আমরা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করেছি সেভাবে তারা যদি কর্মসংস্থানে ফিরে যেতে চায় আমরা সহযোগিতা করব।’

মরদেহ গ্রহণ শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এ পর্যন্ত আমরা ৫ বাংলাদেশি ভাইকে হারিয়েছি। আমরা সকলের পাশে আছি। বর্তমানে যুদ্ধাবস্থায় দেশগুলোতে বাংলাদেশি ভাই-বোনরা আছেন তাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যুদ্ধাবস্থায় বাংলাদেশি নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। তাদের সুরক্ষা করার জন্য আমরা যা যা করার করব।’

তিনি আরও বলেন, 'আমাদের মিশনগুলো বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা যেন ভালোভাবে থাকতে পারে সেটা দেখার চেষ্টা করছে। আমরা আশা করব, এই যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটবে। বাংলাদেশ চায়, এই যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটুক। বাংলাদেশ চায় কূটনীতি এবং আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হোক।’

ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশি নাগরিককে আজারবাইজান হয়ে দেশে ফেরানো হচ্ছে। দেশটি এবং মধ্যপ্রচ্যের অন্য দেশগুলো থেকে বাংলাদেশিদের ফেরোনা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আনা হবে। আমাদের প্রস্তুতি আছে। যাদের ফেরত আসতে চায় আমরা তাদের ফেরত নিয়ে আসব, আর এটা পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা করব। আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো প্রস্তুত আছে।’

সম্পর্কিত