স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুকপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় পুলিশের অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রত্যাখ্যান করেছে সংগঠনটি। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশে এ ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, ‘চার্জশিটে ওসমান হাদি হত্যাকে একটা সাধারণ ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আমরা আদালতে বলেছি– এই চার্জশিট মানি না। আমরা এই চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করলাম।’
গত ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তারা। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চার্জশিটের ১৭ আসামির মধ্যে এখন ১২ জন কারাগারে। বাকিরা পলাতক।’
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল। পরে তিনি বলেন, ‘চার্জশিটের মাধ্যমে হাদি হত্যার মূল রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি। তাড়াহুড়ো করে একটা চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এতে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দেখানো হয়েছে। এত বড় পরিকল্পনা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।’
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আদালতে দাঁড়িয়ে আমরা বলে এসেছি– পূর্ণ তদন্ত সাপেক্ষে এই খুনের পেছনে কারা রয়েছে, পরিকল্পনা কারা করেছে, খুনে কারা সহায়তা করেছে– এমন প্রত্যেককে অন্তর্ভুক্ত না করা পর্যন্ত আমরা এই চার্জশিট মানি না।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিল করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী। মিছিলটি টিএসসি ঘুরে শাহবাগ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ করে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আমার হত্যার বিচার চাই, বইলা গেছে হাদি ভাই’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘আমরা সবাই হাদি হব, যুগে যুগে লড়ে যাব’ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘সরকার তরুণ প্রজন্মকে অবহেলা করে কখনোই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে পারবে না। তরুণদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে এবং আমরা ঘরে ফিরে যাব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ মনে করেছিল শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যা করে স্বাধীনতার প্রশ্ন, সীমান্ত সুরক্ষা কিংবা আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তরুণ প্রজন্ম এখন আগের চেয়েও বেশি ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন। ঘাতকদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ইনকিলাব মঞ্চের লড়াই চলবে।’
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের মুকপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় পুলিশের অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রত্যাখ্যান করেছে সংগঠনটি। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশে এ ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, ‘চার্জশিটে ওসমান হাদি হত্যাকে একটা সাধারণ ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আমরা আদালতে বলেছি– এই চার্জশিট মানি না। আমরা এই চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করলাম।’
গত ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তারা। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চার্জশিটের ১৭ আসামির মধ্যে এখন ১২ জন কারাগারে। বাকিরা পলাতক।’
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল। পরে তিনি বলেন, ‘চার্জশিটের মাধ্যমে হাদি হত্যার মূল রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি। তাড়াহুড়ো করে একটা চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এতে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দেখানো হয়েছে। এত বড় পরিকল্পনা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।’
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘আদালতে দাঁড়িয়ে আমরা বলে এসেছি– পূর্ণ তদন্ত সাপেক্ষে এই খুনের পেছনে কারা রয়েছে, পরিকল্পনা কারা করেছে, খুনে কারা সহায়তা করেছে– এমন প্রত্যেককে অন্তর্ভুক্ত না করা পর্যন্ত আমরা এই চার্জশিট মানি না।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিল করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী। মিছিলটি টিএসসি ঘুরে শাহবাগ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশ করে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আমার হত্যার বিচার চাই, বইলা গেছে হাদি ভাই’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘আমরা সবাই হাদি হব, যুগে যুগে লড়ে যাব’ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘সরকার তরুণ প্রজন্মকে অবহেলা করে কখনোই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে পারবে না। তরুণদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে এবং আমরা ঘরে ফিরে যাব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ মনে করেছিল শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যা করে স্বাধীনতার প্রশ্ন, সীমান্ত সুরক্ষা কিংবা আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তরুণ প্রজন্ম এখন আগের চেয়েও বেশি ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন। ঘাতকদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ইনকিলাব মঞ্চের লড়াই চলবে।’
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১৯ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
১ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে