স্ট্রিম প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের পথে ঘরমুখো মানুষ। গত কয়েক দিনের তুলনায় মঙ্গলবার নৌপথে যাত্রীর ভিড় প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি চাপ থাকলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। গুনতে হচ্ছে না বাড়তি ভাড়াও।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,নৌপথে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগও নেই।
পটুয়াখালীগামী এ. আর. খান লঞ্চে যাত্রীরা নির্ধারিত সময়েই উঠছেন এবং তেমন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রা করছেন। বরিশালগামী এ্যাডভেঞ্জার-৯ লঞ্চও যথাসময়েই সদরঘাট ছেড়েছে।
পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপনের আনন্দে অনেকের মুখেই ছিল স্বস্তির হাসি। এ ছাড়াও বিভিন্ন রুটের লঞ্চগুলো যথাসময়েই সদরঘাট ত্যাগ করছে বলে জানা যায়।
গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম। এসেছেন মালিবাগ থেকে। তিনি বলেন, এবার যাত্রা অনেকটা ভালো হচ্ছে। আগে লঞ্চ কম থাকায় যাত্রাপথে অনেক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতো। কিন্তু এখন লঞ্চের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভিড় থাকলেও স্বস্তিতে এবং নিরাপদে বাড়ি যেতে পারছি।
আরেক লঞ্চযাত্রী শাহজাহান আলী বলেন, লঞ্চে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। লঞ্চ আগের তুলনায় সময়মতো ছাড়ছে। সড়ক পথের মতো অতিরিক্ত ভাড়াও এখানে গুনতে হচ্ছে না।
তবে লঞ্চ নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় যানজট এবং বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, সদরঘাট থেকে এক কিলোমিটারের ও বেশি দূর থেকে সিটি বাসগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রিকশাও সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীর ভিড়ের তুলনায় এখানে রিকশা খুবই স্বল্প এবং ভাড়া চাচ্ছে অনেক বেশি। এরপরেও রাস্তায় অনেক বেশি ভিড় থাকায় রিকশা এগোতে পারছে না৷
বিআইডব্লিউটিএ অভিযোগ কেন্দ্রের আল মামুন বলেন, 'এবার যাত্রীদের থেকে তেমন কোনো অভিযোগ পাচ্ছি না৷ গত দু-তিন দিন স্বল্প কিছু অভিযোগ আসলেও আজ বড় কোনো অভিযোগ আসেনি। একজন যাত্রী শুধু জানিয়েছেন একটি লঞ্চে ডেকে তোষক বিছিয়েছে কারা। সেখানে বসতে গেলে ভাড়া দাবি করছে। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা লঞ্চ ম্যানেজারকে জানিয়েছি এবং সেটা সমাধান করা হয়েছে।'
পন্টুন লস্কর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এবার যাত্রীরা অনেকটা স্বস্তিতে বাড়ি যেতে পারছেন। গত বছর নৌকায় করে লঞ্চে উঠতে গিয়ে মর্মান্তিক একটি দূর্ঘটনা ঘটেছিল। এবছর নৌকায় করে লঞ্চে যাত্রী ওঠানো সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। নৌপুলিশ, র্যাব, থানা-পুলিশসহ বিভিন্ন ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগও তেমন আসছে না।
এ দিকে গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাতে সদরঘাট টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, ''এখন পর্যন্ত আমরা যতটুকু দেখেছি, আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম সেভাবেই ঈদ যাত্রা শুরু হয়েছে। ভালোভাবেই আমরা আমাদের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করতে পারছি। আশা করি বাকি সময়টাও সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সাধারণ মানুষকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারব।'

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের পথে ঘরমুখো মানুষ। গত কয়েক দিনের তুলনায় মঙ্গলবার নৌপথে যাত্রীর ভিড় প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি চাপ থাকলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। গুনতে হচ্ছে না বাড়তি ভাড়াও।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,নৌপথে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগও নেই।
পটুয়াখালীগামী এ. আর. খান লঞ্চে যাত্রীরা নির্ধারিত সময়েই উঠছেন এবং তেমন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রা করছেন। বরিশালগামী এ্যাডভেঞ্জার-৯ লঞ্চও যথাসময়েই সদরঘাট ছেড়েছে।
পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপনের আনন্দে অনেকের মুখেই ছিল স্বস্তির হাসি। এ ছাড়াও বিভিন্ন রুটের লঞ্চগুলো যথাসময়েই সদরঘাট ত্যাগ করছে বলে জানা যায়।
গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম। এসেছেন মালিবাগ থেকে। তিনি বলেন, এবার যাত্রা অনেকটা ভালো হচ্ছে। আগে লঞ্চ কম থাকায় যাত্রাপথে অনেক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতো। কিন্তু এখন লঞ্চের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভিড় থাকলেও স্বস্তিতে এবং নিরাপদে বাড়ি যেতে পারছি।
আরেক লঞ্চযাত্রী শাহজাহান আলী বলেন, লঞ্চে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। লঞ্চ আগের তুলনায় সময়মতো ছাড়ছে। সড়ক পথের মতো অতিরিক্ত ভাড়াও এখানে গুনতে হচ্ছে না।
তবে লঞ্চ নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় যানজট এবং বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, সদরঘাট থেকে এক কিলোমিটারের ও বেশি দূর থেকে সিটি বাসগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রিকশাও সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীর ভিড়ের তুলনায় এখানে রিকশা খুবই স্বল্প এবং ভাড়া চাচ্ছে অনেক বেশি। এরপরেও রাস্তায় অনেক বেশি ভিড় থাকায় রিকশা এগোতে পারছে না৷
বিআইডব্লিউটিএ অভিযোগ কেন্দ্রের আল মামুন বলেন, 'এবার যাত্রীদের থেকে তেমন কোনো অভিযোগ পাচ্ছি না৷ গত দু-তিন দিন স্বল্প কিছু অভিযোগ আসলেও আজ বড় কোনো অভিযোগ আসেনি। একজন যাত্রী শুধু জানিয়েছেন একটি লঞ্চে ডেকে তোষক বিছিয়েছে কারা। সেখানে বসতে গেলে ভাড়া দাবি করছে। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা লঞ্চ ম্যানেজারকে জানিয়েছি এবং সেটা সমাধান করা হয়েছে।'
পন্টুন লস্কর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এবার যাত্রীরা অনেকটা স্বস্তিতে বাড়ি যেতে পারছেন। গত বছর নৌকায় করে লঞ্চে উঠতে গিয়ে মর্মান্তিক একটি দূর্ঘটনা ঘটেছিল। এবছর নৌকায় করে লঞ্চে যাত্রী ওঠানো সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। নৌপুলিশ, র্যাব, থানা-পুলিশসহ বিভিন্ন ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগও তেমন আসছে না।
এ দিকে গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাতে সদরঘাট টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, ''এখন পর্যন্ত আমরা যতটুকু দেখেছি, আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম সেভাবেই ঈদ যাত্রা শুরু হয়েছে। ভালোভাবেই আমরা আমাদের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করতে পারছি। আশা করি বাকি সময়টাও সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সাধারণ মানুষকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারব।'
.png)
-712a95-256x144.webp)
পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার জবাবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরি বলেছেন, কাজ করলেও সমালোচনা থাকবে, না করলেও সমালোচনা থাকবে। তবে সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে পাহাড়ের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া হবে।
১৪ মিনিট আগে
রানা প্লাজা নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর)। তবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত রায় না দিয়ে মামলাটি পুনরায় যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর যুক্তিতর্কের দিন ধার্য করা হয়েছে। দুদকের আইনজীবী ইস্তিয়াক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, মামলার কিছ
১৫ মিনিট আগে-5f2ad8-256x144.webp)
প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা শেষে সাড়ে ৪ মাস পর নিজ দেশে ফিরছে আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদীর মরদেহ। তার ভাই ইমাল মোহাম্মদীর কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করেছে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ পৌর কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারত হস্তক্ষেপ করবে না। এ দেশের মানুষ যেটা ভালো মনে করবে, সেটাই হবে। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল ক্ষমতায়। দেশের অবস্থা তারাই ভালো বুঝবে। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ কথা বলেছেন।
৩৭ মিনিট আগে-5f2ad8-256x144.webp)