স্ট্রিম প্রতিবেদক

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, ‘আমরা মানুষকে সুবিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে চাই, একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।‘
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে এমন কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি মনে করি, আজ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন এ দেশের মানুষের মনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করেছি; এই প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রত্যেকেরই সংকল্প হওয়া উচিত, সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা, যা বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেও কখনো বাস্তবে পায়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই পূরণের দিকেই এগিয়ে যাব। ইতোমধ্যেই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার মানও বেড়েছে। আমি মনে করি, আমরা যে যার অবস্থান থেকে আছি, সেখান থেকেই আমাদের দায়িত্ব পালন করে জনগণের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই-যারা বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন, আপনারা আপনাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।’
স্বাধীনতার ৫৬তম বছরে এসে জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে—এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব রাজনৈতিক বিষয়। আমি বাংলাদেশের একজন পেশাজীবী হিসেবে কোনো রাজনৈতিক মন্তব্য করতে চাই না। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলকেই প্রশ্ন করা হলে তারা যথাযথ উত্তর দিতে পারবে।’
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, বিগত সময়ে যে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। সেই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পেছনে আমাদের আইন ও বিচার অঙ্গনের কোনো ভূমিকা ছিল না—এমনটি বলারও সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, সেখানে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দায়মুক্ত বলা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি-বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে-সেখানে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকারের সূচনা হয়েছে। জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের প্রতি দেশের মানুষ আস্থা রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এই আস্থাকে আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অতীতে রাজনীতি বা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের যে ব্যর্থতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠে আমাদের সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে চাই।’
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা-একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সত্যিকারের স্বাধীন বাংলাদেশ। আর সেই স্বাধীনতার পরিধির বাইরে আইন-আদালত থাকতে পারে না। তাই মানুষের প্রত্যাশা হলো—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে, সুশাসন থাকবে এবং মানুষ সুবিচার পাবে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, ‘আমরা মানুষকে সুবিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে চাই, একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।‘
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে এমন কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি মনে করি, আজ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশের যে স্বপ্ন এ দেশের মানুষের মনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করেছি; এই প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রত্যেকেরই সংকল্প হওয়া উচিত, সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা, যা বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেও কখনো বাস্তবে পায়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই পূরণের দিকেই এগিয়ে যাব। ইতোমধ্যেই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার মানও বেড়েছে। আমি মনে করি, আমরা যে যার অবস্থান থেকে আছি, সেখান থেকেই আমাদের দায়িত্ব পালন করে জনগণের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই-যারা বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন, আপনারা আপনাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।’
স্বাধীনতার ৫৬তম বছরে এসে জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে—এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব রাজনৈতিক বিষয়। আমি বাংলাদেশের একজন পেশাজীবী হিসেবে কোনো রাজনৈতিক মন্তব্য করতে চাই না। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলকেই প্রশ্ন করা হলে তারা যথাযথ উত্তর দিতে পারবে।’
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, বিগত সময়ে যে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আমরা অস্বীকার করতে পারি না। সেই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পেছনে আমাদের আইন ও বিচার অঙ্গনের কোনো ভূমিকা ছিল না—এমনটি বলারও সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, সেখানে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দায়মুক্ত বলা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি-বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে-সেখানে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকারের সূচনা হয়েছে। জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের প্রতি দেশের মানুষ আস্থা রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এই আস্থাকে আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অতীতে রাজনীতি বা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের যে ব্যর্থতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠে আমাদের সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে চাই।’
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা-একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সত্যিকারের স্বাধীন বাংলাদেশ। আর সেই স্বাধীনতার পরিধির বাইরে আইন-আদালত থাকতে পারে না। তাই মানুষের প্রত্যাশা হলো—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে, সুশাসন থাকবে এবং মানুষ সুবিচার পাবে।’
.png)

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং জানিয়েছেন, তাঁর দেশে সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি বজায় রেখেছে সুপ্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ নীতি।
১২ মিনিট আগে
কূটনীতি ও প্রতিরক্ষার বিষয়ে ‘টু প্লাস টু’ সংলাপের প্রক্রিয়া যাচাই করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন। একই সঙ্গে বিনিময়, সফর এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ।
১ ঘণ্টা আগে
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের।
১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কারও হাম শনাক্ত হয়নি। এ নিয়ে হাম ও এই রোগের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৭০২।
২ ঘণ্টা আগে