লেখা:

ফুটবল বিশ্বকাপের আর বাকি ৩১ দিন। যে উৎসবের জন্য মুখিয়ে থাকে বিশ্বের সমস্ত ফুটবল অন্তঃপ্রাণ মানুষ। যারা বছরে একবারও ফুটবলের নাম নেন না, তারাও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রিয় দলের সমর্থনে গলা ফাটান, রাত জাগেন।
প্রিয় দলের জয়ে আনন্দিত, পছন্দের ফুটবলার বা দেশের পরাজয়ে ব্যথিত হন। বিশ্বকাপ ফুটবলের মূল পর্বের ধারেকাছে না গিয়েও এতটা আবেগী, উচ্ছ্বসিত ফুটবল ভক্ত, পৃথিবীর অন্য কোথাও তেমন একটা দেখা যায় না। যতটা দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায়।
চার বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকাপ আসলে, উত্তেজনার পারদ এখানে এতই উঁচু হয় যে, একই পরিবারের সদস্যরা পর্যন্ত দুই দলে ভাগ হয়ে যান। সমর্থিত দলের পতাকা ও রঙে রঙিন হয়ে যাবার গল্প তো আরও আগে থেকেই। এর মাঝে কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের পরিচিতও ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। সুদূর ল্যাটিন আমেরিকার দেশ বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ানদের কাছেও ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ নামের একটি ছোট দেশের ফুটবল উন্মাদনার গল্প। যদিও বাংলাদেশের নিজেদের ফুটবল ঐতিহ্য বলা যায় হাতির পায়ের নিচের পরা পিঁপড়ের মতো। কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উত্তেজনার ঘাটতি নেই মোটেও।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার নিয়ে জটিলতা না থাকলেও সংকটে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত এবং চীনে। শনিবার (৯ মে) পর্যন্ত বিক্রি হয়নি এই তিন দেশের বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব। ফলে ভারত, বাংলাদেশ, চীন মিলে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ বিশ্বকাপের সম্প্রচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায়।
আড়ালের ঘটনা
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি পৃথক দেশ– যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায়। আয়োজক দেশের ব্যাপ্তি বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যাও। অন্যান্য বছর যেখানে ৩২টি দল বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে আসত, এবার সেখানে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি। একইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে বেড়েছে প্রাইজমানির পরিমাণও। ফিফা বলেছে, এবারের বিশ্বকাপ অন্যান্য বারের তুলনায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ। অন্তত যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাওয়া ভক্তদের কথা বিবেচনা করলে তো অবশ্যই।
যুক্তরাষ্ট্রে এবার কাতার বিশ্বকাপ তুলনায় প্রতিটি ম্যাচ টিকিটের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। যেমন, কাতার বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ মূল্যমানের টিকিটের দাম ছিল ১ হাজার ৬০০ ডলার, কিন্তু এবারে নিউ জার্সিতে হতে যাওয়া ফাইনালের টিকিটের দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ডলার। মানে ছয় থেকে সাতগুণ বেড়েছে টিকিটের দাম। আর এত ব্যয়বহুল বিশ্বকাপের মূল রোজগারের লক্ষ্যও ওই টিভি সম্প্রচার। ফলে ফিফার নির্ধারিত সম্প্রচার ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা স্প্রিংবক বাংলাদেশের টিভি স্বত্বের জন্য যে পরিমাণ অর্থ দাবি করেছে, তা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫০ কোটি টাকার বেশি। ভ্যাট ট্যাক্স মিলে যা ২০০ কোটির ঘরে পৌঁছবে।
১০ মের মধ্যে এর অর্ধেক এবং ১০ জুনের মধ্যে বাকি অর্ধেক অর্থ পরিশোধ করতে হবে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানকে। এই প্যাকেজের আওতায় উদ্বোধনী, সমাপনী অনুষ্ঠানসহ মোট ১০৪টি ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার ও হাইলাইটস দেখানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ অর্থের কত শতাংশ বিজ্ঞাপন খাত থেকে তুলে আনা সম্ভব, সে নিয়ে আশঙ্কা রয়েই যায়। তার ওপর রয়েছে সম্প্রচারের সময় নিয়ে জটিলতা। উত্তর আমেরিকার দেশে হওয়া বিশ্বকাপ, বেশিরভাগ সময়ই বাংলাদেশের সময় ভোর রাত বা তারও পরে অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ে বিজ্ঞাপনদাতারা আগ্রহই দেখাচ্ছে না ততটা।
একই রকম সংকটে চীন ও ভারতের সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানও। ফিফা জানিয়েছে, সম্প্রচার প্রসঙ্গে চীন ও ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে সেই আলোচনার অগ্রগতি কতটুকু বা কী পরিমাণ অর্থ আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে, এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি। ফিফা বলেছে, মোট ১৮০টি অঞ্চলে এরই মধ্যে চুক্তি হয়েছে। তবে এখনও কয়েকটি দেশ ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্প্রচারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি, যার মধ্যে ভারত ও চীন রয়েছে— যা একত্রে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনের কাছে ফিফার প্রাথমিক প্রস্তাব ছিল প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফিফা এখন দাম কমিয়ে সেই অর্থের পরিমাণ ১২০ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে এনেছে। তবে এই পরিমাণ অর্থও সিসিটিভির বাজেটের দ্বিগুণ। কাতার বিশ্বকাপে এরও অর্ধেকেরো কম মূল্যে সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছিল সিসিটিভি। এছাড়া চীন যেহেতু বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তাই দেশের ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ইভেন্টটির প্রতি আগ্রহ কম থাকবে। এছাড়া সময় নিয়ে জটিলতা রয়েছে এখানেও।
ভারতের সঙ্গে এখনো কোনো সম্প্রচার চুক্তি হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম এই সপ্তাহে জানিয়েছে, শিগগির একটি চুক্তি ঘোষণা করা হবে। রয়টার্সের তথ্যে, রিলায়েন্স-ডিজনি যৌথভাবে ভারতীয় স্বত্বের জন্য ২০ মিলিয়ন ডলারের মতো প্রস্তাব দিয়েছে, যা ফিফার চাহিদার চেয়ে অনেক কম। সনি কোনো প্রস্তাব দিতেই রাজি হয়নি।
আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব চূড়ান্ত না হলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও পড়বে বিপদে। কারণ, হাতে সময় এতটাই কম যে, চুক্তি চূড়ান্ত করে অবকাঠামো সাজানো এবং বিজ্ঞাপন বিক্রি করার সময়ও খুব একটা নেই। সব কিছু মিলিয়ে তিন দেশের বিপুলসংখ্যক ফুটবল ভক্ত এই বিশ্বকাপ সরাসরি দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিতে আশঙ্কায় রয়েছেন।

ফুটবল বিশ্বকাপের আর বাকি ৩১ দিন। যে উৎসবের জন্য মুখিয়ে থাকে বিশ্বের সমস্ত ফুটবল অন্তঃপ্রাণ মানুষ। যারা বছরে একবারও ফুটবলের নাম নেন না, তারাও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রিয় দলের সমর্থনে গলা ফাটান, রাত জাগেন।
প্রিয় দলের জয়ে আনন্দিত, পছন্দের ফুটবলার বা দেশের পরাজয়ে ব্যথিত হন। বিশ্বকাপ ফুটবলের মূল পর্বের ধারেকাছে না গিয়েও এতটা আবেগী, উচ্ছ্বসিত ফুটবল ভক্ত, পৃথিবীর অন্য কোথাও তেমন একটা দেখা যায় না। যতটা দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায়।
চার বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকাপ আসলে, উত্তেজনার পারদ এখানে এতই উঁচু হয় যে, একই পরিবারের সদস্যরা পর্যন্ত দুই দলে ভাগ হয়ে যান। সমর্থিত দলের পতাকা ও রঙে রঙিন হয়ে যাবার গল্প তো আরও আগে থেকেই। এর মাঝে কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের পরিচিতও ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। সুদূর ল্যাটিন আমেরিকার দেশ বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ানদের কাছেও ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ নামের একটি ছোট দেশের ফুটবল উন্মাদনার গল্প। যদিও বাংলাদেশের নিজেদের ফুটবল ঐতিহ্য বলা যায় হাতির পায়ের নিচের পরা পিঁপড়ের মতো। কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উত্তেজনার ঘাটতি নেই মোটেও।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার নিয়ে জটিলতা না থাকলেও সংকটে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত এবং চীনে। শনিবার (৯ মে) পর্যন্ত বিক্রি হয়নি এই তিন দেশের বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব। ফলে ভারত, বাংলাদেশ, চীন মিলে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ বিশ্বকাপের সম্প্রচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায়।
আড়ালের ঘটনা
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি পৃথক দেশ– যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায়। আয়োজক দেশের ব্যাপ্তি বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যাও। অন্যান্য বছর যেখানে ৩২টি দল বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে আসত, এবার সেখানে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি। একইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে বেড়েছে প্রাইজমানির পরিমাণও। ফিফা বলেছে, এবারের বিশ্বকাপ অন্যান্য বারের তুলনায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ। অন্তত যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাওয়া ভক্তদের কথা বিবেচনা করলে তো অবশ্যই।
যুক্তরাষ্ট্রে এবার কাতার বিশ্বকাপ তুলনায় প্রতিটি ম্যাচ টিকিটের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। যেমন, কাতার বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ মূল্যমানের টিকিটের দাম ছিল ১ হাজার ৬০০ ডলার, কিন্তু এবারে নিউ জার্সিতে হতে যাওয়া ফাইনালের টিকিটের দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ডলার। মানে ছয় থেকে সাতগুণ বেড়েছে টিকিটের দাম। আর এত ব্যয়বহুল বিশ্বকাপের মূল রোজগারের লক্ষ্যও ওই টিভি সম্প্রচার। ফলে ফিফার নির্ধারিত সম্প্রচার ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা স্প্রিংবক বাংলাদেশের টিভি স্বত্বের জন্য যে পরিমাণ অর্থ দাবি করেছে, তা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫০ কোটি টাকার বেশি। ভ্যাট ট্যাক্স মিলে যা ২০০ কোটির ঘরে পৌঁছবে।
১০ মের মধ্যে এর অর্ধেক এবং ১০ জুনের মধ্যে বাকি অর্ধেক অর্থ পরিশোধ করতে হবে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানকে। এই প্যাকেজের আওতায় উদ্বোধনী, সমাপনী অনুষ্ঠানসহ মোট ১০৪টি ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার ও হাইলাইটস দেখানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ অর্থের কত শতাংশ বিজ্ঞাপন খাত থেকে তুলে আনা সম্ভব, সে নিয়ে আশঙ্কা রয়েই যায়। তার ওপর রয়েছে সম্প্রচারের সময় নিয়ে জটিলতা। উত্তর আমেরিকার দেশে হওয়া বিশ্বকাপ, বেশিরভাগ সময়ই বাংলাদেশের সময় ভোর রাত বা তারও পরে অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ে বিজ্ঞাপনদাতারা আগ্রহই দেখাচ্ছে না ততটা।
একই রকম সংকটে চীন ও ভারতের সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানও। ফিফা জানিয়েছে, সম্প্রচার প্রসঙ্গে চীন ও ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে সেই আলোচনার অগ্রগতি কতটুকু বা কী পরিমাণ অর্থ আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে, এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি। ফিফা বলেছে, মোট ১৮০টি অঞ্চলে এরই মধ্যে চুক্তি হয়েছে। তবে এখনও কয়েকটি দেশ ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্প্রচারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি, যার মধ্যে ভারত ও চীন রয়েছে— যা একত্রে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনের কাছে ফিফার প্রাথমিক প্রস্তাব ছিল প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফিফা এখন দাম কমিয়ে সেই অর্থের পরিমাণ ১২০ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে এনেছে। তবে এই পরিমাণ অর্থও সিসিটিভির বাজেটের দ্বিগুণ। কাতার বিশ্বকাপে এরও অর্ধেকেরো কম মূল্যে সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছিল সিসিটিভি। এছাড়া চীন যেহেতু বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তাই দেশের ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ইভেন্টটির প্রতি আগ্রহ কম থাকবে। এছাড়া সময় নিয়ে জটিলতা রয়েছে এখানেও।
ভারতের সঙ্গে এখনো কোনো সম্প্রচার চুক্তি হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম এই সপ্তাহে জানিয়েছে, শিগগির একটি চুক্তি ঘোষণা করা হবে। রয়টার্সের তথ্যে, রিলায়েন্স-ডিজনি যৌথভাবে ভারতীয় স্বত্বের জন্য ২০ মিলিয়ন ডলারের মতো প্রস্তাব দিয়েছে, যা ফিফার চাহিদার চেয়ে অনেক কম। সনি কোনো প্রস্তাব দিতেই রাজি হয়নি।
আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব চূড়ান্ত না হলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও পড়বে বিপদে। কারণ, হাতে সময় এতটাই কম যে, চুক্তি চূড়ান্ত করে অবকাঠামো সাজানো এবং বিজ্ঞাপন বিক্রি করার সময়ও খুব একটা নেই। সব কিছু মিলিয়ে তিন দেশের বিপুলসংখ্যক ফুটবল ভক্ত এই বিশ্বকাপ সরাসরি দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিতে আশঙ্কায় রয়েছেন।

তবে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে বার্সা শিবিরে বইছে শোকের ছায়া। ম্যাচের ৬-৭ ঘণ্টা আগে বার্সেলোনা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক তাঁর বাবাকে হারিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
২০১৮ সালের পর আবারও ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরল সুইডেন। দেশটির তারকা ফুটবলার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ-পরবর্তী যুগে এক নতুন সুইডেনকে দেখবে ফুটবল বিশ্ব। এ নিয়ে ১৩ বার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি ফুটবল বিশ্বে ‘ব্লু অ্যান্ড ইয়েলো’ নামেই পরিচিত।
৬ ঘণ্টা আগে
মেহেদী হাসান মিরাজের পাঁচ উইকেটে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে নাজমুল হাসান শান্তর দল।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ দল যখন ম্যাচে কামব্যাক করেছিল, ঠিক তখনই বাধ সাধলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আঘা। তাদের দৃঢ়তায় তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনটি পাকিস্তান নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান।
১০ ঘণ্টা আগে