স্ট্রিম সংবাদদাতা

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ এবারও ঈদের আগে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বিছট গ্রামের জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। সকালে গ্রামবাসী জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করলেও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় আছে বিছট, বল্লভপুর, আনুলিয়াসহ ৫ গ্রামের বাসিন্দারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বলেন, গত বছর ৩১ মার্চ ঈদের দিন সকালে বিছট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বেড়িবাঁধের বড় অংশ খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন যায়। গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বিকল্প রিং-বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করলেও দুপুরের জোয়ারের পানিতে সেই বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে পানি। এতে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ নিমেষে শেষ হয়ে যায়।
গত বছর বাঁধ ভাঙার ক্ষতির রেশ এখনও অনেকে কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এর মধ্যে ফের ঈদের আগ মুহূর্তে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গতবারের ভুক্তভোগী বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু দাউদ বলেন, বুধবার সকালে নদীর ধারে গিয়ে দেখি জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে পাউবোর বেড়িবাঁধের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভেঙে নদী গর্ভে চলে গেছে। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে গ্রামবাসী। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আপাতত গ্রামবাসীকে নিয়ে ভাঙা অংশে মাটি দিয়ে কোনো রকমে জোয়ার ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তাঁর অভিযোগ, বিছট গ্রামের বেড়িবাঁধে ভাঙন দীর্ঘদিনের। গত বছর ভাঙনের আগে ও পরে তিনটি প্যাকেজে এখানে বাঁধ সংস্কারে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ঠিকাদারই কাজ শেষ করেননি। এখন পর্যন্ত বালু ভর্তি জিও ব্যাগ পড়ে রয়েছে। গত এক বছর ধরে ওই জিও ব্যাগগুলোতে বালু ভরা হলেও ভাঙন পয়েন্টে দেওয়া হয়নি।
সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, বেড়িবাঁধে ভাঙনের খবর পেয়ে জিও ব্যাগ, জিও রোলসহ সেখানে লোক পাঠানো হয়েছে। গ্রামবাসীর সহায়তায় আপাতত পানি ঢোকা বন্ধ করার কাজ চলছে। দ্রুতই ওই বেড়িবাঁধের ভাঙন সংস্কারে কাজ শুরু করা হবে।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ এবারও ঈদের আগে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বিছট গ্রামের জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। সকালে গ্রামবাসী জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করলেও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় আছে বিছট, বল্লভপুর, আনুলিয়াসহ ৫ গ্রামের বাসিন্দারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বলেন, গত বছর ৩১ মার্চ ঈদের দিন সকালে বিছট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বেড়িবাঁধের বড় অংশ খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন যায়। গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বিকল্প রিং-বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করলেও দুপুরের জোয়ারের পানিতে সেই বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে পানি। এতে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ নিমেষে শেষ হয়ে যায়।
গত বছর বাঁধ ভাঙার ক্ষতির রেশ এখনও অনেকে কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এর মধ্যে ফের ঈদের আগ মুহূর্তে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গতবারের ভুক্তভোগী বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু দাউদ বলেন, বুধবার সকালে নদীর ধারে গিয়ে দেখি জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে পাউবোর বেড়িবাঁধের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভেঙে নদী গর্ভে চলে গেছে। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে গ্রামবাসী। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আপাতত গ্রামবাসীকে নিয়ে ভাঙা অংশে মাটি দিয়ে কোনো রকমে জোয়ার ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তাঁর অভিযোগ, বিছট গ্রামের বেড়িবাঁধে ভাঙন দীর্ঘদিনের। গত বছর ভাঙনের আগে ও পরে তিনটি প্যাকেজে এখানে বাঁধ সংস্কারে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ঠিকাদারই কাজ শেষ করেননি। এখন পর্যন্ত বালু ভর্তি জিও ব্যাগ পড়ে রয়েছে। গত এক বছর ধরে ওই জিও ব্যাগগুলোতে বালু ভরা হলেও ভাঙন পয়েন্টে দেওয়া হয়নি।
সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, বেড়িবাঁধে ভাঙনের খবর পেয়ে জিও ব্যাগ, জিও রোলসহ সেখানে লোক পাঠানো হয়েছে। গ্রামবাসীর সহায়তায় আপাতত পানি ঢোকা বন্ধ করার কাজ চলছে। দ্রুতই ওই বেড়িবাঁধের ভাঙন সংস্কারে কাজ শুরু করা হবে।

রাজধানীর একটি বাসায় ৯ বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করেন ভোলার নদীভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দা নাজমা আক্তার। তবে ঈদ সামনে রেখে আকস্মিক তাকে ছাঁটাই করেছেন গৃহকর্তা। নাজমা অন্য যে বাসায় কাজ করতেন সেখানেও একই অবস্থা। দুই নিয়োগকর্তারই এমন সিদ্ধান্তে ঈদের আগে অথই সাগরে পড়েছেন নিম্ন আয়ের এই নারী।
৪২ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিহত প্রবাসীর বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কার্ড থাকলে তাঁর পরিবার অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা করে পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাতের নিরাপত্তায় ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ৩১ বিজিবি নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারীর সইয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।
২ ঘণ্টা আগে