সিইজিআইএসের প্রতিবেদনভাঙনের মুখে তিন নদীর পাড়, হাজার হেক্টর জমি বিলীনের শঙ্কাযমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা—দেশের প্রধান এই তিন নদীর ১১টি এলাকায় তীব্র ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যেসব স্থানে ১০০ মিটারের বেশি ভাঙনের শঙ্কা থাকে, মূলত সে এলাকাগুলোকেই এই প্রতিবেদনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।২০ মে ২০২৬
শেরপুরে চেল্লাখালী নদীর বাঁধে ভাঙন, প্লাবিত নিম্নাঞ্চলটানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীতে পানি বাড়ছে। এতে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার গোল্লারপাড় এলাকায় নদীর বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জানিয়েছে পাউবো।১৪ মে ২০২৬
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রে অসময়ে ভাঙন, ঝুঁকিতে বালাসী লঞ্চ টার্মিনালগাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদে অসময়ে ভাঙন দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে তীরবর্তী মানুষের মধ্যে। ঝুঁকিতে আছে দেড় শ কোটি টাকার বালাসী লঞ্চ টার্মিনাল। ভাঙনের স্থান থেকে মাত্র ১৫ মিটার দূরে অবস্থান করছে এই স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে ব্লক ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও, তা কাজে আসছে না।০৭ এপ্রিল ২০২৬
ঈদের আগে বেড়িবাঁধে ভাঙন, উৎকণ্ঠায় সাতক্ষীরার ৫ গ্রামবাসীসাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ এবারও ঈদের আগে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বিছট গ্রামের জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। সকালে গ্রামবাসী জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করলেও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় আছে বিছট, বল্লভপুর, আনুলিয়াসহ ৫ গ্রামের বাসিন্দারা।২০ মার্চ ২০২৬
ভোলার ১৭ লাখ ভোটারের প্রধান দাবি নদীভাঙন রোধ ও বালু সিন্ডিকেট নির্মূলদ্বীপ জেলা ভোলার মানুষের কাছে নদীভাঙন মানেই এক চিরস্থায়ী আতঙ্ক। প্রতিবছর বর্ষা এলেই মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয় হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল।০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ-১নদী ভাঙন ও বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ চান ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়বাসীশহর থেকে গ্রাম—সর্বত্রই এখন বইছে নির্বাচনী হাওয়া। মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে এবারের নির্বাচনে ভোটারদের প্রধান দাবি ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে স্থায়ী নদী শাসন এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ।০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাঙনে নিঃস্ব হাতিয়ার মানুষমেঘনার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি হাহাকারের চিহ্নহাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের লাল পোল প্রায় এক বছর আগে ভূখণ্ড থেকে আলাদা হয়ে যায়। এরপর আশপাশের আরও জনবসতি, বাজার, প্রতিষ্ঠান ভেঙে গেছে। ভাঙন কবলিত মানুষের দীর্ঘশ্বাস হয়ে নদীর বুকে এখনো দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি।২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনপুরো গ্রামে ভাঙন, সহযোগিতাও করতে পারছেন না কেউ কাউকেখয়রাত জামান বলেন, ‘ভিটেমাটি সব নদীতে চলে গেছে। ঘর দুইটা ভাঙছি, এখন কোথাও গিয়ে যে বাড়ি করব, সে জায়গাও আমার নাই।’১৫ আগস্ট ২০২৫
গাইবান্ধায় তিস্তা- ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনজমির কাঁচা ফসলও কেটে নিচ্ছে লোকজন, আতঙ্কে পাড়ের হাজারো মানুষসুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাবুর বাজার থেকে উত্তরের পুটিমারি পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলছে ভাঙন। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে অন্তত তিনশ বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।৩১ জুলাই ২০২৫
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন: সুখ নেই সুখের বাতি গ্রামেব্রহ্মপুত্র নদের কূলঘেঁষা গ্রামটির নাম সুখের বাতি। ইউনিয়ন চর শৌলমারী। গ্রামের বাসিন্দা দুই শতাধিক পরিবার। অধিকাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাতে সুখও ছিল, তবে এবারের নদীভাঙন গ্রামের সুখ কেড়ে নিয়েছে। একের পর এক বসতভিটা, আবাদি জমি ও স্থাপনা বিলীন হচ্ছে নদের পেটে।সুখের বাতি গ্রামে০৬ জুন ২০২৫