স্ট্রিম সংবাদদাতা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ লোকজন-নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের (এসএমপি) একটি নির্দেশনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ কমিশনারের সই করা ওই অফিস আদেশে লেখা রয়েছে, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন যেন প্রকাশ্য না থাকতে পারে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসএমপির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
তবে এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী মঙ্গলবার রাতে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি শুরুতে থেকে বলে আসছি, মানবিক পুলিশিং হবে। পুলিশ দ্বারা কেউ হয়রানির শিকার হবে না। এখনো আমি সেটাই বলছি। এটা শব্দগত ভুল হয়েছে। এখন কারা, কীভাবে করল, সেটা দেখার বিষয়।’
গত ১০ সেপ্টেম্বর এসএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেন আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন পুলিশ কমিশনারের কিছু উদ্যোগ নগরবাসীর কাছে প্রশংসিতও হয়েছে। সম্প্রতি তিনি মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকের পর গত রোববার পুলিশ কমিশনারের সই করা একটি নির্দেশনা মহানগর পুলিশের ছয় থানার ওসিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়।
ওই নির্দেশনা-সংবলিত চিঠির ১৩ নম্বর ও সর্বশেষ সিদ্ধান্তটিই এসএমপির উপকমিশনারের (দক্ষিণ) ‘সিন করা’ কপি ফেসবুকে ছড়িয়েছে। জানতে চাইলে এসএমপির উপকমিশনার (দক্ষিণ) শাহরিয়ার আলম বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমার অফিস থেকে তো অধীনস্থ অনেক অফিস বা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। হয়তো কোথাও থেকে বিষয়টি বের হয়েছে।’
ছড়িয়ে পড়া কপিতে লেখা রয়েছে, ‘ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে এসএমপির আওতাধীন এলাকায় কোনো আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের লোকজন প্রকাশ্যে যাতে থাকতে না পারে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রদান করার জন্য সব অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’
এদিকে, পরে মহানগর পুলিশের ফেসবুক পেজে গিয়ে একটি নির্দেশনা পাওয়া যায়। এটি এমন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত দলের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং প্রকাশ্যে যেন কোনো মিছিল-মিটিং করতে না পারে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’
আলোচনা-সমালোচনা মুখে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় এসএমপির ফেসবুক পেজে সঠিক নির্দেশনার কপি-সহ পোস্ট দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তি ফেসবুকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশনা বলে একটি বক্তব্য লিখে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন। প্রকৃত তথ্য হলো পুলিশ কমিশনার মহোদয় অফিসারদের অভ্যন্তরীণ সভায় নিম্নোক্ত বক্তব্য দিয়েছেন। বিভ্রান্তিকর তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে সবাইকে অনুরোধ করছি।’
পোস্টযুক্ত সঠিক নির্দেশনার কপিতে লেখা, ‘নিষিদ্ধঘোষিত দলের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং প্রকাশ্যে যেন কোনো মিছিল-মিটিং করতে না পারে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ লোকজন-নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের (এসএমপি) একটি নির্দেশনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ কমিশনারের সই করা ওই অফিস আদেশে লেখা রয়েছে, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন যেন প্রকাশ্য না থাকতে পারে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসএমপির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
তবে এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী মঙ্গলবার রাতে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি শুরুতে থেকে বলে আসছি, মানবিক পুলিশিং হবে। পুলিশ দ্বারা কেউ হয়রানির শিকার হবে না। এখনো আমি সেটাই বলছি। এটা শব্দগত ভুল হয়েছে। এখন কারা, কীভাবে করল, সেটা দেখার বিষয়।’
গত ১০ সেপ্টেম্বর এসএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেন আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন পুলিশ কমিশনারের কিছু উদ্যোগ নগরবাসীর কাছে প্রশংসিতও হয়েছে। সম্প্রতি তিনি মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকের পর গত রোববার পুলিশ কমিশনারের সই করা একটি নির্দেশনা মহানগর পুলিশের ছয় থানার ওসিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়।
ওই নির্দেশনা-সংবলিত চিঠির ১৩ নম্বর ও সর্বশেষ সিদ্ধান্তটিই এসএমপির উপকমিশনারের (দক্ষিণ) ‘সিন করা’ কপি ফেসবুকে ছড়িয়েছে। জানতে চাইলে এসএমপির উপকমিশনার (দক্ষিণ) শাহরিয়ার আলম বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমার অফিস থেকে তো অধীনস্থ অনেক অফিস বা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। হয়তো কোথাও থেকে বিষয়টি বের হয়েছে।’
ছড়িয়ে পড়া কপিতে লেখা রয়েছে, ‘ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে এসএমপির আওতাধীন এলাকায় কোনো আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের লোকজন প্রকাশ্যে যাতে থাকতে না পারে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রদান করার জন্য সব অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’
এদিকে, পরে মহানগর পুলিশের ফেসবুক পেজে গিয়ে একটি নির্দেশনা পাওয়া যায়। এটি এমন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত দলের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং প্রকাশ্যে যেন কোনো মিছিল-মিটিং করতে না পারে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’
আলোচনা-সমালোচনা মুখে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় এসএমপির ফেসবুক পেজে সঠিক নির্দেশনার কপি-সহ পোস্ট দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তি ফেসবুকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশনা বলে একটি বক্তব্য লিখে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন। প্রকৃত তথ্য হলো পুলিশ কমিশনার মহোদয় অফিসারদের অভ্যন্তরীণ সভায় নিম্নোক্ত বক্তব্য দিয়েছেন। বিভ্রান্তিকর তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে সবাইকে অনুরোধ করছি।’
পোস্টযুক্ত সঠিক নির্দেশনার কপিতে লেখা, ‘নিষিদ্ধঘোষিত দলের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং প্রকাশ্যে যেন কোনো মিছিল-মিটিং করতে না পারে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হলো। এসি, এডিসি ও ডিসিরা এ বিষয়ে তদারকি করবেন।’

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১৭ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
৪৩ মিনিট আগে
গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে