স্ট্রিম প্রতিবেদক

শিশুর অভিভাবকত্বে মায়ের আইনগত স্বীকৃতি ও পিতা-মাতার সমান অধিকারের দাবিতে ‘শিশুর অভিভাবকত্বের বাস্তবতা, বৈষম্য ও অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক সংলাপ হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার দৃকপাঠ ভবনে ‘শিশুদের অভিভাবকত্ব সম্প্রসারণ প্রস্তাব’ (সিজিইপি) নামের শিশুকল্যাণকেন্দ্রিক উদ্যোগের যাত্রা শুরু উপলক্ষে এই আয়োজন হয়। রাষ্ট্র সংস্কারের প্ল্যাটফর্ম ‘নাগরিক কোয়ালিশন’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত সংলাপে বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান দায়িত্ব এবং শিশুর অভিভাবকত্বে মায়ের আইনি স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে পারিবারিক আইনে কাস্টডি (হেফাজত) ও গার্ডিয়ানশিপ (অভিভাবকত্ব) দুটি আলাদা ধারণা। ফলে শিশুর দৈনন্দিন দায়িত্ব মায়ের ওপর থাকলেও স্কুলে ভর্তি, চিকিৎসা, পাসপোর্ট বা বিদেশ ভ্রমণের অনুমতির মতো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে মায়ের আইনি এখতিয়ার সীমিত।
সংলাপে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সিজিইপির গবেষক তৃষিয়া নাশতারান। তিনি বলেন, ১৮৯০ সালের 'গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস' আইনের বিদ্যমান কাঠামোতেই একটি পরিপূরক নীতি তৈরি করা সম্ভব। এর মাধ্যমে শিশুর স্বার্থে তার প্রকৃত পরিচর্যাকারী, বিশেষ করে মায়ের ন্যায্য অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করা যাবে।
সর্বজনীন সাধারণ আইনের দাবি জানিয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দিলরুবা শরমিন বলেন, ‘শহর-নগর বা ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবাই সুবিধা পাবে এমন রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োজন। শুধু আইন নয়, সবাই যেন সেই সুবিধা পায়, তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে।’
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান বলেন, ‘শিশু ভবিষ্যতের নাগরিক হওয়ার পাশাপাশি বর্তমানেও রাষ্ট্রের দায়িত্বের আওতায় রয়েছে। তাই শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে।’
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, শিশু ও নারীর অধিকার রক্ষায় কেবল ব্যক্তিগত চিন্তা নয়, পরিবেশ ও পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি।
মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘অভিভাবকত্বে ব্যক্তি বা পরিবারের ক্ষমতার বিরোধের চেয়ে শিশুর সুরক্ষা, বিকাশ ও মানসিক সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিচ্ছেদের পর কেবল ‘কার কাছে সন্তান থাকবে’ তা দেখা যথেষ্ট নয়। কে কতটুকু অর্থনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব নেবেন এবং দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ কেমন হবে, তা আইনি কাঠামোয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
সমাপনী বক্তব্যে লেখক ও অধিকারকর্মী রেহনুমা আহমেদ দেশের ও শিশুর ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংলাপে অংশ নেন অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন, শিল্পী ওয়ারদা আশরাফ, শিক্ষিকা আতকিয়া আসিমা তাজিন ও অধিকারকর্মী কানিজ ফাতিমা মিথিলা। এ ছাড়া অংশ নেন অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম, সাংবাদিক মানসুরা হোসাইন এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখতার।

শিশুর অভিভাবকত্বে মায়ের আইনগত স্বীকৃতি ও পিতা-মাতার সমান অধিকারের দাবিতে ‘শিশুর অভিভাবকত্বের বাস্তবতা, বৈষম্য ও অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক সংলাপ হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার দৃকপাঠ ভবনে ‘শিশুদের অভিভাবকত্ব সম্প্রসারণ প্রস্তাব’ (সিজিইপি) নামের শিশুকল্যাণকেন্দ্রিক উদ্যোগের যাত্রা শুরু উপলক্ষে এই আয়োজন হয়। রাষ্ট্র সংস্কারের প্ল্যাটফর্ম ‘নাগরিক কোয়ালিশন’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত সংলাপে বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান দায়িত্ব এবং শিশুর অভিভাবকত্বে মায়ের আইনি স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে পারিবারিক আইনে কাস্টডি (হেফাজত) ও গার্ডিয়ানশিপ (অভিভাবকত্ব) দুটি আলাদা ধারণা। ফলে শিশুর দৈনন্দিন দায়িত্ব মায়ের ওপর থাকলেও স্কুলে ভর্তি, চিকিৎসা, পাসপোর্ট বা বিদেশ ভ্রমণের অনুমতির মতো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে মায়ের আইনি এখতিয়ার সীমিত।
সংলাপে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সিজিইপির গবেষক তৃষিয়া নাশতারান। তিনি বলেন, ১৮৯০ সালের 'গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস' আইনের বিদ্যমান কাঠামোতেই একটি পরিপূরক নীতি তৈরি করা সম্ভব। এর মাধ্যমে শিশুর স্বার্থে তার প্রকৃত পরিচর্যাকারী, বিশেষ করে মায়ের ন্যায্য অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করা যাবে।
সর্বজনীন সাধারণ আইনের দাবি জানিয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দিলরুবা শরমিন বলেন, ‘শহর-নগর বা ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবাই সুবিধা পাবে এমন রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োজন। শুধু আইন নয়, সবাই যেন সেই সুবিধা পায়, তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে।’
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান বলেন, ‘শিশু ভবিষ্যতের নাগরিক হওয়ার পাশাপাশি বর্তমানেও রাষ্ট্রের দায়িত্বের আওতায় রয়েছে। তাই শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে।’
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, শিশু ও নারীর অধিকার রক্ষায় কেবল ব্যক্তিগত চিন্তা নয়, পরিবেশ ও পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি।
মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘অভিভাবকত্বে ব্যক্তি বা পরিবারের ক্ষমতার বিরোধের চেয়ে শিশুর সুরক্ষা, বিকাশ ও মানসিক সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিচ্ছেদের পর কেবল ‘কার কাছে সন্তান থাকবে’ তা দেখা যথেষ্ট নয়। কে কতটুকু অর্থনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব নেবেন এবং দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ কেমন হবে, তা আইনি কাঠামোয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
সমাপনী বক্তব্যে লেখক ও অধিকারকর্মী রেহনুমা আহমেদ দেশের ও শিশুর ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংলাপে অংশ নেন অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন, শিল্পী ওয়ারদা আশরাফ, শিক্ষিকা আতকিয়া আসিমা তাজিন ও অধিকারকর্মী কানিজ ফাতিমা মিথিলা। এ ছাড়া অংশ নেন অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম, সাংবাদিক মানসুরা হোসাইন এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখতার।
.png)

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পাওনা টাকার জন্য শরিফুল ইসলাম হিরা (৪০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট) গোয়ালন্দ বাজারের তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৫ মিনিট আগে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীর বন ছেড়ে অজগর প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বনসংলগ্ন এলাকায় এসব অজগরের দেখা মিলছে। বাড়ির আঙিনা, হাঁস-মুরগির খামার, বাঁশঝাড়, চা-বাগান ও হাওড়ের আশপাশে অজগর পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
১৬ মিনিট আগে
সংস্কারের নামে মাসের পর মাস খুঁড়ে রাখা হয়েছে সড়ক। কোথাও গর্ত, কোথাও হাঁটুসমান কাদা-পানি। বৃষ্টি হলেই বেড়ে যায় দুর্ভোগ। ঝুঁকি নিয়ে চলতে গিয়ে গর্তে আটকে যাচ্ছে যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনাও। ৮২২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প চললেও সাতক্ষীরা–ভেটখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ অংশে দুর্ভোগের শেষ নেই।
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় এক-এগারোর সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে। বিচারে পর্যায়ক্রমে এগুলো রিফ্লেকশন হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে