স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহফুজকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার ও তাঁর বরাদ্দ সিট বাতিল করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক স ম আলী রেজার সই করা নোটিশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আহমেদ শাহরিয়ার নীড়কে মারধরে আবদুল্লাহ আল মাহফুজের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাহফুজ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা অভিযোগ ওঠে। তবে মাহফুজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে সংগঠনের সঙ্গে মাহফুজের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে শাখা ছাত্রশিবির।
হল প্রশাসনের নোটিশে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিজয় একাত্তর হলের যমুনা ব্লকের অতিথি কক্ষ-সংলগ্ন ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে আবাসিক শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় ও আবদুল্লাহ আল মাহফুজের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর হল প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে। তদন্ত কমিটি ঘটনার সঙ্গে মাহফুজের সংশ্লিষ্টতার সত্যতা পেয়েছে। তাঁর এই সংশ্লিষ্টতা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের শৃঙ্খলাপরিপন্থী।
ভুক্তভোগী নীড় হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে মাহফুজের বিচার দাবি করেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ওয়াশরুমে প্রবেশে মাহফুজ তাঁকে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন।
তবে মাহফুজ দাবি করেছিলেন, ঘটনার সময় ওয়াশরুমে নারী অতিথি থাকায় নীড়কে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় এবং একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হলেও, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থী, হল স্টাফ ও অতিথিদের বক্তব্য নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
এদিকে, ঘটনার পর মাহফুজকে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিযোগ ওঠে। ডাকসু নির্বাচনের পর ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ থেকে নির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েমের বিজয় উদযাপনে তাঁকে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
তবে শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, মাহফুজের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করছি– মাহফুজের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি বলেন, মাহফুজ ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েমকে সমর্থন দিয়েছেন, যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাঁকে ভিপি নির্বাচিত করেছেন।
এর আগে মিফতাহুল স্ট্রিমকে বলেছিলেন, ছাত্রশিবির সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
হল প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘটনার পর পরস্পরবিরোধী অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটি সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে মাহফুজের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার বহিষ্কার ও তাঁর সিট বাতিল করল প্রশাসন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহফুজকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার ও তাঁর বরাদ্দ সিট বাতিল করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক স ম আলী রেজার সই করা নোটিশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আহমেদ শাহরিয়ার নীড়কে মারধরে আবদুল্লাহ আল মাহফুজের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাহফুজ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা অভিযোগ ওঠে। তবে মাহফুজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে সংগঠনের সঙ্গে মাহফুজের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে শাখা ছাত্রশিবির।
হল প্রশাসনের নোটিশে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিজয় একাত্তর হলের যমুনা ব্লকের অতিথি কক্ষ-সংলগ্ন ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে আবাসিক শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় ও আবদুল্লাহ আল মাহফুজের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর হল প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে। তদন্ত কমিটি ঘটনার সঙ্গে মাহফুজের সংশ্লিষ্টতার সত্যতা পেয়েছে। তাঁর এই সংশ্লিষ্টতা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের শৃঙ্খলাপরিপন্থী।
ভুক্তভোগী নীড় হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে মাহফুজের বিচার দাবি করেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ওয়াশরুমে প্রবেশে মাহফুজ তাঁকে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন।
তবে মাহফুজ দাবি করেছিলেন, ঘটনার সময় ওয়াশরুমে নারী অতিথি থাকায় নীড়কে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় এবং একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হলেও, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থী, হল স্টাফ ও অতিথিদের বক্তব্য নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
এদিকে, ঘটনার পর মাহফুজকে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিযোগ ওঠে। ডাকসু নির্বাচনের পর ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ থেকে নির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েমের বিজয় উদযাপনে তাঁকে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
তবে শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, মাহফুজের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করছি– মাহফুজের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি বলেন, মাহফুজ ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েমকে সমর্থন দিয়েছেন, যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাঁকে ভিপি নির্বাচিত করেছেন।
এর আগে মিফতাহুল স্ট্রিমকে বলেছিলেন, ছাত্রশিবির সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
হল প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘটনার পর পরস্পরবিরোধী অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটি সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে মাহফুজের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার বহিষ্কার ও তাঁর সিট বাতিল করল প্রশাসন।
.png)

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে শিক্ষকদের গোপন যোগাযোগের অভিযোগ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি করেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)।
০৬ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। একই সময়ে জকসুর নেতারাও শোডাউন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।
০৬ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে ‘জুলাই জঙ্গি’ লিখে পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী শারাফাত শারিককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এবং ইনকিলাব মঞ্চের জবি শাখার আহ্বায়ক মো. নূর মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬