স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফাভাবে বিল পাস ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনে বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে সরকারি দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে সংসদীয় কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কার্যপ্রণালি বিধির ৭৭ বিধি অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রী বিল উত্থাপনের পর বিলটি স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো ও বাছাই কমিটিতে পাঠানো অথবা জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রচারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারেন। তবে প্রচলিত সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিল সাধারণত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু "ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬"–এর ক্ষেত্রে এর কোনোটিই করা হয়নি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব আমলে নেওয়া বা সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বিলটি সম্পর্কে প্রস্তাব করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে বিল উত্থাপনের কমপক্ষে তিন দিন আগে সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ করার রেওয়াজ থাকলেও এই বিলটি উত্থাপনের ঠিক আগমুহূর্তে এর অনুলিপি সংসদ সদস্যদের দেওয়া হয়। ফলে বিলটি যাচাইয়ের জন্য একদিকে যেমন সংসদ সদস্যদের কোনো বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া হয়নি, অন্যদিকে কার্যপ্রণালি বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে একতরফাভাবে আইনটি পাস করা হয়েছে।’
এ ছাড়া ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ এবং ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে সংসদে উত্থাপন করা হয়। বিরোধী দলের মতামত ও আপত্তি উপেক্ষা করে দ্রুততার সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আরও কয়েকটি বিল পাস করার ঘটনা ঘটেছে। ‘এমন একতরফাভাবে বিল পাসের প্রক্রিয়া আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও সংসদীয় বিধি লঙ্ঘন করায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে স্বৈরাচারী আমলের সংসদের সঙ্গে বর্তমান সংসদের পার্থক্য কোথায়?’ প্রশ্ন তোলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কার্যপ্রণালি বিধির ১৮৮ বিধির কথা উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যিনি ইতিমধ্যে স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত হয়েছেন, তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে? এর ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের যে মূল উদ্দেশ্য, তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। ইতিপূর্বে বিশেষ করে নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এই জাতীয় চর্চা দেখা যায়নি। স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটির সদস্য বা সভাপতি নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এসব কমিটির সক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদের ২৪ নম্বর ধারায় ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট একমত হয়ে অঙ্গীকার করেছে যে, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, বিশেষ অধিকার কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে সংসদের আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলের সদস্যরা সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সেই অনুযায়ী প্রায় ২৬ শতাংশ কমিটির সভাপতি বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্য থেকে হওয়ার কথা। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে যা ঘটেছে, তাতে শুধু জুলাই সনদের অঙ্গীকার কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং ক্ষমতাসীন দলের ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারকেও অর্থহীন হিসেবে পরিণত করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।’
এমন স্ববিরোধী অবস্থান পরিহার করে ইতিমধ্যে গঠিত বিতর্কিত কমিটিগুলোর পুনর্গঠন করা এবং অন্য সব কমিটি গঠনে নিজেদের ঘোষিত অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সংবিধানের ৭৮(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবিলম্বে সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। তা ছাড়া জুলাই সনদে উল্লিখিত চারটি সংসদীয় কমিটির প্রতিটিতে অন্তত একজনসহ সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সব নারী সদস্যকে কমপক্ষে একটি কমিটিতে নির্বাচিত করার আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।’

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফাভাবে বিল পাস ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনে বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে সরকারি দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে সংসদীয় কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কার্যপ্রণালি বিধির ৭৭ বিধি অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রী বিল উত্থাপনের পর বিলটি স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো ও বাছাই কমিটিতে পাঠানো অথবা জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রচারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারেন। তবে প্রচলিত সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিল সাধারণত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু "ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬"–এর ক্ষেত্রে এর কোনোটিই করা হয়নি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব আমলে নেওয়া বা সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বিলটি সম্পর্কে প্রস্তাব করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে বিল উত্থাপনের কমপক্ষে তিন দিন আগে সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ করার রেওয়াজ থাকলেও এই বিলটি উত্থাপনের ঠিক আগমুহূর্তে এর অনুলিপি সংসদ সদস্যদের দেওয়া হয়। ফলে বিলটি যাচাইয়ের জন্য একদিকে যেমন সংসদ সদস্যদের কোনো বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া হয়নি, অন্যদিকে কার্যপ্রণালি বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে একতরফাভাবে আইনটি পাস করা হয়েছে।’
এ ছাড়া ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ এবং ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে সংসদে উত্থাপন করা হয়। বিরোধী দলের মতামত ও আপত্তি উপেক্ষা করে দ্রুততার সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আরও কয়েকটি বিল পাস করার ঘটনা ঘটেছে। ‘এমন একতরফাভাবে বিল পাসের প্রক্রিয়া আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও সংসদীয় বিধি লঙ্ঘন করায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে স্বৈরাচারী আমলের সংসদের সঙ্গে বর্তমান সংসদের পার্থক্য কোথায়?’ প্রশ্ন তোলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কার্যপ্রণালি বিধির ১৮৮ বিধির কথা উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যিনি ইতিমধ্যে স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত হয়েছেন, তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে? এর ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের যে মূল উদ্দেশ্য, তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। ইতিপূর্বে বিশেষ করে নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এই জাতীয় চর্চা দেখা যায়নি। স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটির সদস্য বা সভাপতি নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এসব কমিটির সক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদের ২৪ নম্বর ধারায় ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট একমত হয়ে অঙ্গীকার করেছে যে, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, বিশেষ অধিকার কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে সংসদের আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলের সদস্যরা সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সেই অনুযায়ী প্রায় ২৬ শতাংশ কমিটির সভাপতি বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্য থেকে হওয়ার কথা। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে যা ঘটেছে, তাতে শুধু জুলাই সনদের অঙ্গীকার কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং ক্ষমতাসীন দলের ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারকেও অর্থহীন হিসেবে পরিণত করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।’
এমন স্ববিরোধী অবস্থান পরিহার করে ইতিমধ্যে গঠিত বিতর্কিত কমিটিগুলোর পুনর্গঠন করা এবং অন্য সব কমিটি গঠনে নিজেদের ঘোষিত অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সংবিধানের ৭৮(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবিলম্বে সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। তা ছাড়া জুলাই সনদে উল্লিখিত চারটি সংসদীয় কমিটির প্রতিটিতে অন্তত একজনসহ সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সব নারী সদস্যকে কমপক্ষে একটি কমিটিতে নির্বাচিত করার আহ্বান জানাচ্ছে টিআইবি।’
.png)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসা কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৫৬৭টি ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে। গত ২১ দিনে সরবরাহ করা ৯ ধরনের এসব ওষুধের নথিপত্রে কোনো হিসাব মেলেনি।
৩১ মিনিট আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) চার্জশিটভুক্তদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আগে মামলার নথিসহ কয়েকটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটির পুলিশ। দুবাই পুলিশের চিঠির জবাব প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা শহররক্ষা বাঁধের অন্তত ২৫টি স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় যেকোনো সময় বাঁধটি ভেঙে প্লাবিত হতে পারে জেলা শহর। ভারী বৃষ্টির কারণে মাটি সরে সেখানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে