স্ট্রিম প্রতিবেদক

জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রকল্প ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে জনগণকে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তাদের তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৩ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একইসঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন।
৬৪ জেলার ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত যে জুলাই সনদ, এটার প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, আমি আশা করব, আপনারা (ডিসি) আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে অবস্থান করছেন। একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক, আইনসম্মত ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনারাই সরকারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, সুশাসন বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলভিত্তি হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছি। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, যোগ্য নেতৃত্ব এবং অবশ্যই জবাবদিহিতা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। সেটি হচ্ছে– আমরা দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করতে চাই না।
সরকারপ্রধান বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত আইন-কানুন ও জটিলতাকে অজুহাত হিসেবে আমরা আর ব্যবহার না করি। বরং বাস্তবসম্মত, কার্যকর ও জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানসিকতা আমরা প্রশাসনের সব পর্যায়ে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এতে জনগণ সময়মতো সরকারের প্রতিটি কর্মসূচির প্রত্যাশিত সুফল লাভ করতে পারবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সম্মেলনে মোট অধিবেশন থাকছে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা রয়েছে ৫৬টি।

জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রকল্প ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে জনগণকে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তাদের তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৩ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একইসঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন।
৬৪ জেলার ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত যে জুলাই সনদ, এটার প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, আমি আশা করব, আপনারা (ডিসি) আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে অবস্থান করছেন। একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক, আইনসম্মত ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনারাই সরকারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, সুশাসন বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলভিত্তি হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছি। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, যোগ্য নেতৃত্ব এবং অবশ্যই জবাবদিহিতা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। সেটি হচ্ছে– আমরা দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করতে চাই না।
সরকারপ্রধান বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত আইন-কানুন ও জটিলতাকে অজুহাত হিসেবে আমরা আর ব্যবহার না করি। বরং বাস্তবসম্মত, কার্যকর ও জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানসিকতা আমরা প্রশাসনের সব পর্যায়ে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এতে জনগণ সময়মতো সরকারের প্রতিটি কর্মসূচির প্রত্যাশিত সুফল লাভ করতে পারবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সম্মেলনে মোট অধিবেশন থাকছে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা রয়েছে ৫৬টি।

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৪।
২৬ মিনিট আগে
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সপ্তাহে দুই দিন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
৩১ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
১ ঘণ্টা আগে
স্বামী কারাগারে বন্দি। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন একমাত্র ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (২৩)। স্বামীকে শেষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখানোর জন্য আকুতি জানান স্ত্রী। মানবিক কারণে সাড়া দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে