হুমায়ূন শফিক

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের আসল সংখ্যা কত—এই নিয়ে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে প্রায়ই নানা আলোচনা শোনা যায়। কেউ বলেন তাঁর বইয়ের সংখ্যা আড়াইশ, আবার কারও মতে তা তিনশ থেকে চারশ।
বাংলা সাহিত্যে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কারণে উপন্যাসসমগ্র, গল্পসমগ্র, হিমু ও মিসির আলী সমগ্রসহ নানা ধরনের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। এই অসংখ্য সংকলনের ভিড়ে তাঁর একক মূলবইয়ের প্রকৃত সংখ্যাটি কত, তা নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লেখক এল. রন হাবার্ডের (১ হাজার ৮৪টি)। এছাড়া স্প্যানিশ লেখক করিন তেল্লাদো চার হাজারেরও বেশি এবং ব্রাজিলিয়ান লেখক রিওকি ইনোয়ে ১১শ বই লিখেছেন। বিজ্ঞান কল্পকাহিনির আরেকজন জনপ্রিয় লেখক লিখেছেন পাঁচ শতাধিক বই।
পশ্চিমবঙ্গের লেখকেরাও একেবারে কম লেখেননি। তবে সবচেয়ে বেশি বই লিখেছেন আশাপূর্ণা দেবী। তিনি তাঁর সুদীর্ঘ সাহিত্যজীবনে প্রায় ২৪২টির মতো উপন্যাস, ৩৭টি গল্পসংগ্রহ এবং ৬২টির বেশি শিশুতোষ বই—সর্বমোট প্রায় ৩৪০টিরও বেশি বই রচনা করেছেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বইয়ের সংখ্যা কম হলেও সারাজীবনে তিনি প্রচুর সাহিত্য রচনা করেছেন। বই আকারে আলাদা আলাদাভাবে প্রকাশিত হলে তিন থেকে চারশর কম হবে না।
অন্যান্য দেশের এসব লেখকদের তুলনায় হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও বাংলাদেশের সাহিত্যের হিসেবে তা বেশ বড় একটি সংখ্যা।
হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকৃত সংখ্যা জানতে স্ট্রিম থেকে তাঁর প্রধান প্রধান প্রকাশকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।
হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশ করেছে ‘অন্যপ্রকাশ’। এই প্রকাশনীর কর্ণধার মাজহারুল ইসলাম জানান, তাঁদের কাছে হুমায়ূন আহমেদের প্রায় ১১৭টি বই রয়েছে। তবে এটি সংকলন বা সমগ্রসহ। এসব বাদে তাঁর একক বইয়ের সংখ্যা সম্ভবত ৭৮টি। তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা তিনশর বেশি এটা ঠিক, তবে তা সংকলন, সমগ্র, শ্রেষ্ঠগল্প, বাছাই গল্প ইত্যাদিসহ।’

অন্যদিকে ‘কাকলী প্রকাশনী’তে হুমায়ূন আহমেদের মোট ৩৯টি বই রয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি মূলবই এবং বাকি ১০টি সংকলন বা সমগ্র। প্রকাশক এ কে নাছির আহমেদ সেলিম জানান, তাঁরা পরবর্তীতে কিছু উপন্যাস ও গল্প একত্রিত করে সমগ্রও প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশনা সংস্থা ‘অনন্যা’র কর্মী ফারুক হোসেনের মতে, সংকলন বা সমগ্র বাদে তাঁদের প্রকাশনীতে হুমায়ূন আহমেদের বই রয়েছে ২৫টি, আর সমগ্রসহ ৩৫টি। তাঁর ধারণা, সমগ্র বাদে হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা ২০০ থেকে ২৫০টির বেশি হবে না। তবে সমগ্রসহ হিসাব করলে এটি ৩৫০ ছাড়িয়ে যাবে।
জ্ঞানকোষ প্রকাশনীর প্রকাশক ওয়াসি তরফদার জানান, তাঁদের প্রকাশনী থেকে হুমায়ূন আহমেদের মূলবই প্রকাশিত হয়েছে ১৩টি এবং সমগ্রসহ মোট ২৪টি।
সময় প্রকাশনের প্রকাশক ফরিদ আহমেদ জানান, তাঁদের প্রকাশনীতে হুমায়ূন আহমেদের মোট ৩০টি বই রয়েছে, যার মধ্যে শ্রেষ্ঠ গল্প ও নাটকসমগ্রও অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য প্রকাশকেরাও সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে তাঁরা মনে করেন, সংকলন বই বাদ দিলে হুমায়ূন আহমেদের মোট বইয়ের সংখ্যা তিনশর কম হবে এবং সংকলনসহ তা তিনশ ছাড়িয়ে যাবে।
উইকিপিডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা ৩৪৯টি। তবে এর মধ্যে সমগ্র, সংকলন এবং বাংলা থেকে অন্য ভাষায় অনূদিত বইগুলোও রয়েছে। এই অনূদিত ও সংকলিত বইগুলো বাদ দিলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২৪১টিতে। এই তালিকায় তাঁর অসমাপ্ত উপন্যাস ‘নবীজি’-র নামও যুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে কার্টুনিস্ট ও লেখক আহসান হাবীবের মতে, হুমায়ূন আহমেদের মূল একক বইয়ের সংখ্যা আসলে ৩০০টি। বিভিন্ন সংকলন, সমগ্র বা বাছাই লেখার হিসাব বাদ দিয়েই এই সংখ্যাটি ৩০০ হবে বলে তিনি মনে করেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক নাহিদা নাহিদের মতে, হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থসংখ্যা ২৪৪টি। হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থসংখ্যা ২৪৪। এর মধ্যে উপন্যাস ১৮৭টি, গল্পগ্রন্থ ২৬টি, নাটক ৪টি, আত্মজীবনী ২৪টি, কাব্যগ্রন্থ ১টি, প্রবন্ধ ১টি ও কোয়ান্টাম রসায়ন নামে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ১টি বই। মৃত্যুর পূর্বে ‘নবীজি’ নামে অপ্রকাশিত একটি উপন্যাসের কয়েক পৃষ্ঠা লিখেছেন তিনি এবং ‘দেয়াল’ নামে একটি অপ্রকাশিত উপন্যাস তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
নাহিদা নাহিদ আরও জানান, মৃত্যুর পূর্বে হুমায়ূন আহমেদ ‘নবীজি’ নামে একটি উপন্যাসের কাজ শুরু করেছিলেন এবং এর মাত্র কয়েক পৃষ্ঠা লিখতে পেরেছিলেন। এছাড়া তাঁর মৃত্যুর পর ‘দেয়াল’ নামের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য হুমায়ূন আহমেদের ওপর পিএইচডি করছেন নাহিদা নাহিদ।
বইয়ের পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য সৃষ্টিশীল কাজেরও একটি হিসাব দিয়েছেন তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হুমায়ূন আহমেদ ১১৩টি একক নাটক ও টেলিফিল্ম এবং ২০টি ধারাবাহিক নাটক রচনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি সিনেমা বানিয়েছেন ৭টি।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের আসল সংখ্যা কত—এই নিয়ে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে প্রায়ই নানা আলোচনা শোনা যায়। কেউ বলেন তাঁর বইয়ের সংখ্যা আড়াইশ, আবার কারও মতে তা তিনশ থেকে চারশ।
বাংলা সাহিত্যে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কারণে উপন্যাসসমগ্র, গল্পসমগ্র, হিমু ও মিসির আলী সমগ্রসহ নানা ধরনের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। এই অসংখ্য সংকলনের ভিড়ে তাঁর একক মূলবইয়ের প্রকৃত সংখ্যাটি কত, তা নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লেখক এল. রন হাবার্ডের (১ হাজার ৮৪টি)। এছাড়া স্প্যানিশ লেখক করিন তেল্লাদো চার হাজারেরও বেশি এবং ব্রাজিলিয়ান লেখক রিওকি ইনোয়ে ১১শ বই লিখেছেন। বিজ্ঞান কল্পকাহিনির আরেকজন জনপ্রিয় লেখক লিখেছেন পাঁচ শতাধিক বই।
পশ্চিমবঙ্গের লেখকেরাও একেবারে কম লেখেননি। তবে সবচেয়ে বেশি বই লিখেছেন আশাপূর্ণা দেবী। তিনি তাঁর সুদীর্ঘ সাহিত্যজীবনে প্রায় ২৪২টির মতো উপন্যাস, ৩৭টি গল্পসংগ্রহ এবং ৬২টির বেশি শিশুতোষ বই—সর্বমোট প্রায় ৩৪০টিরও বেশি বই রচনা করেছেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বইয়ের সংখ্যা কম হলেও সারাজীবনে তিনি প্রচুর সাহিত্য রচনা করেছেন। বই আকারে আলাদা আলাদাভাবে প্রকাশিত হলে তিন থেকে চারশর কম হবে না।
অন্যান্য দেশের এসব লেখকদের তুলনায় হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও বাংলাদেশের সাহিত্যের হিসেবে তা বেশ বড় একটি সংখ্যা।
হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকৃত সংখ্যা জানতে স্ট্রিম থেকে তাঁর প্রধান প্রধান প্রকাশকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।
হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশ করেছে ‘অন্যপ্রকাশ’। এই প্রকাশনীর কর্ণধার মাজহারুল ইসলাম জানান, তাঁদের কাছে হুমায়ূন আহমেদের প্রায় ১১৭টি বই রয়েছে। তবে এটি সংকলন বা সমগ্রসহ। এসব বাদে তাঁর একক বইয়ের সংখ্যা সম্ভবত ৭৮টি। তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা তিনশর বেশি এটা ঠিক, তবে তা সংকলন, সমগ্র, শ্রেষ্ঠগল্প, বাছাই গল্প ইত্যাদিসহ।’

অন্যদিকে ‘কাকলী প্রকাশনী’তে হুমায়ূন আহমেদের মোট ৩৯টি বই রয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি মূলবই এবং বাকি ১০টি সংকলন বা সমগ্র। প্রকাশক এ কে নাছির আহমেদ সেলিম জানান, তাঁরা পরবর্তীতে কিছু উপন্যাস ও গল্প একত্রিত করে সমগ্রও প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশনা সংস্থা ‘অনন্যা’র কর্মী ফারুক হোসেনের মতে, সংকলন বা সমগ্র বাদে তাঁদের প্রকাশনীতে হুমায়ূন আহমেদের বই রয়েছে ২৫টি, আর সমগ্রসহ ৩৫টি। তাঁর ধারণা, সমগ্র বাদে হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা ২০০ থেকে ২৫০টির বেশি হবে না। তবে সমগ্রসহ হিসাব করলে এটি ৩৫০ ছাড়িয়ে যাবে।
জ্ঞানকোষ প্রকাশনীর প্রকাশক ওয়াসি তরফদার জানান, তাঁদের প্রকাশনী থেকে হুমায়ূন আহমেদের মূলবই প্রকাশিত হয়েছে ১৩টি এবং সমগ্রসহ মোট ২৪টি।
সময় প্রকাশনের প্রকাশক ফরিদ আহমেদ জানান, তাঁদের প্রকাশনীতে হুমায়ূন আহমেদের মোট ৩০টি বই রয়েছে, যার মধ্যে শ্রেষ্ঠ গল্প ও নাটকসমগ্রও অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য প্রকাশকেরাও সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে তাঁরা মনে করেন, সংকলন বই বাদ দিলে হুমায়ূন আহমেদের মোট বইয়ের সংখ্যা তিনশর কম হবে এবং সংকলনসহ তা তিনশ ছাড়িয়ে যাবে।
উইকিপিডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের সংখ্যা ৩৪৯টি। তবে এর মধ্যে সমগ্র, সংকলন এবং বাংলা থেকে অন্য ভাষায় অনূদিত বইগুলোও রয়েছে। এই অনূদিত ও সংকলিত বইগুলো বাদ দিলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২৪১টিতে। এই তালিকায় তাঁর অসমাপ্ত উপন্যাস ‘নবীজি’-র নামও যুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে কার্টুনিস্ট ও লেখক আহসান হাবীবের মতে, হুমায়ূন আহমেদের মূল একক বইয়ের সংখ্যা আসলে ৩০০টি। বিভিন্ন সংকলন, সমগ্র বা বাছাই লেখার হিসাব বাদ দিয়েই এই সংখ্যাটি ৩০০ হবে বলে তিনি মনে করেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও কথাসাহিত্যিক নাহিদা নাহিদের মতে, হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থসংখ্যা ২৪৪টি। হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থসংখ্যা ২৪৪। এর মধ্যে উপন্যাস ১৮৭টি, গল্পগ্রন্থ ২৬টি, নাটক ৪টি, আত্মজীবনী ২৪টি, কাব্যগ্রন্থ ১টি, প্রবন্ধ ১টি ও কোয়ান্টাম রসায়ন নামে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ১টি বই। মৃত্যুর পূর্বে ‘নবীজি’ নামে অপ্রকাশিত একটি উপন্যাসের কয়েক পৃষ্ঠা লিখেছেন তিনি এবং ‘দেয়াল’ নামে একটি অপ্রকাশিত উপন্যাস তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
নাহিদা নাহিদ আরও জানান, মৃত্যুর পূর্বে হুমায়ূন আহমেদ ‘নবীজি’ নামে একটি উপন্যাসের কাজ শুরু করেছিলেন এবং এর মাত্র কয়েক পৃষ্ঠা লিখতে পেরেছিলেন। এছাড়া তাঁর মৃত্যুর পর ‘দেয়াল’ নামের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য হুমায়ূন আহমেদের ওপর পিএইচডি করছেন নাহিদা নাহিদ।
বইয়ের পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য সৃষ্টিশীল কাজেরও একটি হিসাব দিয়েছেন তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হুমায়ূন আহমেদ ১১৩টি একক নাটক ও টেলিফিল্ম এবং ২০টি ধারাবাহিক নাটক রচনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি সিনেমা বানিয়েছেন ৭টি।
.png)

চিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক ‘আর্ট মিউজ
৫ মিনিট আগে
হলের বাসার টানা বারান্দায় বসে রাত জেগে কত লেখালেখি করেছি। গুলির শব্দে মাঝে মাঝে লেখায় যেমন বাধা পড়েছে তেমনি অন্যরকম ব্যাপারও ঘটেছে। হঠাৎ শোনা গেল–বাঁশি বাজছে। কাঁচা হাতের বাজনা না, বড়ই সুন্দর হাত। লেখালেখি বন্ধ করে বাঁশি শুনেছি।
৬ ঘণ্টা আগে
হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় চরিত্র মিসির আলি। জগতের নানা রহস্যের অন্তসারশূন্যতা প্রমাণ করাই তাঁর কাজ। তিনি যদি হিমু চরিত্রের রহস্য উন্মোচন করতে চাইতেন, তাহলে কীভাবে করতেন, সেই চেষ্টাই করা হয়েছে এই কাল্পনিক চিঠিতে।
৭ ঘণ্টা আগে
গ্রিক দেবতাদের আশীর্বাদ ও অভিশাপের এই গল্পগুলো এতটাই রোমাঞ্চকর যে সেগুলোতে আজও সারাবিশ্বের লাখো পাঠক বুঁদ হয়ে থাকেন। সে কারণেই হয়তো নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ নিয়ে এত মাতামাতি। গ্রিক মিথলজিতে আগ্রহী বা আসক্ত পাঠকগণ নোলানের ‘দ্য ওডিসিতে’ হয়তো নতুন স্বাদের সন্ধান পেতে পারেন।
১৭ ঘণ্টা আগে