স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে তিনজনকে মারধর, মোটরসাইকেল আটকে রেখে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) শাহবাগ থানায় আটজনের নামে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ের অন্তত ২০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম সাজিদ।
সাজিদের দাবি, তাদের ওপর হামলায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর, মাস্টার দ্য সূর্যসেন, সার্জেন্ট জহুরুল হক ও জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা। তাদের মধ্যে আল শামস, সাদমান সাকিব, হিরা রহমান, অভি রহমান, তামজিদ, শিব্বির আহমেদ, মাসরুর কামাল মাহিন ও সাইফুর রসুল পলাশ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া শিহাব, সানিয়াত শুভ, অমিত হাসান অমিকে ছবি দেখে শনাক্ত করার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারাও ঢাবি ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ তারা পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই রাতে ঢাবির ভিসি চত্বরে আড্ডা দিচ্ছিলেন ফারদিন খান, আব্দুর রহিম সাজিদ ও মোর্শেদ আহমেদ। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। একপর্যায়ে এক ভুক্তভোগীকে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন হামলাকারীরা।
মারধরের অভিযোগের বিষয় তারাও জেনেছেন। যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গনেশ চন্দ্র রায় ও নাহিদুজ্জামান শিপন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল শামস। সহযোগীদের নিয়ে তিনি মারধরের পর ফারদিনের কাছে মোটরসাইকেলের চাবি চান। দিতে না চাইলে ফারদিনকে পিটিয়ে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে নেন তারা।
একপর্যায়ে সাজিদকে ডেকে এনে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনের অন্ধকারে মারধর করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেওয়ার চেষ্টা করলে, কৌশলে দৌড়ে শাহবাগ থানায় আশ্রয় নেন সাজিদ। এরপর থানা-পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সিনিয়রের হস্তক্ষেপে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে আবার সাজিদকে ক্যাম্পাসে ডেকে এনে দ্বিতীয় দফায় বেধড়ক পেটান শামসরা। পরে তিনজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ১৪ মে একই স্থানে তাদের আটকে মারধর করে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছিলেন অভিযুক্তরা।
অভিযোগ অস্বীকার করে আল শামস বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আগে একটু ঝামেলা হয়েছিল, যা মীমাংসা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জোর করে তুলে নেওয়া কিংবা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’ বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে সানিয়াত শুভ, হীরা রহমান, অভি রহমান মারধরের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গনেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন জানিয়েছেন, মারধরের অভিযোগের বিষয় তারাও জেনেছেন। যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, ‘মোরাল পুলিশিং, ছিনতাই বা এই ধরনের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা পেলে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে তিনজনকে মারধর, মোটরসাইকেল আটকে রেখে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) শাহবাগ থানায় আটজনের নামে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ের অন্তত ২০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম সাজিদ।
সাজিদের দাবি, তাদের ওপর হামলায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর, মাস্টার দ্য সূর্যসেন, সার্জেন্ট জহুরুল হক ও জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা। তাদের মধ্যে আল শামস, সাদমান সাকিব, হিরা রহমান, অভি রহমান, তামজিদ, শিব্বির আহমেদ, মাসরুর কামাল মাহিন ও সাইফুর রসুল পলাশ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া শিহাব, সানিয়াত শুভ, অমিত হাসান অমিকে ছবি দেখে শনাক্ত করার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারাও ঢাবি ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ তারা পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই রাতে ঢাবির ভিসি চত্বরে আড্ডা দিচ্ছিলেন ফারদিন খান, আব্দুর রহিম সাজিদ ও মোর্শেদ আহমেদ। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। একপর্যায়ে এক ভুক্তভোগীকে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন হামলাকারীরা।
মারধরের অভিযোগের বিষয় তারাও জেনেছেন। যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গনেশ চন্দ্র রায় ও নাহিদুজ্জামান শিপন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল শামস। সহযোগীদের নিয়ে তিনি মারধরের পর ফারদিনের কাছে মোটরসাইকেলের চাবি চান। দিতে না চাইলে ফারদিনকে পিটিয়ে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে নেন তারা।
একপর্যায়ে সাজিদকে ডেকে এনে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনের অন্ধকারে মারধর করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেওয়ার চেষ্টা করলে, কৌশলে দৌড়ে শাহবাগ থানায় আশ্রয় নেন সাজিদ। এরপর থানা-পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সিনিয়রের হস্তক্ষেপে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে আবার সাজিদকে ক্যাম্পাসে ডেকে এনে দ্বিতীয় দফায় বেধড়ক পেটান শামসরা। পরে তিনজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ১৪ মে একই স্থানে তাদের আটকে মারধর করে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছিলেন অভিযুক্তরা।
অভিযোগ অস্বীকার করে আল শামস বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আগে একটু ঝামেলা হয়েছিল, যা মীমাংসা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জোর করে তুলে নেওয়া কিংবা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’ বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে সানিয়াত শুভ, হীরা রহমান, অভি রহমান মারধরের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গনেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন জানিয়েছেন, মারধরের অভিযোগের বিষয় তারাও জেনেছেন। যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, ‘মোরাল পুলিশিং, ছিনতাই বা এই ধরনের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা পেলে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গণভোট নিয়ে কোনো ধরনের 'ভাওতাবাজি' করা হলে দেশের জনগণ তার উপযুক্ত জবাব দেবে বলে সতর্ক করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশালে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটের রায় কার্যকর না করলে আমরা আগামীতে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। সেই কারণে প্রথমে বিভাগীয় সমাবেশ করছি, এরপর জেলায় জেলায় সমাবেশ হবে। পর্যায়ক্রমে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি আসবে। এমনকি সংবিধান সংশোধন নয়, নতুন সংবিধানের প্রস্তাবও উঠবে।
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে বেঈমানি করেছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থে জুলাই সনদে সই করলেও এখন তা বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে বিএনপি।
১৭ জুলাই ২০২৬
আমূল পরিবর্তনের বদলে বিএনপি সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কারের নয়, প্রয়োজনীয় সংশোধনের পক্ষে এবং জনগণের দেওয়া রায়ের ভিত্তিতেই সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৭ জুলাই ২০২৬