স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই মাঠে ফুটবলারদের পায়ে বারবার নজর কাড়ছে উজ্জ্বল গোলাপি রঙের বুট। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতেও এখন অনেক তারকার পায়ে দেখা যাচ্ছে এই বুট। গোলাপির এই জয়জয়কার পেছনে রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত কারণ।
সম্প্রতি ইয়াহু স্পোর্টস, বিবিসিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া বিশ্লেষণধর্মী গণমাধ্যম ফুটবলারদের মধ্যে গোলাপি বুট জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে সেসব কারণ তুলে ধরেছে।
একসময় ফুটবল বুট মানেই ছিল কালো রঙের একচ্ছত্র আধিপত্য। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ এবং দুই হাজারের দশকের শুরুতে কিছু খেলোয়াড় রঙিন বুট পরলেও তা ছিল ব্যতিক্রম। আধুনিক ফুটবল অবশ্য সেই রক্ষণশীলতা অনেক আগেই পেছনে ফেলেছে। এখন মাঠের সবুজ ঘাসের ওপর সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে উজ্জ্বল গোলাপি বুট।
সবুজ মাঠে কেন আলাদা গোলাপি
বিশেষজ্ঞদের মতে, গোলাপি বুট জনপ্রিয় হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ এর দৃশ্যমানতা। ‘কালার থিওরি’ অনুযায়ী, সবুজের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বৈপরীত্য তৈরি করে উজ্জ্বল গোলাপি। ফলে মাঠে খেলোয়াড়দের পায়ের নড়াচড়া সহজে চোখে পড়ে। ফ্লাডলাইটের আলো, টেলিভিশন সম্প্রচার কিংবা ডিজিটাল স্ক্রিন—সব ক্ষেত্রেই গোলাপি রং দ্রুত দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এটি বড় সুবিধা। এমন বিপরীতধর্মী রঙে লাখো দর্শকের সামনে তাদের ব্র্যান্ড ও পণ্যের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
গোলাপি যুদ্ধে বড় ব্র্যান্ডগুলো
চলতি বছর বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়া ব্র্যান্ডগুলো প্রায় একই সময়ে তাদের নতুন বাজারে আনা বুটের ডিজাইনের কেন্দ্রীয় রং হিসেবে গোলাপিকে বেছে নিয়েছে। এর মধ্যে, নাইকি তাদের আইকনিক বুট সিরিজে ব্যবহার করেছে গাঢ় গোলাপি শেড। অ্যাডিডাস এনেছে ‘সোলার টার্বো’ মডেলের গোলাপি রঙের বুট। পুমা বাজারে ছেড়েছে ‘পয়জন পিংক’ সংস্করণ। নিউ ব্যালেন্স ও স্কেচার্স এনেছে বিভিন্ন ‘পিংক’ থিমের নতুন মডেল। ফলে ফুটবল বুটের বাজারে এখন কার্যত চলছে ‘গোলাপি যুদ্ধ’।
ফ্যাশন, পরিচিতি ও ‘লাকি বুট’ তত্ত্ব
বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলাররা শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয় গুরুত্ব দেন ব্যক্তিগত স্টাইল ও ব্র্যান্ড পরিচিতিকেও। সেই জায়গায় গোলাপি বুট এখন আধুনিকতা ও আত্মপ্রকাশের প্রতীক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ২০০৮ সালে নাইকি প্রথম ‘মারকিউরিয়াল ভেপার রোসা’ নামে গোলাপি বুট বাজারে আনে। তখন আর্সেনালের নিকলাস বেন্ডটনার ও ফ্রান্সের ফ্রাঙ্ক রিবেরির মতো অল্প কয়েকজন খেলোয়াড় এটি ব্যবহার করতেন। শুরুতে কিছুটা সমালোচনা থাকলেও সময়ের সঙ্গে বদলে যায় এ চিত্র। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, মোহাম্মদ সালাহসহ একাধিক বিশ্বতারকা গোলাপি বুট পরে সাফল্য পান। এতে অনেক খেলোয়াড়ের মধ্যে গোলাপি ‘লাকি বুট’ এমন ধারণাও তৈরি হয়েছে।
শুধু বুট নয়, বৈশ্বিক ব্যবসার অংশ
গোলাপি বুটের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেয়, আধুনিক ফুটবল এখন আর শুধু ৯০ মিনিটের খেলায় সীমাবদ্ধ নেই। মাঠের প্রতিটি সরঞ্জাম এখন বৈশ্বিক বিপণন, ফ্যাশন ও ক্রীড়া-শিল্পের অংশ।
ফুটবলারদের পায়ে এখন হরহামেশাই দেখতে পাওয়া গোলাপি বুট শুধুই রঙের পরিবর্তন নয়, এটি আধুনিক ফুটবলের বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরেরও প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই মাঠে ফুটবলারদের পায়ে বারবার নজর কাড়ছে উজ্জ্বল গোলাপি রঙের বুট। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতেও এখন অনেক তারকার পায়ে দেখা যাচ্ছে এই বুট। গোলাপির এই জয়জয়কার পেছনে রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত কারণ।
সম্প্রতি ইয়াহু স্পোর্টস, বিবিসিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া বিশ্লেষণধর্মী গণমাধ্যম ফুটবলারদের মধ্যে গোলাপি বুট জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে সেসব কারণ তুলে ধরেছে।
একসময় ফুটবল বুট মানেই ছিল কালো রঙের একচ্ছত্র আধিপত্য। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ এবং দুই হাজারের দশকের শুরুতে কিছু খেলোয়াড় রঙিন বুট পরলেও তা ছিল ব্যতিক্রম। আধুনিক ফুটবল অবশ্য সেই রক্ষণশীলতা অনেক আগেই পেছনে ফেলেছে। এখন মাঠের সবুজ ঘাসের ওপর সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে উজ্জ্বল গোলাপি বুট।
সবুজ মাঠে কেন আলাদা গোলাপি
বিশেষজ্ঞদের মতে, গোলাপি বুট জনপ্রিয় হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ এর দৃশ্যমানতা। ‘কালার থিওরি’ অনুযায়ী, সবুজের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বৈপরীত্য তৈরি করে উজ্জ্বল গোলাপি। ফলে মাঠে খেলোয়াড়দের পায়ের নড়াচড়া সহজে চোখে পড়ে। ফ্লাডলাইটের আলো, টেলিভিশন সম্প্রচার কিংবা ডিজিটাল স্ক্রিন—সব ক্ষেত্রেই গোলাপি রং দ্রুত দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এটি বড় সুবিধা। এমন বিপরীতধর্মী রঙে লাখো দর্শকের সামনে তাদের ব্র্যান্ড ও পণ্যের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
গোলাপি যুদ্ধে বড় ব্র্যান্ডগুলো
চলতি বছর বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়া ব্র্যান্ডগুলো প্রায় একই সময়ে তাদের নতুন বাজারে আনা বুটের ডিজাইনের কেন্দ্রীয় রং হিসেবে গোলাপিকে বেছে নিয়েছে। এর মধ্যে, নাইকি তাদের আইকনিক বুট সিরিজে ব্যবহার করেছে গাঢ় গোলাপি শেড। অ্যাডিডাস এনেছে ‘সোলার টার্বো’ মডেলের গোলাপি রঙের বুট। পুমা বাজারে ছেড়েছে ‘পয়জন পিংক’ সংস্করণ। নিউ ব্যালেন্স ও স্কেচার্স এনেছে বিভিন্ন ‘পিংক’ থিমের নতুন মডেল। ফলে ফুটবল বুটের বাজারে এখন কার্যত চলছে ‘গোলাপি যুদ্ধ’।
ফ্যাশন, পরিচিতি ও ‘লাকি বুট’ তত্ত্ব
বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলাররা শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয় গুরুত্ব দেন ব্যক্তিগত স্টাইল ও ব্র্যান্ড পরিচিতিকেও। সেই জায়গায় গোলাপি বুট এখন আধুনিকতা ও আত্মপ্রকাশের প্রতীক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ২০০৮ সালে নাইকি প্রথম ‘মারকিউরিয়াল ভেপার রোসা’ নামে গোলাপি বুট বাজারে আনে। তখন আর্সেনালের নিকলাস বেন্ডটনার ও ফ্রান্সের ফ্রাঙ্ক রিবেরির মতো অল্প কয়েকজন খেলোয়াড় এটি ব্যবহার করতেন। শুরুতে কিছুটা সমালোচনা থাকলেও সময়ের সঙ্গে বদলে যায় এ চিত্র। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, মোহাম্মদ সালাহসহ একাধিক বিশ্বতারকা গোলাপি বুট পরে সাফল্য পান। এতে অনেক খেলোয়াড়ের মধ্যে গোলাপি ‘লাকি বুট’ এমন ধারণাও তৈরি হয়েছে।
শুধু বুট নয়, বৈশ্বিক ব্যবসার অংশ
গোলাপি বুটের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেয়, আধুনিক ফুটবল এখন আর শুধু ৯০ মিনিটের খেলায় সীমাবদ্ধ নেই। মাঠের প্রতিটি সরঞ্জাম এখন বৈশ্বিক বিপণন, ফ্যাশন ও ক্রীড়া-শিল্পের অংশ।
ফুটবলারদের পায়ে এখন হরহামেশাই দেখতে পাওয়া গোলাপি বুট শুধুই রঙের পরিবর্তন নয়, এটি আধুনিক ফুটবলের বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরেরও প্রতীক হয়ে উঠেছে।

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান কেইন উইলিয়ামসন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। প্রায় ১৬ বছরের ক্যারিয়ার এবং ৩৭৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের পর ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার অবসরের সিদ্ধান্ত নেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজের প্রথম ম্যাচ লর্ডস টেস্টই তার ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়ে রইল।
৩৯ মিনিট আগে
ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। শুক্রবার মেক্সিকোর গুয়াদালাজারা স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক সন হিউ-মিং কিংবা পিএসজি তারকা লি কাং-ইনরাদের একের পর এক আক্রমণে কঠিন পরীক্ষায় পড়েন চেক ডিফেন্ডাররা।
৪ ঘণ্টা আগে
সকাল দেখেই যদি দিন কেমন যাবে ধরে নেওয়া হয়, তবে এবার বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে লাল কার্ডের ছড়াছড়ি। উদ্বোধনী ম্যাচেই যে দেখা মিলেছে তিন তিনবার লাল কার্ডের। সেই ম্যাচে স্বাগতিক ম্যাক্সিকো অবশ্য তুলনামূলকভাবে বেশ সহজ জয়ই পেয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রাথমিক সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
২১ ঘণ্টা আগে