স্ট্রিম প্রতিবেদক

সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চেয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন। এসময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই প্রতিনিধিত্ব করা হয়। সঙ্গত কারণে দেশের ভাবমূর্তি, রপ্তানি সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। তবে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, খাদ্যপণ্য এবং সৌদি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে।
প্রবাসী কর্মীদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন। তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তি, পরিবার ও দেশ—সবাই উপকৃত হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে।
প্রতিনিধিদলের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন খাতে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, কোথায় নীতিগত সহায়তা দরকার এবং কোথায় আর্থিক বা খাতভিত্তিক সহযোগিতা দরকার—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে। বাস্তবসম্মত প্রস্তাব পেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
বৈঠকে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার জন্য বড় ধরনের রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ২০২৭ সালের মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।
প্রতিনিধিদল জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০, ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গ্রিন টেকনোলজি, পরিবেশ, মরুভূমি বনায়ন, কৃষি ও খাদ্য খাত এবং ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক অর্থায়নের মতো খাতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও খাতভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চেয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন। এসময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই প্রতিনিধিত্ব করা হয়। সঙ্গত কারণে দেশের ভাবমূর্তি, রপ্তানি সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। তবে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য, খাদ্যপণ্য এবং সৌদি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে।
প্রবাসী কর্মীদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন। তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তি, পরিবার ও দেশ—সবাই উপকৃত হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে।
প্রতিনিধিদলের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন খাতে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, কোথায় নীতিগত সহায়তা দরকার এবং কোথায় আর্থিক বা খাতভিত্তিক সহযোগিতা দরকার—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে। বাস্তবসম্মত প্রস্তাব পেলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
বৈঠকে সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবার জন্য বড় ধরনের রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ২০২৭ সালের মধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রপ্তানি ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।
প্রতিনিধিদল জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০, ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গ্রিন টেকনোলজি, পরিবেশ, মরুভূমি বনায়ন, কৃষি ও খাদ্য খাত এবং ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক অর্থায়নের মতো খাতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও খাতভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
.png)

উপযুক্ত সময় বা পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তবে দ্বিপাক্ষিক এ সফরের জন্য কোনো তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
যশোরের শার্শা উপজেলায় কামাল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই বাড়িতে তার দুই শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশু দুটিকে হত্যার পর তাদের বাবা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে-f8f097-256x144.webp)
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আগস্টে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে এই জেলায়। এক মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৩ জন।
২ ঘণ্টা আগে-05fcfe-256x144.webp)
মাদারীপুর সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের আল আকসা জামে মসজিদের ইমামের তালাবদ্ধ কক্ষে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কক্ষটির টিনের বেড়া ও চালার একাংশ উড়ে গেছে এবং ভেতরে থাকা আসবাব ও বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে-05fcfe-256x144.webp)