স্ট্রিম ডেস্ক

দেশে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের ৮৬ শতাংশই শাসনের নামে শারীরিক ও মানসিক শাস্তির শিকার হচ্ছে। এই শাস্তি কেবল শিশুর মনে ভয়ের উদ্রেক করছে না, বরং তাদের মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যকারিতায় স্থায়ী নেতিবাচক পরিবর্তন আনছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শাসনের এই সনাতন পদ্ধতি হিতে বিপরীত ফল দিচ্ছে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে শিশুদের ওপর সহিংসতার এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জরিপের আগের এক মাসের মধ্যে দেশের সিংহভাগ শিশু কোনো না কোনোভাবে শারীরিক শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত ‘করপোরাল পানিশমেন্ট অব চিলড্রেন: দ্য পাবলিক হেলথ ইম্প্যাক্ট’ শীর্ষক ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাস্তি শিশুর শরীরে হরমোনজনিত তীব্র মানসিক চাপ বা স্ট্রেস সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শাস্তির শিকার হওয়া শিশুদের সঠিক বিকাশের সম্ভাবনা সমবয়সীদের তুলনায় ২৪ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে তাদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং বড় হওয়ার পর মাদকাসক্তি বা অসামাজিক আচরণের ঝুঁকি তৈরি হয়।
শিশুদের ওপর শাস্তির অকার্যকারিতা ও নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে ‘শিশুরাই সব’-এর আহ্বায়ক লায়লা খন্দকার স্ট্রিমকে বলেন, ‘শিশুদের শাস্তি দেওয়া হলে তারা সাধারণত ভয় পেয়ে মা-বাবার নির্দেশ মেনে নেয়। কিন্তু কেন আচরণটি করতে হবে, তা তারা বুঝতে পারে না। তাই একই আচরণের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। এ কারণেই শিশুদের কিছু শেখানোর কৌশল হিসেবে শাস্তি একটি অকার্যকর পদ্ধতি।’
লায়লা খন্দকার আরও বলেন, মা-বাবার দায়িত্ব হলো শিশুদের ভালোবাসা এবং বয়স উপযোগী দিকনির্দেশনা দেওয়া। শিশুদের সামনে মা-বাবাকে নিজেদের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করার পরামর্শ দেন তিনি।
ইতিমধ্যে বিশ্বের ৭০টি দেশে শিশুদের সব ক্ষেত্রে শাস্তি দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে সুইডেন প্রথম দেশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়ে সফল হয়েছে। বাংলাদেশে ২০১১ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি নিষিদ্ধ করে একটি পরিপত্র জারি করা হলেও বাড়ি, কর্মক্ষেত্র ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এখনো চলছে।
শিশুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে ‘শিশুরাই সব’ কিছু সুপারিশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে শিশুদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। এ জন্য অবিলম্বে বাড়ি, বিদ্যালয় ও কর্মক্ষেত্রসহ সব জায়গায় শাস্তি নিষিদ্ধ করে একটি সমন্বিত আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মা-বাবা ও শিক্ষকদের মধ্যে ‘পজিটিভ প্যারেন্টিং’ বা ইতিবাচক লালন-পালন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তারা জোর দিয়েছে।

দেশে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের ৮৬ শতাংশই শাসনের নামে শারীরিক ও মানসিক শাস্তির শিকার হচ্ছে। এই শাস্তি কেবল শিশুর মনে ভয়ের উদ্রেক করছে না, বরং তাদের মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যকারিতায় স্থায়ী নেতিবাচক পরিবর্তন আনছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শাসনের এই সনাতন পদ্ধতি হিতে বিপরীত ফল দিচ্ছে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে শিশুদের ওপর সহিংসতার এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জরিপের আগের এক মাসের মধ্যে দেশের সিংহভাগ শিশু কোনো না কোনোভাবে শারীরিক শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত ‘করপোরাল পানিশমেন্ট অব চিলড্রেন: দ্য পাবলিক হেলথ ইম্প্যাক্ট’ শীর্ষক ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাস্তি শিশুর শরীরে হরমোনজনিত তীব্র মানসিক চাপ বা স্ট্রেস সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শাস্তির শিকার হওয়া শিশুদের সঠিক বিকাশের সম্ভাবনা সমবয়সীদের তুলনায় ২৪ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে তাদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং বড় হওয়ার পর মাদকাসক্তি বা অসামাজিক আচরণের ঝুঁকি তৈরি হয়।
শিশুদের ওপর শাস্তির অকার্যকারিতা ও নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে ‘শিশুরাই সব’-এর আহ্বায়ক লায়লা খন্দকার স্ট্রিমকে বলেন, ‘শিশুদের শাস্তি দেওয়া হলে তারা সাধারণত ভয় পেয়ে মা-বাবার নির্দেশ মেনে নেয়। কিন্তু কেন আচরণটি করতে হবে, তা তারা বুঝতে পারে না। তাই একই আচরণের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। এ কারণেই শিশুদের কিছু শেখানোর কৌশল হিসেবে শাস্তি একটি অকার্যকর পদ্ধতি।’
লায়লা খন্দকার আরও বলেন, মা-বাবার দায়িত্ব হলো শিশুদের ভালোবাসা এবং বয়স উপযোগী দিকনির্দেশনা দেওয়া। শিশুদের সামনে মা-বাবাকে নিজেদের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করার পরামর্শ দেন তিনি।
ইতিমধ্যে বিশ্বের ৭০টি দেশে শিশুদের সব ক্ষেত্রে শাস্তি দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে সুইডেন প্রথম দেশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়ে সফল হয়েছে। বাংলাদেশে ২০১১ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি নিষিদ্ধ করে একটি পরিপত্র জারি করা হলেও বাড়ি, কর্মক্ষেত্র ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এখনো চলছে।
শিশুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে ‘শিশুরাই সব’ কিছু সুপারিশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে শিশুদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। এ জন্য অবিলম্বে বাড়ি, বিদ্যালয় ও কর্মক্ষেত্রসহ সব জায়গায় শাস্তি নিষিদ্ধ করে একটি সমন্বিত আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মা-বাবা ও শিক্ষকদের মধ্যে ‘পজিটিভ প্যারেন্টিং’ বা ইতিবাচক লালন-পালন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তারা জোর দিয়েছে।

পানির যথাযথ ব্যবহারের জন্য সরকার খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, অতিবৃষ্টিতে যেন জলাবদ্ধতা না হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখা সম্ভব হয়, সেজন্য এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে জাল ভোট, বুথে টেম্পারিং এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে নজিরবিহীন বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল। সংগঠনটির দাবি, প্রতিটি ধাপে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়নি।
১০ মিনিট আগে
রাজধানীর ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
২ ঘণ্টা আগে
কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) অসুস্থ হয়ে মোহাম্মদ লাবলু মিয়া (৪২) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ মে) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে