স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে বাফানা বাফানারা। ২০১০ সালে নিজেদের আয়োজনে বিশ্বকাপে সবশেষ অংশ নিয়ে পরবর্তী টানা তিনটি আসরেই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০১০ এর বিশ্বকাপে খেলা সবশেষ ম্যাচে ম্যাক্সিকোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে ড্র করেছিল দলটি। এবার সেই ম্যাক্সিকোর মাঠেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণের এই দেশ।
১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা এখন পর্যন্ত এবারসহ চারবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে। এর আগে তিনবার বিশ্বমঞ্চে কোয়ালিফাই করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা কখনো নকআউট পর্বে যেতে পারেনি। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে দুই জয়ের বিপরীতে তারা তিন ম্যাচে পরাজয় বরণ করেছেন। ফিফা র্যাংঙ্কিয়ে ৬০তম পজিশনে অবস্থান করা দেশটি ‘বাফানা বাফানা’ নামে পরিচিত।
দেশটির প্রধান কোচ হিসেবে আছেন হুগো ব্রোস, যিনি একজন বেলজিয়ামের নাগরিক। এর আগে তিনি ক্যামেরুনের ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন।
বাছাইপর্বে তারা নাইজেরিয়ার মতো শক্তিকে পেছনে ফেলে দিয়ে সরাসরি মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে। আফ্রিকার বাছাইপর্বে সি গ্রুপ থেকে ১০ ম্যাচে পাঁচটিতে জয়ের বিপরীতে দুটিতে হার ও তিনটিতে ড্র করে। গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা বাছাইপর্বে গ্রুপে দ্বিতীয় পজিশনে অবস্থান করছিল। শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে রাওন্ডার বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে টেবিল টপার হয় দেশটি। তখন তাদের তাকিয়ে থাকতে হয় গ্রুপের বেনিন ও নাইজেরিয়ার ম্যাচে, যেখানে বেনিন জিতলেই তারা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতো। কিন্তু সেই ম্যাচে নাইজেরিয়া ৪-০ গোলে বেনিনকে পরাজিত করলে, নাইজেরিয়া ও বেনিনকে পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি কোয়ালিফাই করে।
গ্রুপ সি তে বাছাই পর্বের দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল ১৮ পয়েন্ট যেখানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকা নাইজেরিয়া ও বেনিনের ছিলো ১৭ পয়েন্ট।
নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে তাদের মোকাবিলা করতে হবে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক ম্যাক্সিকো, চেক প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে।
বিশ্বকাপে ১২ জুন মেক্সিকো, ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্র এবং ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এখন পর্যন্ত ২৬ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন লাইল ফস্টার। এই সেন্টার ফরওয়ার্ড বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল বার্নলিতে খেলছেন। বার্নলির হয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে তিনি ২৫ ম্যাচে তিন গোল ও দুই এসিস্ট করতে সক্ষম হয়েছেন।
পার্সি টাউ যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪৭ ম্যাচে ১৫ গোল করেছেন। এই রাইট উইঙ্গার বর্তমানে ভিয়েতনামের ক্লাব ‘থেপ জান নাম দিন এফসির’ হয়ে খেলছেন।
হুগো ব্রোস মূলত ৪-২-৩-১ ফরমেশনে দল সাজান।
গ্রুপ ‘এ’-তে মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়া অভিজ্ঞ দল। বাফানা বাফানারা যদি ১২ জুন মেক্সিকোর বিপক্ষে ভালো শুরু করতে পারে, তখন তাঁরাও পরবর্তী ম্যাচে কনফিডেন্স নিয়ে শুরু করতে পারবে। যার ফলে ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্র ও ২৫ জুন কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে সেই ইতিবাচক পারফরম্যান্স করতে পারলে তাঁরা নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেতে সক্ষম হবে।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে বাফানা বাফানারা। ২০১০ সালে নিজেদের আয়োজনে বিশ্বকাপে সবশেষ অংশ নিয়ে পরবর্তী টানা তিনটি আসরেই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০১০ এর বিশ্বকাপে খেলা সবশেষ ম্যাচে ম্যাক্সিকোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে ড্র করেছিল দলটি। এবার সেই ম্যাক্সিকোর মাঠেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণের এই দেশ।
১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা এখন পর্যন্ত এবারসহ চারবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে। এর আগে তিনবার বিশ্বমঞ্চে কোয়ালিফাই করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা কখনো নকআউট পর্বে যেতে পারেনি। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে দুই জয়ের বিপরীতে তারা তিন ম্যাচে পরাজয় বরণ করেছেন। ফিফা র্যাংঙ্কিয়ে ৬০তম পজিশনে অবস্থান করা দেশটি ‘বাফানা বাফানা’ নামে পরিচিত।
দেশটির প্রধান কোচ হিসেবে আছেন হুগো ব্রোস, যিনি একজন বেলজিয়ামের নাগরিক। এর আগে তিনি ক্যামেরুনের ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন।
বাছাইপর্বে তারা নাইজেরিয়ার মতো শক্তিকে পেছনে ফেলে দিয়ে সরাসরি মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে। আফ্রিকার বাছাইপর্বে সি গ্রুপ থেকে ১০ ম্যাচে পাঁচটিতে জয়ের বিপরীতে দুটিতে হার ও তিনটিতে ড্র করে। গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা বাছাইপর্বে গ্রুপে দ্বিতীয় পজিশনে অবস্থান করছিল। শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে রাওন্ডার বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে টেবিল টপার হয় দেশটি। তখন তাদের তাকিয়ে থাকতে হয় গ্রুপের বেনিন ও নাইজেরিয়ার ম্যাচে, যেখানে বেনিন জিতলেই তারা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতো। কিন্তু সেই ম্যাচে নাইজেরিয়া ৪-০ গোলে বেনিনকে পরাজিত করলে, নাইজেরিয়া ও বেনিনকে পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি কোয়ালিফাই করে।
গ্রুপ সি তে বাছাই পর্বের দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল ১৮ পয়েন্ট যেখানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকা নাইজেরিয়া ও বেনিনের ছিলো ১৭ পয়েন্ট।
নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে তাদের মোকাবিলা করতে হবে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক ম্যাক্সিকো, চেক প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে।
বিশ্বকাপে ১২ জুন মেক্সিকো, ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্র এবং ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এখন পর্যন্ত ২৬ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন লাইল ফস্টার। এই সেন্টার ফরওয়ার্ড বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল বার্নলিতে খেলছেন। বার্নলির হয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে তিনি ২৫ ম্যাচে তিন গোল ও দুই এসিস্ট করতে সক্ষম হয়েছেন।
পার্সি টাউ যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪৭ ম্যাচে ১৫ গোল করেছেন। এই রাইট উইঙ্গার বর্তমানে ভিয়েতনামের ক্লাব ‘থেপ জান নাম দিন এফসির’ হয়ে খেলছেন।
হুগো ব্রোস মূলত ৪-২-৩-১ ফরমেশনে দল সাজান।
গ্রুপ ‘এ’-তে মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়া অভিজ্ঞ দল। বাফানা বাফানারা যদি ১২ জুন মেক্সিকোর বিপক্ষে ভালো শুরু করতে পারে, তখন তাঁরাও পরবর্তী ম্যাচে কনফিডেন্স নিয়ে শুরু করতে পারবে। যার ফলে ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্র ও ২৫ জুন কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে সেই ইতিবাচক পারফরম্যান্স করতে পারলে তাঁরা নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে নক আউট পর্বে যেতে সক্ষম হবে।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত ক্রিকেট দল।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইনজুরি সমস্যার কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য টেস্ট দল গঠনে বেশ চ্যালেঞ্জ পোহাতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। সোমবার (২৭ জুলাই) মিরপুরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের প্রধান কোচ হিসেবে নতুন মিশনে দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। সোমবার (২৭ জুলাই) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শেষ হতেই ফিরছে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল। এরই মধ্যে জমে উঠেছে দলবদলের বাজার। রদ্রি, ভিনিসিউসসহ বড় তারকাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। নতুন মৌসুম সামনে রেখে দল গোছাতে ব্যস্ত শীর্ষ ক্লাবগুলো। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শুরু হবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের নতুন মৌসুম।
২৭ জুলাই ২০২৬