স্ট্রিম প্রতিবেদক
প্রস্তাবিত শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।
এহছানুল হক মিলন জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বড় শিক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা সম্পর্কিত আরও অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কেও শিক্ষা উন্নয়নে ১০৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করাও।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় প্রতিটি শিক্ষককে ট্যাব সরবরাহ করা হবে এবং ২৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলা হবে। এতে শিক্ষকেরা ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আনন্দময় শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে ৩০ হাজার শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে আরও ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, দেশের ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিআইএস (ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা) ম্যাপিং করা হবে, যাতে সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈষম্য চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা যায়। এ ছাড়া ১৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক এডুকেশন আইডি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।
এহছানুল হক মিলন জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বড় শিক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা সম্পর্কিত আরও অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কেও শিক্ষা উন্নয়নে ১০৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করাও।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় প্রতিটি শিক্ষককে ট্যাব সরবরাহ করা হবে এবং ২৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলা হবে। এতে শিক্ষকেরা ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আনন্দময় শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে ৩০ হাজার শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে আরও ২০ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, দেশের ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিআইএস (ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা) ম্যাপিং করা হবে, যাতে সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈষম্য চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা যায়। এ ছাড়া ১৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক এডুকেশন আইডি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
.png)

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে হামের টিকার লক্ষ্যমাত্রায় ৫৫ লাখ শিশুর ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১০৩ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়ার দাবি করলেও বিশেষজ্ঞদের মতে প্রকৃত হার ৭৬ শতাংশ।
১৭ মিনিট আগে
সারাদেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে শেরেবাংলা নগরে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।
৩১ মিনিট আগে
সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রাণনাশসহ নানা হুমকিধামকির পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ঢাকা স্ট্রিম কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কলাবাগান থানায় জিডি করার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের হেড অব কমিউনিকেশন এস. এম. মিনহাজুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার ফল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
১ ঘণ্টা আগে