স্ট্রিম প্রতিবেদক

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ নামে এই প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) একনেক সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রকল্পটি ২০২৯ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৪৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ চীনা অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৭৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
গত বছরের মার্চে চীন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা একটি উন্নত হাসপাতাল স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে তিনি এই প্রস্তাব দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে চীন দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়।
প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী সদরে ১০ তলা আধুনিক হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আবাসিক ভবন এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। এখানে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ ও ক্যানসারসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে। হাসপাতালে উন্নত আইসিইউ, সিসিইউ ও অপারেশন থিয়েটার থাকবে।
একনেক সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই হাসপাতাল শুধু অবকাঠামো নয়, এটি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসা পাবেন। এতে রংপুর ও ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, এই হাসপাতাল দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখবে। নেপাল ও ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এর ফলে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে।
প্রকল্পটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে প্রায় ৮৯৩ জন চিকিৎসক, ১ হাজার ১৯৭ জন নার্স এবং ১ হাজার ৪১০ জন অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এটি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উত্তরাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় ও দীর্ঘ ভ্রমণের ভোগান্তি কমাবে এই প্রকল্প।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে চিকিৎসকদের জন্য ১০ তলা ডরমেটরি ও কর্মচারীদের জন্য ১০ তলার দুটি পৃথক ভবন থাকবে। এ ছাড়া নার্সদের জন্য ছয় তলার দুটি ডরমেটরি ও একটি ডিরেক্টরস বাংলো নির্মাণ করা হবে।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ নামে এই প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) একনেক সভায় অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রকল্পটি ২০২৯ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৪৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ চীনা অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৭৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
গত বছরের মার্চে চীন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা একটি উন্নত হাসপাতাল স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে তিনি এই প্রস্তাব দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে চীন দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়।
প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী সদরে ১০ তলা আধুনিক হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আবাসিক ভবন এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। এখানে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ ও ক্যানসারসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে। হাসপাতালে উন্নত আইসিইউ, সিসিইউ ও অপারেশন থিয়েটার থাকবে।
একনেক সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই হাসপাতাল শুধু অবকাঠামো নয়, এটি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসা পাবেন। এতে রংপুর ও ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, এই হাসপাতাল দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখবে। নেপাল ও ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এর ফলে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে।
প্রকল্পটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে প্রায় ৮৯৩ জন চিকিৎসক, ১ হাজার ১৯৭ জন নার্স এবং ১ হাজার ৪১০ জন অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এটি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উত্তরাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় ও দীর্ঘ ভ্রমণের ভোগান্তি কমাবে এই প্রকল্প।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে চিকিৎসকদের জন্য ১০ তলা ডরমেটরি ও কর্মচারীদের জন্য ১০ তলার দুটি পৃথক ভবন থাকবে। এ ছাড়া নার্সদের জন্য ছয় তলার দুটি ডরমেটরি ও একটি ডিরেক্টরস বাংলো নির্মাণ করা হবে।

গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। নিহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিবারের নারী-শিশুসহ ১২ সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে রামপালের বেলাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গঠিত কমিটিগুলো হলো- সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি, সংসদ কমিটি, বিশেষ কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বৈঠক করে ছাত্র-জনতাকে ‘শেষ করে দেওয়ার’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য এসেছে।
৫ ঘণ্টা আগে