leadT1ad

ঘরে বসেই দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। স্ট্রিম গ্রাফিক

এখন থেকে করদাতারা ঘরে বসেই ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড কিংবা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি) ব্যবহার করে কর পরিশোধ করতে পারবেন। রিটার্ন দাখিলে কোনো কারিগরি সমস্যা হলে এনবিআরের কল সেন্টার এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যম থেকে সার্বক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যাবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতাদের ভোগান্তি কমাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ই-রিটার্ন সিস্টেম চালু করেছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, করযোগ্য আয় থাকলে টিআইএনধারীদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

‘নন-ফাইলাররা’ অটোমেটেড সিস্টেমে ধরা পড়বেন উল্লেখ করে গত ২৬ এপ্রিল এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় এক কোটি ২৮ হাজার ই-টিআইএনধারী রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ রিটার্ন জমা পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যারা রিটার্ন দেবেন না, ই-টিআইএন এবং ই-রিটার্ন ডাটাবেজের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের তালিকা তৈরি হবে। এই ‘নন-ফাইলারদের’ কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হবে।

এরপরও রিটার্ন জমা না দিলে পরিদর্শক গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আয়-ব্যয় হিসাব করবেন।

যেখানে জমা দেবেন

২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে করদাতাদের www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এই সিস্টেমে সাইন-ইন করার জন্য টিআইএন ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। নতুন ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটেই রেজিস্ট্রেশন করে পাসওয়ার্ড সেট করে নিতে পারবেন। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই করদাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্তি রসিদ বা একনলেজমেন্ট স্লিপ পেয়ে যাবেন।

জমাদানের প্রক্রিয়া

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো বাড়তি কাগজপত্র আপলোড বা স্ক্যান করে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু প্রয়োজনীয় দলিলাদির তথ্য সঠিকভাবে ইনপুট দিলেই হবে। যেমন— চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে গত বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের স্থিতি, সুদের তথ্য ও অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রদান করতে হবে।

যেসব তথ্যের প্রয়োজন হবে

বেতন খাতের আয়ের দলিল, সিকিউরিটিজের সুদ আয়ের সনদ, ভাড়ার চুক্তিপত্র, পৌরকরের রসিদ, বন্ধকি ঋণের সুদের সনদ এবং মূলধনি সম্পদের ক্রয়-বিক্রয় দলিলের তথ্য। এ ছাড়া শেয়ারের লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট এবং উৎসে কর কাটার সার্টিফিকেট। বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় পেতে চাইলে জীবনবিমার প্রিমিয়াম রসিদ, ভবিষ্য তহবিলের সনদ, সঞ্চয়পত্র বা শেয়ারে বিনিয়োগের প্রমাণপত্র, ডিপিএস কিস্তির সনদ, জাকাত তহবিল বা গোষ্ঠী বিমায় দেওয়া চাঁদার সনদ প্রয়োজন হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত