স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হয়েছে আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের ৬৬তম একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। ‘ফটোজিয়াম: লাইফ অব পোয়েট্রি’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুই প্রধান কবি শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদের অসংখ্য অদেখা মুহূর্তের ছবি।
গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই আয়োজনে নাসির আলী মামুনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দুই কবির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের নানা অজানা গল্প ফুটে উঠেছে।
প্রদর্শনীর ভিডিও বার্তায় নাসির আলী মামুন তাঁর আলোকচিত্রী হওয়ার শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করেন। সত্তরের দশকের স্টুডিওর কৃত্রিমতা ভেঙে কেন তিনি ‘পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি’ বেছে নিলেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে নাসির আলী মামুন বলেন, ‘সবাই একই রকম ছবি তোলে, একই কথা বলে। যেন ক্যামেরার সামনে এক-একটা রোবট। আমি তখন ভাবলাম, আমাকে এমন এক পথে যেতে হবে যেখানে কেউ পা রাখেনি।’
বাংলা সাহিত্যের দুই নক্ষত্র শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ ব্যক্তিগত জীবনে বন্ধু হলেও সময়ের পরিক্রমায় তাঁদের মধ্যে একধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। নাসির আলী মামুন জানান, তাঁদের মধ্যকার সেই সূক্ষ্ম বিভাজন ঘুচিয়ে দুই কিংবদন্তিকে এক ফ্রেমে আনাই ছিল তাঁর লক্ষ্য।
প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ১৯৮৫ সালে কলকাতায় তোলা দুই কবির ‘পিঠাপিঠি’ দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য। নাসির আলী মামুন সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমি তাঁদের বলেছিলাম পিঠাপিঠি হয়ে দাঁড়াতে। এটি তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের এক অদ্ভুত প্রতিফলন।’
এ ছাড়া ২০০৪ সালের অক্টোবরে শামসুর রাহমানের বাড়িতে ধারণ করা একটি ছবিতে দেখা যায়, আল মাহমুদ নামাজ পড়ছেন আর শামসুর রাহমান খাবার খাচ্ছেন। নাসির আলী মামুনের ভাষায়, ‘এই মুহূর্ত ছিল অভাবনীয়। যেন কবিতা এক মুক্ত আকাশে ডানা মেলেছিল।’
আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন মনে করেন, এই দুই কবি কেবল লেখক ছিলেন না, তাঁরা ছিলেন সময়ের দ্রষ্টা। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই দুই কবির আত্মিক টান আর বিবর্তন তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
ঢাকার ধানমন্ডিতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের এই প্রদর্শনীতে দুই কবির প্রায় ৬০টি আলোকচিত্র ও অপ্রকাশিত ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শিত হচ্ছে। আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হয়েছে আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের ৬৬তম একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। ‘ফটোজিয়াম: লাইফ অব পোয়েট্রি’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুই প্রধান কবি শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদের অসংখ্য অদেখা মুহূর্তের ছবি।
গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই আয়োজনে নাসির আলী মামুনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দুই কবির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের নানা অজানা গল্প ফুটে উঠেছে।
প্রদর্শনীর ভিডিও বার্তায় নাসির আলী মামুন তাঁর আলোকচিত্রী হওয়ার শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণা করেন। সত্তরের দশকের স্টুডিওর কৃত্রিমতা ভেঙে কেন তিনি ‘পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি’ বেছে নিলেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে নাসির আলী মামুন বলেন, ‘সবাই একই রকম ছবি তোলে, একই কথা বলে। যেন ক্যামেরার সামনে এক-একটা রোবট। আমি তখন ভাবলাম, আমাকে এমন এক পথে যেতে হবে যেখানে কেউ পা রাখেনি।’
বাংলা সাহিত্যের দুই নক্ষত্র শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ ব্যক্তিগত জীবনে বন্ধু হলেও সময়ের পরিক্রমায় তাঁদের মধ্যে একধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। নাসির আলী মামুন জানান, তাঁদের মধ্যকার সেই সূক্ষ্ম বিভাজন ঘুচিয়ে দুই কিংবদন্তিকে এক ফ্রেমে আনাই ছিল তাঁর লক্ষ্য।
প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ১৯৮৫ সালে কলকাতায় তোলা দুই কবির ‘পিঠাপিঠি’ দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য। নাসির আলী মামুন সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমি তাঁদের বলেছিলাম পিঠাপিঠি হয়ে দাঁড়াতে। এটি তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের এক অদ্ভুত প্রতিফলন।’
এ ছাড়া ২০০৪ সালের অক্টোবরে শামসুর রাহমানের বাড়িতে ধারণ করা একটি ছবিতে দেখা যায়, আল মাহমুদ নামাজ পড়ছেন আর শামসুর রাহমান খাবার খাচ্ছেন। নাসির আলী মামুনের ভাষায়, ‘এই মুহূর্ত ছিল অভাবনীয়। যেন কবিতা এক মুক্ত আকাশে ডানা মেলেছিল।’
আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন মনে করেন, এই দুই কবি কেবল লেখক ছিলেন না, তাঁরা ছিলেন সময়ের দ্রষ্টা। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই দুই কবির আত্মিক টান আর বিবর্তন তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
ঢাকার ধানমন্ডিতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের এই প্রদর্শনীতে দুই কবির প্রায় ৬০টি আলোকচিত্র ও অপ্রকাশিত ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শিত হচ্ছে। আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আগামী ৩ মে থেকে চলতি বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এবার ১৮ লাখ টন ধান-চাল ও ৫০ হাজার টন গম সংগ্রহ শুরু করবে সরকার।
১৪ মিনিট আগে
শিক্ষকেরা সবার প্রবেশপত্র দিলেও, কিছুক্ষণ পরে জান্নাতুল জানতে পারে, তার প্রবেশপত্র আসেনি।
২৯ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া সীমান্তবর্তী হরিপুর এলাকায় টহলরত নৌপুলিশের একটি টিমের ওপর দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে ঘটা এই ঘটনায় লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
৩৭ মিনিট আগে
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সিএনজি ও কলাবাহী একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ সাতজন আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের তন্তর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগকেন্দ্রের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে