স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের দিকে আসছেন। ভোট শুরুর আগে সকাল ৭টা থেকেই রাজশাহী নগরের স্যাটেলাইট টাউন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারদের লাইন দেখা যায়। একইভাবে ৭টা থেকে রাজশাহীর শহীদ নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে পুরুষ ভোটারদের লাইন দেখা যায়।
নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভোটার নূরুল ইসলাম (৬৬)। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবারই সকাল সকাল ভোট দিই। ভোট দিয়ে নিজের কাজে যাই।’
পাশেই আরেক ভোটার আহসান হাবিব বলেন, ‘আমিও কাজের মানুষ। ভোট দেওয়া দায়িত্ব। সকাল সকাল ভোট দিয়ে কাজে চলে যাব। এবার ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ আগেরবারের চেয়ে সুন্দর আছে।’
ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতবার ইভিএমে ভোট দিয়েছিলাম। কার ভোট কে পেয়েছে জানি না। এবার ব্যালটে ভোট। আশা করি এবার সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে।’
কেন্দ্রের সামনেই ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ। তিনি বলেন, ‘রাতে নানারকম ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ মানুষ এসব আশা করে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ভোট হোক। আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দেব। অন্যরাও যেন সহনশীল আচরণ করেন।’
সকাল সাড়ে ৭টায় কেন্দ্রের ফটক খোলা হলেই ভোটাররা ভেতরে ঢুকে লাইনে দাঁড়িয়ে যান। এরপর তারা একে একে ভোট দিতে ভোটকক্ষের ভেতরে প্রবেশ করেন। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি রাতে ভোটকেন্দ্রেই ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক আছে। আশা করি সুন্দরভাবে সবকিছু শেষ হবে।’
রাজশাহীতে সংসদীয় আসন ছয়টি। ছয় আসনে মোট প্রার্থী ৩১ জন। ভোটের মাঠে শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এ দুই দলের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।
এরমধ্যে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন ও জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান; রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু ও জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর; রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন ও জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের ডা. আব্দুল বারী সরদার; রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও জামায়াতের নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ ও জামায়াতের নাজমুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৯১ হাজার ২০১ জন। এরমধ্যে নারী ১১ লাখ ৫২ হাজার ৫০৮ জন। আর পুরুষ ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৩৭ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২৮ জন। জেলার ৯টি উপজেলা ও মহানগরে সবমিলিয়ে ৭৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের দিকে আসছেন। ভোট শুরুর আগে সকাল ৭টা থেকেই রাজশাহী নগরের স্যাটেলাইট টাউন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারদের লাইন দেখা যায়। একইভাবে ৭টা থেকে রাজশাহীর শহীদ নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে পুরুষ ভোটারদের লাইন দেখা যায়।
নজমুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভোটার নূরুল ইসলাম (৬৬)। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবারই সকাল সকাল ভোট দিই। ভোট দিয়ে নিজের কাজে যাই।’
পাশেই আরেক ভোটার আহসান হাবিব বলেন, ‘আমিও কাজের মানুষ। ভোট দেওয়া দায়িত্ব। সকাল সকাল ভোট দিয়ে কাজে চলে যাব। এবার ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ আগেরবারের চেয়ে সুন্দর আছে।’
ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতবার ইভিএমে ভোট দিয়েছিলাম। কার ভোট কে পেয়েছে জানি না। এবার ব্যালটে ভোট। আশা করি এবার সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে।’
কেন্দ্রের সামনেই ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ। তিনি বলেন, ‘রাতে নানারকম ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ মানুষ এসব আশা করে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ভোট হোক। আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দেব। অন্যরাও যেন সহনশীল আচরণ করেন।’
সকাল সাড়ে ৭টায় কেন্দ্রের ফটক খোলা হলেই ভোটাররা ভেতরে ঢুকে লাইনে দাঁড়িয়ে যান। এরপর তারা একে একে ভোট দিতে ভোটকক্ষের ভেতরে প্রবেশ করেন। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি রাতে ভোটকেন্দ্রেই ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক আছে। আশা করি সুন্দরভাবে সবকিছু শেষ হবে।’
রাজশাহীতে সংসদীয় আসন ছয়টি। ছয় আসনে মোট প্রার্থী ৩১ জন। ভোটের মাঠে শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এ দুই দলের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।
এরমধ্যে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন ও জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান; রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু ও জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর; রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন ও জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের ডা. আব্দুল বারী সরদার; রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও জামায়াতের নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ ও জামায়াতের নাজমুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৯১ হাজার ২০১ জন। এরমধ্যে নারী ১১ লাখ ৫২ হাজার ৫০৮ জন। আর পুরুষ ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৩৭ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২৮ জন। জেলার ৯টি উপজেলা ও মহানগরে সবমিলিয়ে ৭৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

চুয়াডাঙ্গায় ৭৯ হাজার টাকাসহ ওয়ার্ড জামায়াতের আমির শরীফ জিসান আটক হয়েছেন। পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের রিজিয়া খাতুন প্রভাতী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
৭ মিনিট আগে
নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ভোটের সার্বিক পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে খুলনা-৫ আসনের পশ্চিম শিরোমণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি ভোট দেন। এ আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী।
১৫ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বানীগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ভোট দেন ১১৫ বছরে ধর্মরাজ দে। বানীগ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ধর্মরাজ দে ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে সহজ ভাষায় বলেন, ‘ভোট দিছি। কেউ কিছু বলে নাই আমারে। আমার মতো দিছি।’
৩৩ মিনিট আগে
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আমরা গত দেড় বছর ধরে এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। আজকে আলহামদুলিল্লাহ সেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে তিনি একথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে