মাহবুবুল আলম তারেক

সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়। এই বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে মুসল্লিদের ঢল নামে। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে এখানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্ট্রিম প্রতিবেদক কয়েকজন মুসল্লির সঙ্গে কথা বলেছেন। মুসল্লিরা জানান, এবার তারা নিজেদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি দেশের জন্য, মুসলিম উম্মাহর জন্য এবং বিশেষ করে ইরান ও ফিলিস্তিনের জন্য দোয়া করেছেন।

পুরান ঢাকা থেকে আসা ফাহিম নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘এবার সবকিছু ভালো ছিল, তবে কিছু কিছু রাস্তা বন্ধ রাখায় অসুবিধা হয়েছে। তার মতে, গত বছর সবদিকে খোলামেলা ছিল তাই গাদাগাদি করে প্রবেশ করতে হয়নি।’
আকরাম সাঈদ নামে এক সরকারি কর্মচারী জানান, তিনি গত ১৫-১৬ বছর ধরে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসেন। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীও ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসায় তার মধ্যে অনেক উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করেছ।
তিনি আরও বলেন, ‘নামাজ শেষে এখন যমুনায় যাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সাধারণ মানুষের প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক মনে হয়েছে।’
আব্দুল্লাহ আল হোসাইন নামের আরেক মুসল্লি বলেন, ‘এবার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ঘাটতি ছিল বলে মনে হয়। কারণ লাইনে প্রায় ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। প্রবেশ পথেও গাদাগাদি হয়েছে।’ তবে অতীতের কয়েক বছরের চেয়ে এবার মানুষ বেশি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবার যেভাবে পুরো ঈদগাহ ময়দানজুড়ে, একেবারে শেষ মাথা পর্যন্ত তেরপল টানানো হয়েছে; এটা অনেক ভালো হয়েছে। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।’
পুলিশে কর্মরত মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ডিউটি না থাকায় জামাতে নামাজ পড়তে এসেছি। এবার প্রবেশ পথে একটু ঝামেলা হয়েছে, কারণ প্রবেশ পথের সংখ্যা কম ছিল। তবে এবার মানুষও হয়েছে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। আর মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও বেশি দেখা গেছে।’
পোশায় ব্যবসায়ী খন্দকার রুবেল বলেন, ‘ব্যবস্থাপনা ভালো ছিল। দেশে ইনসাফ ও শান্তির জন্য দোয়া করেছি। আমরা অনেকেই নামাজের আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আশা করেছিলাম। তিনি ছোট একটি ভাষণ দিলে ভালো হতো। গতবার যেভাবে ড. ইউনুসও নামাজের আগে কথা বলেছিলেন।’
মো. জসিম উদ্দীন নামে এক মুসল্লি বলেন, ‘এবার দেশ একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাওয়ায়, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে এসেছেন।’

এবার নারী মুসল্লিদেরও ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। পেশায় মাইক্রোবায়োলজিস্ট জেরিন নামের এক নারী বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার অনেক বেশি নারীরা ঈদের জামাতে এসেছেন। নিরাপত্তা ভালো ছিল। গতবার ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে না পারলেও, এবার পেরেছি। এবার আমাদের মধ্যে ভয়ও কম ছিল।’

তান্না নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে এসেছি। দেশে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে আসায় আমরা জাতীয় ঈদগাহে এসেছি নামাজ পড়তে। আমরা বান্ধবীরা কয়েকজন মিলে এসেছি।’
মাহি নামের আরেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি বাবার সঙ্গে জাতীয় ইদগাহে প্রায়ই নামাজ পড়তে আসতাম। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় এবার আরও উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এসেছি। এবার নারীদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। তাই আমরা ঈদগাহের ভেতরে নামাজ পড়ার জায়গা পাইনি।’

সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়। এই বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে মুসল্লিদের ঢল নামে। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে এখানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্ট্রিম প্রতিবেদক কয়েকজন মুসল্লির সঙ্গে কথা বলেছেন। মুসল্লিরা জানান, এবার তারা নিজেদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি দেশের জন্য, মুসলিম উম্মাহর জন্য এবং বিশেষ করে ইরান ও ফিলিস্তিনের জন্য দোয়া করেছেন।

পুরান ঢাকা থেকে আসা ফাহিম নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘এবার সবকিছু ভালো ছিল, তবে কিছু কিছু রাস্তা বন্ধ রাখায় অসুবিধা হয়েছে। তার মতে, গত বছর সবদিকে খোলামেলা ছিল তাই গাদাগাদি করে প্রবেশ করতে হয়নি।’
আকরাম সাঈদ নামে এক সরকারি কর্মচারী জানান, তিনি গত ১৫-১৬ বছর ধরে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসেন। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীও ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসায় তার মধ্যে অনেক উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করেছ।
তিনি আরও বলেন, ‘নামাজ শেষে এখন যমুনায় যাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সাধারণ মানুষের প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক মনে হয়েছে।’
আব্দুল্লাহ আল হোসাইন নামের আরেক মুসল্লি বলেন, ‘এবার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ঘাটতি ছিল বলে মনে হয়। কারণ লাইনে প্রায় ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। প্রবেশ পথেও গাদাগাদি হয়েছে।’ তবে অতীতের কয়েক বছরের চেয়ে এবার মানুষ বেশি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবার যেভাবে পুরো ঈদগাহ ময়দানজুড়ে, একেবারে শেষ মাথা পর্যন্ত তেরপল টানানো হয়েছে; এটা অনেক ভালো হয়েছে। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।’
পুলিশে কর্মরত মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ডিউটি না থাকায় জামাতে নামাজ পড়তে এসেছি। এবার প্রবেশ পথে একটু ঝামেলা হয়েছে, কারণ প্রবেশ পথের সংখ্যা কম ছিল। তবে এবার মানুষও হয়েছে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। আর মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও বেশি দেখা গেছে।’
পোশায় ব্যবসায়ী খন্দকার রুবেল বলেন, ‘ব্যবস্থাপনা ভালো ছিল। দেশে ইনসাফ ও শান্তির জন্য দোয়া করেছি। আমরা অনেকেই নামাজের আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আশা করেছিলাম। তিনি ছোট একটি ভাষণ দিলে ভালো হতো। গতবার যেভাবে ড. ইউনুসও নামাজের আগে কথা বলেছিলেন।’
মো. জসিম উদ্দীন নামে এক মুসল্লি বলেন, ‘এবার দেশ একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাওয়ায়, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে এসেছেন।’

এবার নারী মুসল্লিদেরও ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। পেশায় মাইক্রোবায়োলজিস্ট জেরিন নামের এক নারী বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার অনেক বেশি নারীরা ঈদের জামাতে এসেছেন। নিরাপত্তা ভালো ছিল। গতবার ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে না পারলেও, এবার পেরেছি। এবার আমাদের মধ্যে ভয়ও কম ছিল।’

তান্না নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে এসেছি। দেশে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে আসায় আমরা জাতীয় ঈদগাহে এসেছি নামাজ পড়তে। আমরা বান্ধবীরা কয়েকজন মিলে এসেছি।’
মাহি নামের আরেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি বাবার সঙ্গে জাতীয় ইদগাহে প্রায়ই নামাজ পড়তে আসতাম। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় এবার আরও উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এসেছি। এবার নারীদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। তাই আমরা ঈদগাহের ভেতরে নামাজ পড়ার জায়গা পাইনি।’

বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তারেক রহমান। আজ শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
৩৬ মিনিট আগে
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার(২১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।
১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য ‘ঈদ আনন্দ মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
১ ঘণ্টা আগে