ইবোলা ছড়াচ্ছে কঙ্গোর আশেপাশেও, নিহত বেড়ে ২২০

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ১১: ২৬
কঙ্গোতে এ পর্যন্ত ৯০০-র বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানায় ডব্লিউএইচও। ছবি: সংগৃহীত

ইবোলা প্রাদুর্ভাবে সন্দেহভাজন মৃত্যু ২২০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক (ডব্লিউএইচও) টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। তিনি বলেন, রোগ শনাক্তে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খবর আল জাজিরা।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক বলেন, আমরা জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম বাড়িয়েছি। কিন্তু এই মুহূর্তে মহামারি আমাদের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কঙ্গোর প্রতিবেশী দেশগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সোমবার উগান্ডা আরও দুটি ইবোলা আক্রান্তের তথ্য জানায়। ফলে দেশটিতে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

গত রোববার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় নজরদারি জোরদারের ফলে এখন পর্যন্ত ৯০০ জনের বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

ইবোলা একটি ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। এর ফলে তীব্র রক্তক্ষরণ, অঙ্গ বিকলসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। এখনো এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই।

সম্প্রতি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশ থেকে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এটি পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে।

গত সপ্তাহে ডব্লিউএইচও বিরল বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে ‘জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে। এর পর থেকে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো ও উগান্ডার বিভিন্ন শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

উগান্ডার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সোমবার জানায়, নতুন শনাক্ত হওয়া দুই আক্রান্তই রাজধানী কাম্পালার একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী। তারা দুজনই উগান্ডার নাগরিক।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত