বেহাল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ভবন আছে, প্রাণ নেই

সারা দেশে ১১০ কেন্দ্রের বেশির ভাগের কার্যক্রম যেখানে চলছে খুঁড়িয়ে, সেখানে সরকারের আরও ৫০টি নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ২২: ০১
স্ট্রিম গ্রাফিক

চালুর দুই বছরেও প্রশিক্ষক পায়নি পটুয়াখালীর ‘দশমিনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’। সাত আউটসোর্সিং প্রশিক্ষক দিয়ে ঢিমেতালে চলছে কার্যক্রম। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় প্রায় অকেজো কোটি টাকার আধুনিক সরঞ্জাম।

এই চিত্র শুধু পটুয়াখালীর নয়। বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ১১০টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার-টিটিসি) বেশির ভাগেরই অবস্থা করুণ। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, প্রশিক্ষক ও আধুনিক সরঞ্জামের সংকট প্রকট। কোথাও কোথাও খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী প্রশিক্ষক দিয়ে প্রশিক্ষণ চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। কোথাও আবার প্রকল্প শেষে গুটিয়ে গেছে কার্যক্রম।

এমন বাস্তবতার মধ্যে সরকার আরও ৫০টি নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, বিদ্যমান কেন্দ্রগুলো যেখানে অকার্যকর, সেখানে নতুন নির্মাণ কতটা যৌক্তিক? অভিবাসন ও প্রশিক্ষণ খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন সময়ে বড় বড় প্রকল্পের মাধ্যমে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলেও জনবল ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে অবকাঠামো দাঁড়ালেও কার্যকর প্রশিক্ষণব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

এ বিষয়ে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রগুলোতে যে জনবল দরকার, তার অর্ধেকও পূরণ করতে পারেনি সরকার। এমনকি নতুন কেন্দ্রে দুয়েকজন জনবল নিয়োগ করা হলেও, সংকট কমেনি। এমনকি পাহারার জন্য দারোয়ান পর্যন্ত নেই।’ তিনি বলেন, ‘শুধু জনবল নয়, প্রশিক্ষণের মানও তলানিতে। যারা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, তাদের বড় অংশ দক্ষ নন। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরাও গড়ে উঠতে পারছেন না।’

সংকটের কথা স্বীকার করেছেন বিএমইটির প্রশিক্ষণ শাখার কর্মকর্তারাও। তবে এর জন্য ‘বাজেট স্বল্পতাকে’ দুষছেন তারা। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বাজেট স্বল্পতার কারণে না হচ্ছে প্রশিক্ষক নিয়োগ, না হচ্ছে আধুনিক সরঞ্জামাদি ক্রয়। এ বিষয়ে বিএমইটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের রাজস্ব বাজেটে গত তিন বছর ধরে তেমন কোনো বরাদ্দ ছিল না। এর আগে যন্ত্রপাতি কেনার জন্য কোনো বরাদ্দই দেওয়া হয়নি। এ বছর যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা এবং ভবন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এই টাকা দিয়ে ১১০টি প্রতিষ্ঠানে আধুনিক যন্ত্রপাতি দেওয়া সম্ভব নয়। টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিচালন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।’

বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) আশরাফ হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের আমলে যত আইন করা হয়েছিল, হাইকোর্ট তা বাতিল করে দিয়েছিলেন। সেই আলোকে ১৯৮৪ সালের বিধিমালা বাতিল হয়ে যায়। এরপর আমাদের নিয়োগ বিধিমালা বা বিভিন্ন পদের সমন্বয় নিয়ে ১৯৯৬ সালে একটি সিভিল মামলা হয়। সেই মামলাটি গত মাসে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সুরাহা হয়েছে, যার কারণে আমাদের অনেক পদ শূন্য ছিল। আইন বাতিল এবং মামলার কারণে আমরা কোনো নিয়োগ দিতে পারিনি।’

আশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন নিয়োগ বিধিমালা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেখানে ভেটিং চলছে। আশা করছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।’

সরেজমিন ফুটে ওঠে তলানির দৃশ্য

বিএমইটির তথ্যে, ১৯৪২ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। রাজধানীর দারুস সালামে প্রতিষ্ঠানটিতে গত ৮৪ বছরে ২৫ লাখের বেশি প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এমন পুরোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও প্রশিক্ষক ও আধুনিক সরঞ্জামের অভাব পাওয়া গেছে।

গত ১০ মে সরেজমিনে দেখা যায়, চারতলা ভবনের এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নিচ তলায় তিন দিনের ওরিয়েন্টেশন কোর্সসহ অন্তত ২৩টি বেসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। দ্বিতীয় তলায় গার্মেন্টসের সুইং মেশিন অপারেশনসহ জাপানিজ, কোরিয়ান ও জার্মান ভাষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তৃতীয় তলায় হাউজকিপিং ও হোটেল ম্যানেজমেন্টের প্রশিক্ষণ, চতুর্থ তলায় কম্পিউটার অপারেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্টের প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে।

কেন্দ্রে ৩০ থেকে ৩৫টি কোর্সে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও, প্রশিক্ষক মাত্র ২০। জনবলের ঘাটতির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরঞ্জামেরও অভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী লুৎফর রহমান। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে সবগুলো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রশিক্ষক নেই। আমরা স্থায়ী অনেক প্রশিক্ষকের কাজ খণ্ডকালীন লোক দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছি।’

সরঞ্জামের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে যেভাবে আপডেট যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, সেগুলো কম রয়েছে। আমরা যন্ত্রপাতি পাচ্ছি। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় কম।’

একই চিত্র মিরপুর-২– এ বাংলাদেশ-জার্মান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। এখানে ৩০ প্রশিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান এক ইন্সট্রাক্টর। নাম প্রকাশ না করা শর্তে তিনি বলেন, এখানে স্থায়ী প্রশিক্ষক ৪৫, খণ্ডকালীন ১৬ জন। পরিপূর্ণ কোর্স করতে আরও ৩০ জনের মতো প্রশিক্ষক প্রয়োজন। আমরা সর্বশেষ ২০২৪ সালে ওয়েল্ডিংয়ের কিছু সরঞ্জাম কিনতে পেরেছি। এরপর আর বরাদ্দ আসেনি।

রংপুরের পীরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের চিত্র ভয়ানক। গত আড়াই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি টিকে আছে মাত্র একটি প্রজেক্টে ভর করে। অথচ সেখানে সাতটি কোর্স নেওয়ার মতো সরঞ্জামাদি রয়েছে। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়া বলেন, ‘এখানে ১৪ প্রশিক্ষক আছেন, যার মধ্যে ১১ জনই অ্যাসেট প্রকল্পের। তারা ৩০ জুনের পর থাকবেন না। অর্থাৎ ৩০ জুনের পর অচল হয়ে যাবে এই টিটিসি।’

ঢাকার বাইরের চিত্র আরও করুণ

ফেনী সদরের পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাশিমপুরে অবস্থিত ‘ফেনী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’। গত ৪ বছর ৭ মাস ধরে প্রতিষ্ঠানটি চলমান থাকলেও দক্ষ প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জায়গার স্বল্পতা ও পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের এখানে বর্তমানে ১৭ প্রশিক্ষক আছেন। এর মধ্যে মাত্র দুজন স্থায়ী। আর যে মেশিনগুলো প্রশিক্ষণের জন্য আনা হয়েছিল, সেগুলোর বেশির ভাগই সচল নেই। আমরা এগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি। তবে বাজেটের স্বল্পতার কারণে প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে।’

পটুয়াখালীর দশমিনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংকট নিয়ে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রশিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি সামনে এগোতে পারছে না। বহু আধুনিক যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মাঝেও এ বিষয়ে কাজ করার উৎসাহ কম দেখা যাচ্ছে।’

রংপুরের পীরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের চিত্র ভয়ানক। গত আড়াই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি টিকে আছে মাত্র একটি প্রজেক্টে ভর করে। অথচ সেখানে সাতটি কোর্স নেওয়ার মতো সরঞ্জামাদি রয়েছে। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়া বলেন, ‘এখানে ১৪ প্রশিক্ষক আছেন, যার মধ্যে ১১ জনই অ্যাসেট প্রকল্পের। তারা ৩০ জুনের পর থাকবেন না। অর্থাৎ ৩০ জুনের পর অচল হয়ে যাবে এই টিটিসি।’

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বন্ধ পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৬ মে কেন্দ্রের প্রজেক্ট শেষ হয়েছে। এরপর প্রশিক্ষকরাও চলে গেছেন। কেন্দ্রের অধ্যক্ষ আবদুর রহিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের এখানে সরকারি কোনো প্রশিক্ষক নেই। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি ট্রেডে ১০ প্রশিক্ষক ছিলেন। তারা গত ১৬ মে প্রকল্প শেষ হওয়ার পর চলে গেছেন। অভিজ্ঞতা-সম্পন্ন প্রশিক্ষক না দিলে কেন্দ্র চালু করা সম্ভব নয়।’

কেন্দ্রগুলোর চিত্র তুলে ধরলে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিককর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি দেশের সব টিটিসির বাস্তব অবস্থা সবিস্তারে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছি। রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নতুন হচ্ছে আরও ৫০ কেন্দ্র

সরকার উপজেলা পর্যায়ে নতুন করে আরও ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করার উদ্যোগ নিয়েছে। ৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এরই মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ৫০ টিটিসির প্রকল্প পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘আমাদের জমি শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ছয়টি জমি অধিগ্রহণ শেষ হয়েছে। আর কনস্ট্রাকশনের জন্য তিনটি দরপত্র হয়েছে।’

তবে এখন কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রয়োজন ছিল না বলে জানিয়েছেন ড. তাসনিম সিদ্দিকী। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার প্রয়োজন নেই। যেগুলো আছে, সেগুলো কার্যকর করা জরুরি। নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও দিনশেষে গরু-ছাগল চরে।’

মান উন্নয়নে পিপিপির প্রস্তাবনা

দেশে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে প্রায় কয়েক হাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। তবে বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঠিক সংখ্যা সরকারের দপ্তর ঘুরেও জানতে পারেনি স্ট্রিম। কোথাও ১ হাজার, আবার কোথাও ৫ হাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য পাওয়া গেছে।

এমন গরমিলে ‘পাখির বাসার মতো’ কেন্দ্র গড়ে ওঠাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, অধিকাংশ বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হচ্ছে নিয়ম না মেনে। কোনো ভবনের একটি তলা ভাড়া নিয়েই শুরু হচ্ছে কার্যক্রম। তবে এসব কেন্দ্রে বিদেশের চেয়ে দেশি কর্মসংস্থানের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়।

কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরে বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর জন্য জনশক্তি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের ৬০টির মতো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এখানে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে এই কেন্দ্রগুলোও সরকারি সহায়তা পেলে আরও বেশি দক্ষ কর্মী তৈরি করতে পারতো বলে মনে করে জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মধ্যে সব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিয়ে আসা উচিত।

এ বিষয়ে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো সরকার নিজের মতো বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত করছে। আবার আমরাও আমাদের মতো প্রতিষ্ঠিত করছি। তবে সরকারি ও বেসরকারি সব কেন্দ্রকেই পিপিপির আওতায় নিয়ে আসা উচিত। তাহলে আরও দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।’

(প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন রংপুর, সিলেট, ফেনী ও পটুয়াখালীর সংবাদদাতা)

সম্পর্কিত