স্ট্রিম সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ এবং দরবারপ্রধান আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পর দেশের জনপ্রিয় বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাড়ির সামনে ১০ জন পুলিশ সদস্যকে পাহারা দিতে দেখা গেছে।
ছড়িয়ে পড়া যে পুরনো ভিডিওকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটে, তাতে বাউল শফি মণ্ডলকেও দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, বাউল শফি মণ্ডল পীর আব্দুর রহমান শামীমের ভক্ত বা অনুসারী নন। তিনি একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে বিভিন্ন দরবারে যান। একই কারণে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ বলছে, বাউল শিল্পী শফি মণ্ডল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁর বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামের ভাবনগর সংগীত আশ্রম ও শফি মণ্ডলের বসতবাড়িতে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশ করা হয়। প্রায় বছর খানেক আগের ৩০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নের একটি দরবারের পীরের বিরুদ্ধে কোরআন ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়। ভিডিওতে শফি মণ্ডলের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। এই ঘটনার পর ওই পেজ থেকেই দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শফি মণ্ডলসহ কয়েকজন বাউল শিল্পীকে ইঙ্গিত করে উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়, যা এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
এ বিষয়ে শফি মণ্ডলের জামাতা মুকুল হোসেন জানান, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আমার শ্বশুরকে দেখা গেলেও তিনি শামীমের অনুসারী নন। তিনি একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি লালন অনুসারী এবং ধর্মবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে শ্বশুরের বাড়ির এলাকায় পুলিশ অবস্থান করছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা আমরা কখনও ভাবিনি।’
এ বিষয়ে শফি মণ্ডলের মেয়ে লিনা মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বাবা সাধক শিল্পী, সংগীতের জন্য মূলত তিনি বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপ নগর আমাদের বাড়ি, যে কারণে তিনি এই দরবারে গিয়েছিলেন। সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরি করে শামীমকে হত্যা করা হলো, সেই ভিডিওতে আমার বাবাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা লালন দর্শনের অনুসারী একজন মানুষ। যেহেতু আমরা লালন অনুসারী বা লালন দর্শন বিশ্বাস করি। এছাড়া আমার বাবা লালন সাঁইজির বাণীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এখন এই মতের সঙ্গে তো অন্য ধারণার মানুষের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামি।’
পুলিশ মোতায়েন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে ছবিটা (ভিডিও) ভাইরাল হয়েছে, সেখানে আমার বাবাও আছেন। মব জাস্টিসের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা সেটি ভাইরাল করেছে। আমার বাবা একজন দেশবরেণ্য শিল্পী। যার কারণে সরকার মনে করেছে, তাঁর নিরাপত্তা দেওয়া দরকার। তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে বাউল শিল্পী শফি মণ্ডলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় প্রতিবেদকের। বাড়িতে পুলিশ মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘গত তিনদিন ধরে যা যা হয়েছে, সেগুলো আপনারা সবই জানেন। যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে, সেটা আসলে এক-দেড় বছর আগের। আমি একজন বাউল ঘরানার মানুষ। প্রায়শই বিভিন্ন দরবারে যাই। তারই ধারাবাহিকতায় একদিন সেই দরবারেও গিয়েছিলাম। সেটিই সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ওই গ্রামের মানুষের আক্রোশ ওই পীরের প্রতি। এটাতে আমাকে জড়িয়ে কেউ কেউ ফেসবুকে বিভিন্ন ইঙ্গিতে কেউ কেউ বিভিন্ন লেখালেখি করছেন বলে শুনেছি। একারণে সরকার-পুলিশ নিজ উদ্যোগে আমার নির্মাণাধীন আখড়া বাড়িতে নিরাপত্তা দিচ্ছে।’
এমন পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি মনে করছেন কিনা—জানতে চাইলে এই বাউল শিল্পী বলেন, ‘আমার তো মনে হয় না, কোনো সমস্যা মনে হচ্ছে না। আমি ঢাকায় আছি, ভালো আছি। আমার সঙ্গে এরইমধ্যে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন নিজে থেকেই যোগাযোগ করেছেন, আমাকে নিজে থেকে ফোনও করার প্রয়োজন হয়নি। তাঁরা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, বলেছেন—আপনি নিশ্চিন্ত থাকেন, কোনো সমস্যা নেই। আর আমার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধও নেই। তাই হুমকি মনে করছি না।’
তবে দেশের মব কালচার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শফি মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মব কালচার চলছে, এটা কোনোভাবেই ভালো কাজ না। আমি আপনার মাধ্যমে এটার নিন্দা জানাই।’
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ‘চলমান ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যেন আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’
অন্যদিকে জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শফি মণ্ডলের গ্রামের বাড়ি ও আশ্রমে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।’

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ এবং দরবারপ্রধান আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পর দেশের জনপ্রিয় বাউল সংগীতশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাড়ির সামনে ১০ জন পুলিশ সদস্যকে পাহারা দিতে দেখা গেছে।
ছড়িয়ে পড়া যে পুরনো ভিডিওকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটে, তাতে বাউল শফি মণ্ডলকেও দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, বাউল শফি মণ্ডল পীর আব্দুর রহমান শামীমের ভক্ত বা অনুসারী নন। তিনি একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে বিভিন্ন দরবারে যান। একই কারণে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ বলছে, বাউল শিল্পী শফি মণ্ডল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁর বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামের ভাবনগর সংগীত আশ্রম ও শফি মণ্ডলের বসতবাড়িতে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশ করা হয়। প্রায় বছর খানেক আগের ৩০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নের একটি দরবারের পীরের বিরুদ্ধে কোরআন ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা হয়। ভিডিওতে শফি মণ্ডলের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। এই ঘটনার পর ওই পেজ থেকেই দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শফি মণ্ডলসহ কয়েকজন বাউল শিল্পীকে ইঙ্গিত করে উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়, যা এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
এ বিষয়ে শফি মণ্ডলের জামাতা মুকুল হোসেন জানান, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আমার শ্বশুরকে দেখা গেলেও তিনি শামীমের অনুসারী নন। তিনি একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি লালন অনুসারী এবং ধর্মবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে শ্বশুরের বাড়ির এলাকায় পুলিশ অবস্থান করছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা আমরা কখনও ভাবিনি।’
এ বিষয়ে শফি মণ্ডলের মেয়ে লিনা মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বাবা সাধক শিল্পী, সংগীতের জন্য মূলত তিনি বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপ নগর আমাদের বাড়ি, যে কারণে তিনি এই দরবারে গিয়েছিলেন। সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরি করে শামীমকে হত্যা করা হলো, সেই ভিডিওতে আমার বাবাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা লালন দর্শনের অনুসারী একজন মানুষ। যেহেতু আমরা লালন অনুসারী বা লালন দর্শন বিশ্বাস করি। এছাড়া আমার বাবা লালন সাঁইজির বাণীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এখন এই মতের সঙ্গে তো অন্য ধারণার মানুষের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামি।’
পুলিশ মোতায়েন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে ছবিটা (ভিডিও) ভাইরাল হয়েছে, সেখানে আমার বাবাও আছেন। মব জাস্টিসের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা সেটি ভাইরাল করেছে। আমার বাবা একজন দেশবরেণ্য শিল্পী। যার কারণে সরকার মনে করেছে, তাঁর নিরাপত্তা দেওয়া দরকার। তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে বাউল শিল্পী শফি মণ্ডলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় প্রতিবেদকের। বাড়িতে পুলিশ মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘গত তিনদিন ধরে যা যা হয়েছে, সেগুলো আপনারা সবই জানেন। যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে, সেটা আসলে এক-দেড় বছর আগের। আমি একজন বাউল ঘরানার মানুষ। প্রায়শই বিভিন্ন দরবারে যাই। তারই ধারাবাহিকতায় একদিন সেই দরবারেও গিয়েছিলাম। সেটিই সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ওই গ্রামের মানুষের আক্রোশ ওই পীরের প্রতি। এটাতে আমাকে জড়িয়ে কেউ কেউ ফেসবুকে বিভিন্ন ইঙ্গিতে কেউ কেউ বিভিন্ন লেখালেখি করছেন বলে শুনেছি। একারণে সরকার-পুলিশ নিজ উদ্যোগে আমার নির্মাণাধীন আখড়া বাড়িতে নিরাপত্তা দিচ্ছে।’
এমন পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি মনে করছেন কিনা—জানতে চাইলে এই বাউল শিল্পী বলেন, ‘আমার তো মনে হয় না, কোনো সমস্যা মনে হচ্ছে না। আমি ঢাকায় আছি, ভালো আছি। আমার সঙ্গে এরইমধ্যে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন নিজে থেকেই যোগাযোগ করেছেন, আমাকে নিজে থেকে ফোনও করার প্রয়োজন হয়নি। তাঁরা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, বলেছেন—আপনি নিশ্চিন্ত থাকেন, কোনো সমস্যা নেই। আর আমার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধও নেই। তাই হুমকি মনে করছি না।’
তবে দেশের মব কালচার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শফি মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মব কালচার চলছে, এটা কোনোভাবেই ভালো কাজ না। আমি আপনার মাধ্যমে এটার নিন্দা জানাই।’
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ‘চলমান ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যেন আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’
অন্যদিকে জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শফি মণ্ডলের গ্রামের বাড়ি ও আশ্রমে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।’
.png)
পদত্যাগের দুই দিন পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
৬ মিনিট আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
৩২ মিনিট আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন মূল্যায়নে প্রভাব না ফেলে। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, সততা, বিশ্বস্ততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাকেই পদোন্নতির প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে