একতারা থেকে রাইফেল: মুক্তিযুদ্ধে বাউলদের লড়াই১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু সামরিক লড়াই নয়, ছিল সংস্কৃতি ও আদর্শেরও যুদ্ধ। বাংলার বাউল সম্প্রদায় তাঁদের মানবতাবাদী দর্শন, গান এবং সংগ্রামের মাধ্যমে এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেউ গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন, কেউ সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নেমেছেন।
মুক্তিযুদ্ধে বাউল১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রান্তিক বাউল সম্প্রদায়ের অবদান ছিল একই সঙ্গে আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক এবং সামরিক। এই সময় বাউলরা তাঁদের একতারা ও কণ্ঠকে কেবল সাধনার মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করেননি, বরং যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে গেছেন নিরলসভাবে।
একদিনেই আবদ্ধ লালন স্মরণোৎসব, হবে না মেলা-আসরকুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের স্মরণোৎসব এবার মাত্র একদিনেই শেষ হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার শুরু হচ্ছে এই উৎসব। তবে এতে গ্রামীণ মেলা ও বাউল গানের আসর থাকছে না বলে জানিয়ে জেলা প্রশাসন। সময় কমিয়ে আনায় আক্ষেপ করেছেন লালন ভক্ত-অনুসারীরা।
ভাটি বাংলার মুকুটহীন সম্রাট শাহ আবদুল করিমআজ ১৫ ফেব্রুয়ারি লোকসংগীতের অন্যতম শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার শাহ আবদুল করিমের জন্মদিন। তাঁর গানে কেবল দেহতত্ত্ব, মারফতি বা শরিয়তি দর্শনই উঠে আসেনি, উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র ও সমাজ সংস্কারের ডাক। তিনি গানের মাধ্যমে কুসংস্কার, সামাজিক বৈষম্য, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে আজীবন লড়া
সুনীল কর্মকার: ভাষার ধ্যানে মগ্ন এক ‘দানবীয় প্রেমিক’সময়টা পাগলামির, অচেনা রাস্তা কিন্তু লক্ষ্য ছিল ভাষার দরদ। কবিতার ভেতর অশ্রুকণার মতো জীবন্ত এক অনুভূতি খুঁজে পাবার নেশায় তখন দুনিয়া ভুলতে বসেছি। রাস্তায় সামান্য এক টুকরো মরা ডাল দেখলেও তার ভেতর খুঁজে পেতাম করুণাভার চোখ, বিদ্রূপের হাসি, জীবনের অর্থহীনতা।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাউল সাধক সুনীল কর্মকারকে শেষ বিদায়প্রখ্যাত বাউল সাধক সুনীল কর্মকারকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত করে গৌরীপুরে সমাহিত করা হয়েছে। গুণী এই শিল্পীর বিদায়ে ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।
বাউল সাধক সুনীল কর্মকারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলিশুক্রবার আলো ফোটার আগেই, ভোরে অলোকলোকে চলে গেলেন বিখ্যাত বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী সুনীল কর্মকার। তিনি শুধু একজন ব্যক্তিই ছিলেন না, ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তার অসংখ্য ভক্ত সাধক রয়েছেন, যাঁরা তার মৃত্যুতে হয়ে পড়েছেন অসহায় ও নিঃসঙ্গ।
সুনীলে প্রাণ চমকে ওঠে!দেখার ভুল না হয়ে থাকলে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন শিল্পী সুনীল কর্মকার।
সুনীল কর্মকার ও আমাদের যৌথস্মৃতিসুনীল কর্মকারকে প্রথমবার দেখি সেই শৈশবে। নিজের গ্রামের এক আসরে। তখনও রাত জেগে গান শোনার অনুমতি ছিল না। রাত দশটার দিকে বাউলরা এসে পৌঁছলেন আসরে। খুব মনে পড়ছে। ধান ও আখ কাটা হয়ে যাওয়ার পর যে খেত বিরান পড়ে থাকে তাতে খেজুরের রস জ্বাল করার বিশাল আড়ার পাশে মঞ্চ বানানো হয়েছিল।
মহাজনী সুরে সুনীল থাকবেনগত পরশু সন্ধ্যায় শুনলাম বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার অসুস্থ। বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় শুয়ে আছেন। এই কথা শোনার পর থেকে মনে হচ্ছিল আজকের এই সন্ধ্যাটাকে কেউ নীলপর্দা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে।
মারা গেছেন বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকারমারা গেছেন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
‘বাউলের দ্রোহ’ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, অনুমতি ব্যতীত আয়োজনের অভিযোগবাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘বাউলের দ্রোহ’ শিরোনামে একটি বিচারগানের আসরের আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। এই অনুষ্ঠানটি জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে।