জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

গণভোট দিয়ে লাইলি বেগম বললেন, ‘আমরা অত বুঝি না’

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
রাজশাহী

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩: ০৮
দুর্গাপুরের আনোলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন লাইলি বেগম। স্ট্রিম ছবি

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আনোলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা ১১টার দিকে ভোট দেন লাইলি বেগম। গণভোটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভোট তো দিয়া দিসি। কিন্তু অ বোলা হবে না তো।’

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ এর পক্ষে এলাকায় কোনো প্রচার ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কেউ বোলেনি, আমরা এমনি দিসি। বাড়িতে বলিছে যাতিই হোক দিবে, তাই দিসি। আমরা অতো বুঝি না বাবা। একটা ভোট দিতে হোবি, দিসি।’

লাইলি বেগমের সঙ্গে ছিলেন বৃদ্ধা জাহানারা বেগম। তিনি বলেন, ‘আমরা ওই মুর্খু মানুষ বাবা। কিসে ভোট দিলি কী হবি, তা তো জানি না। অ কি বুইলতে পারি? মুর্খু মানুষ, বলতে পারি না সুনা।’

তবে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আনোলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রিনা বেগম জানালেন, গণভোটের বিষয়বস্তু জেনেই তিনি ভোট দিয়েছেন। রিনা বলেন, ‘যেডা মুনে পছন্দ হছে তাক দিসি। আমি বুঝেশুনেই দিসি।’

রাজশাহীতে সকাল থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর ভোটগ্রহণ চলছে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনের সঙ্গে ভোট দিচ্ছেন ভোটারেরা ।

বাগমারা উপজেলার মোহনগঞ্জ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন শাকিল হোসেন (৪৭)। তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণ ভোটার সবকিছু জানি না। তবে শুনেছি চব্বিশে যারা আন্দোলন করেছে তাদের ব্যাপারটা প্রতিষ্ঠিত হবে হ্যাঁ ভোট দিলে। ন্যায়-ইনসাফ কায়েম হবে।’

দোকানটিতে ছিলেন কিছু বিএনপি কর্মীও। তাদের একজন জালাল উদ্দীন বলেন, “দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলেছেন। আমরা যারা বিএনপি করি তারা এর বাইরে যেতে পারি না। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিব না, এরকম কোনো নির্দেশনাও দল থেকে নেই।”

মোহনগঞ্জ বাজারে কথা হয় স্থানীয় ভোটার মো. রেন্টুর সঙ্গে। তিনি ভোট দিয়েছেন মোহনগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে। তিনি বলেন, “গ্রামের মহিলারা হ্যাঁ-না এর মানে একটু কম বোঝে। আমরা এসব বুঝি। সরকার ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট দিতে বলেছে। তাহলে দুর্নীতি কমবে। সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে।”

Ad 300x250

সম্পর্কিত