ফিরে দেখা জুলাই
স্ট্রিম সংবাদদাতা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হলে হলে তখন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—'তুমি কে, আমি কে? রাজাকার, রাজাকার' স্লোগান। ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে ‘রাজাকার’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, 'মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?'
এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস এক রক্তাক্ত ও উত্তাল রাতের মুখোমুখি হয়, যা পরে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।
কোটা সংস্কার নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। হলের নিচতলার ১২৪ নম্বর কক্ষ থেকে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৪৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. সাঈফ খান তাঁর ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপে বার্তা পাঠালে স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে।
এরপরেই হলের ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ থেকে ৪৮তম আবর্তনের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এসে পাঁচজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে হলের ডাইনিং রুমে ডেকে নিয়ে অবরুদ্ধ করেন। অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা হলেন—উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের কাউসার আলম আরমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের মো. আশিক মাহমুদ, ইংরেজি বিভাগের জাহিদ ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের শেখ জাহিদুল ইসলাম এবং মো. সাঈফ খান।
আটক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিবির সন্দেহে তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মেসেঞ্জার চেক করা হয় এবং গায়ে হাত দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের জেরা ও হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদারের সামনে জোরপূর্বক ক্ষমা চাওয়ানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাঁরা মুক্ত হওয়ার আগেই এই খবর পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়ামের নেতৃত্বে বটতলা থেকে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে অবস্থান নেন।
আটক ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীরা ‘আমি কেন রাজাকার, শেখ হাসিনা জবাব চাই’ এবং ‘আমার ভাই আটক কেন, জবাব চাই’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ১৫-২০ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
উত্তেজনার মুখে হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার, প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবির এবং সহকারী প্রক্টররা ঘটনাস্থলে আসেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ছাত্রলীগ কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ‘জামায়াত-শিবির’ আখ্যা দেয় এবং নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করে। একইসঙ্গে হলের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
রাত তখন পৌনে তিনটা। হঠাৎ হলের গেট খুলে ৪৬তম আবর্তনের ছাত্রলীগ কর্মী ও হল সভাপতি পদপ্রত্যাশী প্রাচুর্যের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় বসার বেঞ্চ ও টেবিল ছুঁড়ে মারার পাশাপাশি হলের ছাদ থেকে কংক্রিটের টুকরো ও মাটির চাঁই নিক্ষেপ করা হয়। হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আহসান লাবিবের মাথায় আঘাত লাগলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। লাবিবই ছিলেন এই আন্দোলনের জাবির প্রথম আহত শিক্ষার্থী।
এছাড়া সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক সোহাগী সামিয়া ছাদ থেকে ছোঁড়া কংক্রিটের আঘাতে পায়ে গুরুতর ফ্র্যাকচার নিয়ে আহত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. জেফরুল হাসান চৌধুরীও জখম হন।
জাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, ছাত্রলীগ আটকে রাখা পাঁচজনকে মারধর করার পর জোরপূর্বক ক্ষমা চাওয়ায়, যার স্পষ্ট দাগ তাঁদের শরীরে ছিল।
তবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদুল আলম ওই সময় সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাই প্রথম ছাত্রলীগের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার পর শিক্ষার্থীরা হলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানালেও দেড় ঘণ্টার মধ্যে সেই ফুটেজ মুছে ফেলা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদারের পদত্যাগের দাবিতে হলের সামনেই অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে প্রাধ্যক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিক পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
রাতের অন্ধকার পেরিয়ে যখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে, ওই সময় তৎকালীন সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বেলা ১১টায় আলোচনায় বসার আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসের পর ভোর সাড়ে চারটার দিকে শিক্ষার্থীরা যার যার হলে ফিরে যেতে শুরু করেন। সোমবার বিকেলে প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
শেখ হাসিনার ওই মন্তব্য এবং রাতের রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ১৪ জুলাই থেকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে গণঅভ্যুত্থানের দিকে ধাবিত করে। পরের দিনগুলোতেও ক্যাম্পাসের এই উত্তেজনা থামেনি। ১৫ জুলাই রাতে উপাচার্যের বাসভবনে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও যৌথ হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। তবে সেই রাতেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে দেশের প্রথম ‘ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
পরে এই আন্দোলন যখন দেশব্যাপী পূর্ণাঙ্গ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, জাবির শিক্ষার্থীরা তখনো রাজপথের লড়াইয়ে ভূমিকা পালন করে গেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হলে হলে তখন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—'তুমি কে, আমি কে? রাজাকার, রাজাকার' স্লোগান। ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে ‘রাজাকার’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, 'মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?'
এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস এক রক্তাক্ত ও উত্তাল রাতের মুখোমুখি হয়, যা পরে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করে।
কোটা সংস্কার নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। হলের নিচতলার ১২৪ নম্বর কক্ষ থেকে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৪৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. সাঈফ খান তাঁর ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপে বার্তা পাঠালে স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে।
এরপরেই হলের ‘পলিটিক্যাল ব্লক’ থেকে ৪৮তম আবর্তনের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এসে পাঁচজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে হলের ডাইনিং রুমে ডেকে নিয়ে অবরুদ্ধ করেন। অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা হলেন—উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের কাউসার আলম আরমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের মো. আশিক মাহমুদ, ইংরেজি বিভাগের জাহিদ ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের শেখ জাহিদুল ইসলাম এবং মো. সাঈফ খান।
আটক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিবির সন্দেহে তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মেসেঞ্জার চেক করা হয় এবং গায়ে হাত দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের জেরা ও হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদারের সামনে জোরপূর্বক ক্ষমা চাওয়ানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাঁরা মুক্ত হওয়ার আগেই এই খবর পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়ামের নেতৃত্বে বটতলা থেকে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে অবস্থান নেন।
আটক ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীরা ‘আমি কেন রাজাকার, শেখ হাসিনা জবাব চাই’ এবং ‘আমার ভাই আটক কেন, জবাব চাই’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ১৫-২০ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
উত্তেজনার মুখে হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার, প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবির এবং সহকারী প্রক্টররা ঘটনাস্থলে আসেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ছাত্রলীগ কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ‘জামায়াত-শিবির’ আখ্যা দেয় এবং নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করে। একইসঙ্গে হলের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
রাত তখন পৌনে তিনটা। হঠাৎ হলের গেট খুলে ৪৬তম আবর্তনের ছাত্রলীগ কর্মী ও হল সভাপতি পদপ্রত্যাশী প্রাচুর্যের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় বসার বেঞ্চ ও টেবিল ছুঁড়ে মারার পাশাপাশি হলের ছাদ থেকে কংক্রিটের টুকরো ও মাটির চাঁই নিক্ষেপ করা হয়। হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আহসান লাবিবের মাথায় আঘাত লাগলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। লাবিবই ছিলেন এই আন্দোলনের জাবির প্রথম আহত শিক্ষার্থী।
এছাড়া সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক সোহাগী সামিয়া ছাদ থেকে ছোঁড়া কংক্রিটের আঘাতে পায়ে গুরুতর ফ্র্যাকচার নিয়ে আহত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. জেফরুল হাসান চৌধুরীও জখম হন।
জাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, ছাত্রলীগ আটকে রাখা পাঁচজনকে মারধর করার পর জোরপূর্বক ক্ষমা চাওয়ায়, যার স্পষ্ট দাগ তাঁদের শরীরে ছিল।
তবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদুল আলম ওই সময় সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাই প্রথম ছাত্রলীগের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার পর শিক্ষার্থীরা হলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানালেও দেড় ঘণ্টার মধ্যে সেই ফুটেজ মুছে ফেলা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদারের পদত্যাগের দাবিতে হলের সামনেই অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে প্রাধ্যক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিক পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
রাতের অন্ধকার পেরিয়ে যখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে, ওই সময় তৎকালীন সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বেলা ১১টায় আলোচনায় বসার আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসের পর ভোর সাড়ে চারটার দিকে শিক্ষার্থীরা যার যার হলে ফিরে যেতে শুরু করেন। সোমবার বিকেলে প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
শেখ হাসিনার ওই মন্তব্য এবং রাতের রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ১৪ জুলাই থেকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে গণঅভ্যুত্থানের দিকে ধাবিত করে। পরের দিনগুলোতেও ক্যাম্পাসের এই উত্তেজনা থামেনি। ১৫ জুলাই রাতে উপাচার্যের বাসভবনে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও যৌথ হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। তবে সেই রাতেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে দেশের প্রথম ‘ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
পরে এই আন্দোলন যখন দেশব্যাপী পূর্ণাঙ্গ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, জাবির শিক্ষার্থীরা তখনো রাজপথের লড়াইয়ে ভূমিকা পালন করে গেছেন।
.png)

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আটকে থাকা অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বকেয়া অর্থ পরিশোধ শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ২৫ হাজার শিক্ষকের তালিকা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
১১ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জুলাইকে 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন।
১১ মিনিট আগে
বৈরী আবহাওয়াতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া, পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল ও ছাত্রদের ‘ব্রয়লার মুরগি’ বলার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।
২১ মিনিট আগে
শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানান।
১ ঘণ্টা আগে