জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জুলাইকে 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন। তবে ঘোষণার এক বছর পর এ বছর দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। ফলে ঘোষিত দিবসটিতে কর্মসূচি না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।
তবে, ১৪ জুলাই কোনো কর্মসূচি পালন না করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে 'জুলাই স্মৃতি কর্নার' স্থাপন, আলোচনা সভা, হল ও অনুষদভিত্তিক কর্মসূচি এবং শহীদদের স্মরণে দোয়া ও বিশেষ প্রার্থনা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সভায় প্রতি বছর ১৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে 'উইমেন্স ডে' উদযাপনের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি হয়। সেদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমানে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে বলেন, "মুক্তিযোদ্ধারা যদি না পান, তবে রাজাকারের নাতিপুতিরা কেন চাকরি পাবে?" বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাতেই বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে ঢাবির আবাসিক হলগুলো থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। একই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি নারী হলের শিক্ষার্থীরা হলের গেটের তালা ভেঙে রাজপথে নেমে আসে। আন্দোলনের শুরুর পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত ও সাহসী অংশগ্রহণ ক্যাম্পাসজুড়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং পরবর্তী সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
সেই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে গত বছর ১৪ জুলাইয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে 'জুলাই উইমেন্স ডে' পালন করা হয়। এ কর্মসূচিতে পাঁচটি নারী হল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে সমবেত হন। আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত 'জুলাই কন্যা'দের সংগ্রামী মুহূর্তের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া নারী শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ এবং রাজু ভাস্কর্যের সামনে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সারা রাত বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোর গেটও খোলা রাখা হয়েছিল।
ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঘোষণা দেন, জুলাই অভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর ১৪ জুলাই 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' এবং ১৭ জুলাই 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালন করা হবে। দিবস দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং নারী শিক্ষার্থীদের অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ঘোষণার এক বছর পরেই 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' উপলক্ষে কোনো কর্মসূচির না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নারী শিক্ষার্থীরা।
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমু বলেন, প্রশাসন পরিবর্তনের সঙ্গে 'নারী শিক্ষার্থী দিবস'-এর কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি কার্যত হারিয়ে যাওয়া উদ্বেগজনক। নারী শিক্ষার্থী দিবস ঘোষণার সময় আপত্তি ছিল দিবসটি যেন কেবল প্রতীকী উদযাপনে সীমাবদ্ধ না থাকে। তিনি বলেন, একদিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলকে কার্যকর করা, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী নারীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা বেশি জরুরি।
জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক ও ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের বলেন, ১৪ জুলাইকে নারী শিক্ষার্থী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলেও এক বছর পর দিবসটি কার্যত উপেক্ষিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। ডাকসুর পক্ষ থেকেও কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা আলোচনা দেখা যায়নি। ডাকসু তো শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, তারাও তো দিবসটি পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, গত বছর 'উইমেন্স ডে' পালন করা হয়েছিল। তবে এটি প্রতিবছর পালন করতে হবে এমন কোনো দাপ্তরিক নথি ছিল না। আজ আমরা এ বিষয়ে একটি সভা করেছি। সেখানে দিবস দুটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব উপাচার্যের কাছে পাঠানোর হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জুলাইকে 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন। তবে ঘোষণার এক বছর পর এ বছর দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। ফলে ঘোষিত দিবসটিতে কর্মসূচি না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।
তবে, ১৪ জুলাই কোনো কর্মসূচি পালন না করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে 'জুলাই স্মৃতি কর্নার' স্থাপন, আলোচনা সভা, হল ও অনুষদভিত্তিক কর্মসূচি এবং শহীদদের স্মরণে দোয়া ও বিশেষ প্রার্থনা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সভায় প্রতি বছর ১৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে 'উইমেন্স ডে' উদযাপনের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি হয়। সেদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমানে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে বলেন, "মুক্তিযোদ্ধারা যদি না পান, তবে রাজাকারের নাতিপুতিরা কেন চাকরি পাবে?" বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাতেই বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে ঢাবির আবাসিক হলগুলো থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। একই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি নারী হলের শিক্ষার্থীরা হলের গেটের তালা ভেঙে রাজপথে নেমে আসে। আন্দোলনের শুরুর পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত ও সাহসী অংশগ্রহণ ক্যাম্পাসজুড়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং পরবর্তী সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
সেই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে গত বছর ১৪ জুলাইয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে 'জুলাই উইমেন্স ডে' পালন করা হয়। এ কর্মসূচিতে পাঁচটি নারী হল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে সমবেত হন। আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত 'জুলাই কন্যা'দের সংগ্রামী মুহূর্তের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া নারী শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ এবং রাজু ভাস্কর্যের সামনে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সারা রাত বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোর গেটও খোলা রাখা হয়েছিল।
ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঘোষণা দেন, জুলাই অভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর ১৪ জুলাই 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' এবং ১৭ জুলাই 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালন করা হবে। দিবস দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং নারী শিক্ষার্থীদের অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ঘোষণার এক বছর পরেই 'নারী শিক্ষার্থী দিবস' উপলক্ষে কোনো কর্মসূচির না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নারী শিক্ষার্থীরা।
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমু বলেন, প্রশাসন পরিবর্তনের সঙ্গে 'নারী শিক্ষার্থী দিবস'-এর কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি কার্যত হারিয়ে যাওয়া উদ্বেগজনক। নারী শিক্ষার্থী দিবস ঘোষণার সময় আপত্তি ছিল দিবসটি যেন কেবল প্রতীকী উদযাপনে সীমাবদ্ধ না থাকে। তিনি বলেন, একদিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলকে কার্যকর করা, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী নারীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা বেশি জরুরি।
জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক ও ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের বলেন, ১৪ জুলাইকে নারী শিক্ষার্থী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলেও এক বছর পর দিবসটি কার্যত উপেক্ষিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। ডাকসুর পক্ষ থেকেও কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা আলোচনা দেখা যায়নি। ডাকসু তো শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, তারাও তো দিবসটি পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, গত বছর 'উইমেন্স ডে' পালন করা হয়েছিল। তবে এটি প্রতিবছর পালন করতে হবে এমন কোনো দাপ্তরিক নথি ছিল না। আজ আমরা এ বিষয়ে একটি সভা করেছি। সেখানে দিবস দুটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব উপাচার্যের কাছে পাঠানোর হয়েছে।
.png)

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আটকে থাকা অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বকেয়া অর্থ পরিশোধ শুরু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে ২৫ হাজার শিক্ষকের তালিকা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
২২ মিনিট আগে
বৈরী আবহাওয়াতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া, পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল ও ছাত্রদের ‘ব্রয়লার মুরগি’ বলার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।
৩২ মিনিট আগে
শেখ হাসিনার ওই মন্তব্য এবং রাতের রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ১৪ জুলাই থেকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে গণঅভ্যুত্থানের দিকে ধাবিত করে। পরের দিনগুলোতেও ক্যাম্পাসের এই উত্তেজনা থামেনি।
১ ঘণ্টা আগে
শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানান।
১ ঘণ্টা আগে