আবু সাঈদ হত্যা মামলা

পুলিশ অমানুষ হয়ে গিয়েছিল: আদালতের পর্যবেক্ষণ

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো ছবি জুলাই আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। স্ট্রিম গ্রাফিক

‘আবু সাঈদ মনে করেছিল তাঁর সামনে থাকা সবাই মানুষ, কিন্তু পরে দেখা গেল তাঁরা অমানুষ হয়ে গেছেন”— জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঘোষিত এই রায়ে মামলার ৩০ জন আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি গুলি করা দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ: সাক্ষ্য ও প্রমাণের বিশ্লেষণ

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ মূল্যায়নের আইনি দিকগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী (আই উইটনেস) এবং চাক্ষুষ সাক্ষীর (অকুলার উইটনেস) সাক্ষ্যকে আদালত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এসব সাক্ষীর মধ্যে আহত ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যাঁদের কেউ কেউ গুলিবিদ্ধ আবু সাঈদকে উদ্ধারে এগিয়ে গিয়েছিলেন। আদালত মন্তব্য করেন, এই সাক্ষ্যগুলো ছিল ‘স্পষ্ট, সংগতিপূর্ণ এবং বিশ্বাসযোগ্য’।

আদালত মনে করেন, মামলায় আসামিপক্ষের জেরা প্রক্রিয়া বিচারকার্যে যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে। ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য আলামতের বিষয়ে আদালত জানান, ট্রাইব্যুনালের বিধান ও প্রযোজ্য আইনের ধারা অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন চার্জ বা অভিযোগের ‘কাউন্ট’ (চার্জশিটে থাকা প্রতিটি স্বতন্ত্র অপরাধের বর্ণনা) ধরে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের প্রতিক্রিয়া

রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দিক প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে 'সুপেরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি' (ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়), 'এইড অ্যান্ড অ্যাবেটমেন্ট' (সহায়তা ও প্ররোচনা), 'জয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ' (যৌথ দায়বদ্ধতা) এবং 'সেপারেট রেসপন্সিবিলিটি' (পৃথক দায়বদ্ধতা) সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে ৩০ জন আসামির সবাইকেই দণ্ডিত করা হয়েছে। তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অন্য আসামিদের ক্ষেত্রে তিন স্তরে অভিযোগ গঠিত হলেও হয়তো একটিতে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং অন্যগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেলের বিষয়ে তিনি জানান, বিচার চলাকালে তাঁর হাজতবাসের সময়কালকেই দণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আসামিপক্ষের ক্ষোভ ও আপিলের ঘোষণা

রায় ঘোষণার পর আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু সংক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ট্রাইব্যুনাল কেবল রায়ের মূল ও কার্যকর অংশ পড়ে শুনিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ রায় না পাওয়া পর্যন্ত তাঁদের দেওয়া ২০টির বেশি আইনি পয়েন্টের মূল্যায়ন সম্পর্কে জানা যাচ্ছে না।

আইনজীবী দুলু দাবি করেন, আবু সাঈদের জব্দকৃত গেঞ্জিতে গুলির ছিদ্র ছিল না এবং মরদেহে গুলির গর্ত (ক্যাভিয়েশন) পাওয়া যায়নি। এছাড়া মরদেহের এক্স-রে বা রেডিওস্কোপিক পরীক্ষাও করা হয়নি। প্রসিকিউশন যে শর্টগানের কার্তুজ ব্যবহারের কথা বলেছে, সেটিও জব্দ করা হয়নি। অধিকাংশ চার্জ থেকে আসামিরা খালাস পাওয়ায় একে তিনি আসামিপক্ষের যুক্তির আংশিক বিজয় হিসেবে দেখছেন। আপিল বিভাগ থেকে তাঁরা ন্যায়বিচার ও খালাস পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

আপিলের পথে সাঈদের পরিবার

রায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে শহীদ আবু সাঈদের পরিবার। সরাসরি গুলি করা দুই পুলিশের ফাঁসির রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট হলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ছাত্রলীগ নেতাদের দণ্ড কম হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, পুলিশ সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে গুলি করেছে, কিন্তু সেই কর্মকর্তাদের কারও ফাঁসি হয়নি। তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। মামলার বাদী ও আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী জানান, ছাত্রলীগ সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার ফাঁসি না হওয়ায় তাঁরা অসন্তুষ্ট।

দণ্ডিতদের স্বজনদের প্রতিক্রিয়া

দণ্ডিত কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ের চাচা পীযুষ কুমার রায় এই রায়কে ‘রাজনৈতিক’ আখ্যা দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে পুলিশ সরাসরি বুকে গুলি করার ঘটনাকে তিনিও ‘খুব খারাপ’ বলে অভিহিত করেন। সুজনের ভগ্নিপতি অজয় রায় দাবি করেন, কার বন্দুকের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সেটিই প্রমাণের মূল বিষয় হওয়া উচিত ছিল। এদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত এএসআই আমির হোসেন নিজেকে ‘হুকুমের গোলাম’ দাবি করে রায়ের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মামলার পটভূমি ও বিচার প্রক্রিয়া

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তাঁর নিহত হওয়ার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ১৮ আগস্ট নিহতের ভাই রমজান আলী ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার এটিকে ট্রাইব্যুনালে বিচারের উদ্যোগ নেয়। ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি আইসিটিতে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

মামলায় ২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. মো. রাজিবুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে জানান, ছররা গুলির কারণে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে সাঈদের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ ‘মাথায় আঘাত’ হিসেবে দেখানোর জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্বাচিপ নেতার পক্ষ থেকে তাঁকে প্রচণ্ড চাপ ও প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল।

কার কী সাজা হলো এবং কোন অভিযোগে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল (ক্রাইমস) ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট ১৯৭৩’-এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী আসামিদের দণ্ড ও খালাসের বিস্তারিত তথ্য চার্জ ও কাউন্ট ধরে উল্লেখ করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন পুলিশের দুই সদস্য—৮ নম্বর আসামি মো. আমীর হোসেন এবং ৯ নম্বর আসামি সুজন চন্দ্র রায়। ট্রাইব্যুনাল তাঁদের ১ নম্বর চার্জের ১ নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তবে তাঁদের ১ নম্বর চার্জের ২, ৩ ও ৪ নম্বর কাউন্ট এবং ২ নম্বর চার্জের ১ ও ২ নম্বর কাউন্টের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড

পলাতক তিন আসামি—৫ নম্বর মো. আরিফুজ্জামান জীবন, ৬ নম্বর রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন এবং ৭ নম্বর বিভূতীভূষণ রায় ওরফে মাধবকে ১ নম্বর চার্জের ১ নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ১ নম্বর চার্জের অন্যান্য কাউন্ট এবং ২ ও ৩ নম্বর চার্জে দোষী সাব্যস্ত করে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ৩ নম্বর চার্জের অভিযোগ থেকে তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

পাঁচজন পলাতক আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাবেক উপাচার্য ১ নম্বর ড. হাসিবুর রশিদ বাচ্চুকে ১ নম্বর চার্জের ৩ নম্বর কাউন্ট, ২ নম্বর চার্জের ১ নম্বর কাউন্ট এবং ৩ ও ৪ নম্বর চার্জে এই সাজা দেওয়া হয়। ২ নম্বর আসামি মো. মনিরুজ্জামান বেল্টুকে ১ ও ২ নম্বর চার্জের কয়েকটি কাউন্ট এবং ৩ নম্বর চার্জে; ১১ নম্বর আসামি মো. মশিউর রহমান এবং ১২ নম্বর আসামি আসাদুজ্জামান মন্ডল ওরফে আসাদকে ১ নম্বর চার্জের ২ নম্বর কাউন্ট এবং ২ ও ৩ নম্বর চার্জে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। ১৬ নম্বর আসামি পোমেল বড়ুয়াকেও ১ নম্বর চার্জের ২ নম্বর কাউন্ট এবং ২, ৩ ও ৪ নম্বর চার্জে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অপ্রমাণিত অন্যান্য কাউন্ট থেকে খালাস দেওয়া হয়।

৫ বছরের কারাদণ্ড

এই মেয়াদে আটজন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ নম্বর পলাতক আসামি মো. আবু মারুফ হোসেন টিটুকে ১ নম্বর চার্জের ২ ও ৩ নম্বর কাউন্ট এবং ২ নম্বর চার্জের ১ ও ২ নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের সাধারণ কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি সাত আসামিকে দেওয়া হয়েছে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। তাঁরা হলেন—৪ নম্বর পলাতক আসামি মো. শাহ নুর আলম পাটোয়ারী ওরফে সুমন (১ নম্বর চার্জের ২ ও ৩ এবং ২ নম্বর চার্জের ১ নম্বর কাউন্টে), ১০ নম্বর আসামি মো. শরিফুল ইসলাম (১ নম্বর চার্জের ৩, ২ নম্বর চার্জের ১ এবং ৩ নম্বর চার্জে), ১৩ নম্বর আসামি রাফিউল হাসান রাসেল (১ নম্বর চার্জের ২ এবং ২ নম্বর চার্জে), ২৩ নম্বর আসামি মো. এমরান চৌধুরী আকাশ ওরফে দিশা (১ নম্বর চার্জের ৩ নম্বর কাউন্টে) এবং ২৪ নম্বর পলাতক আসামি মো. মাসুদুল হাসান (১ নম্বর চার্জের ২ ও ৩ নম্বর কাউন্টে)। এছাড়া ২৭ নম্বর পলাতক আসামি মো. মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু ২ নম্বর চার্জে এবং চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ৩০ নম্বর আসামি ডা. মো. সারোয়াত হোসেন ওরফে চন্দন ১ নম্বর চার্জে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড পেয়েছেন।

৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

মোট ১১ জন আসামিকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ নম্বর আসামি মো. হাফিজুর রহমান তুফান এবং ১৫ নম্বর আসামি মো. মনিরুজ্জামান পলাশ ১ ও ২ নম্বর চার্জের বিভিন্ন কাউন্টে সাজা পেয়েছেন। এছাড়া ১৭ থেকে ২২ নম্বর আসামি— মো. মাহফুজুর রহমান শামীম, মো. ফজলে রাব্বি গ্লোরিয়াস, মো. আখতার হোসেন, সেজান আহম্মেদ আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার টগর এবং বাবুল হোসেন ১ নম্বর চার্জের ৩ নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে ২৫ নম্বর আসামি মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, ২৬ নম্বর আসামি নুর আলম মিয়া এবং ২৮ নম্বর আসামি এ কে এম আমীর হোসেন আমু ২ নম্বর চার্জে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড পেয়েছেন।

হাজতবাসকালীন সময়কে সাজা গণ্য করে মুক্তি

মামলার ২৯ নম্বর আসামি মো. আনোয়ার পারভেজ আপেলকে ২ নম্বর চার্জে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, বিচার চলাকালে তাঁর হাজতবাসের সময়কেই সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। তাঁকে ১ নম্বর চার্জের সব কাউন্ট থেকে সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রয়োজন না থাকলে তাঁকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে আরোপিত সকল সাজা যুগপৎভাবে চলবে বলেও ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়।

সম্পর্কিত