স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ১১টি স্পর্শকাতর সীমান্তবর্তী জেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি (গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অবৈধ পুশইন (ঠেলে পাঠানো) ঠেকাতে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হচ্ছে সীমান্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জের মতো কাঁটাতারের বেড়াবিহীন অরক্ষিত সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
১১ জেলায় আনসার মোতায়েন, জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি
আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর উপপরিচালক ও গণযোগাযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে সহায়তা করতে ১১টি জেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়োজিত করা হয়েছে।
জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— উত্তরবঙ্গের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর; দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা এবং অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে সিলেট, জামালপুর ও খাগড়াছড়ি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সীমান্তজুড়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম ব্যাপক আকারে জোরদার করা হয়েছে। মূলত কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকাগুলোকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
কাঁটাতারের বেড়াবিহীন পয়েন্টে বিশেষ কৌশল ও মাইকিং
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেসব স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বা পুশইনের চেষ্টা যৌথভাবে প্রতিরোধ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সীমান্তের নিরাপত্তা কেবল বাহিনীর পক্ষে শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন—এই বিবেচনা থেকে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে অভেদ্য প্রতিরোধব্যূহ তৈরি করা হচ্ছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে, কোনো সন্দেহভাজন গতিবিধি দেখলেই তাঁরা যেন তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে অবহিত করতে পারেন।
অবৈধ অনুপ্রবেশ কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে
বিজিবির সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালক মিডিয়া (যোগাযোগ ও প্রচার) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম আজ সোমবার দুপুরে স্ট্রিমকে জানান, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিরোধ করা হচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক, প্রস্তুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সক্ষম।
তিনি বলেন, 'বিজিবির সদস্যরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় অত্যন্ত সজাগ, আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ অনুপ্রবেশ কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।'
সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, তাঁদের দেশপ্রেম, সহযোগিতা ও অব্যাহত সমর্থন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিজিবি বিশ্বাস করে, অভিবাসন-সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় যথাযথ আইনি কাঠামো, দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। সীমান্ত-সংক্রান্ত সব বিষয়ে সংলাপ, সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সমাধানের ওপর জোর দেন তিনি।
ওপারে বিএসএফের তৎপরতা ও পুশইনের অভিনব কৌশল
সীমান্ত পরিস্থিতি ও বিজিবির প্রস্তুতি নিয়ে বিজিবির পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান বর্তমান চিত্র তুলে ধরেন। বিএসএফের তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, 'সীমান্তের ওপারে বিভিন্ন স্থানে বিএসএফের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমাদের পর্যবেক্ষণে এসেছে। তবে এটি তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার বিষয়। আমাদের মূল গুরুত্ব হচ্ছে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। যেকোনো অনিয়মিত কার্যক্রম মোকাবিলায় বিজিবির প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বজায় রাখা।'
কোন কৌশলে পুশইনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে—জানতে চাইলে লে. কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দিয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে লোকজনকে শূন্যরেখার নিকটবর্তী এলাকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রাতের অন্ধকার, দুর্গম এলাকা কিংবা বিচ্ছিন্ন স্থানের সুযোগ নেওয়ার প্রবণতাও লক্ষ করা গেছে।'
শূন্যরেখায় নারী ও শিশুদের ঢাল বানানোর উদ্বেগ
অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নারী ও শিশুদের ব্যবহারের বিষয়টি বিজিবির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে বিজিবির পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, 'সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে নারী ও শিশুদের উপস্থিতি বিশেষভাবে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধিকতর ধারণা অর্জনের চেষ্টা করছে।'লক্ষণীয়। এ ধরনের ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা মনে করি, সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় মোকাবিলায় মানবিক বিবেচনা বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া উচিত, বিশেষত যখন নারী ও শিশুরা সম্পৃক্ত থাকে। এ ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীলতা, পরিপক্বতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, বিজিবির দৃঢ় অবস্থান, নিবিড় নজরদারি এবং সীমান্ত পর্যায়ের নিয়মিত সম্পৃক্ততার ফলে বহু ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভারতীয় অংশের সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিজিবির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, 'সীমান্তে কোনো ধরনের অনিয়মিত বা একতরফা কার্যক্রম টেকসই সমাধান বয়ে আনতে পারে না। আমরা শান্তিপূর্ণ, নিয়মভিত্তিক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অটল ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ১১টি স্পর্শকাতর সীমান্তবর্তী জেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি (গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অবৈধ পুশইন (ঠেলে পাঠানো) ঠেকাতে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হচ্ছে সীমান্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জের মতো কাঁটাতারের বেড়াবিহীন অরক্ষিত সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
১১ জেলায় আনসার মোতায়েন, জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি
আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর উপপরিচালক ও গণযোগাযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে সহায়তা করতে ১১টি জেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিয়োজিত করা হয়েছে।
জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— উত্তরবঙ্গের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর; দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা এবং অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে সিলেট, জামালপুর ও খাগড়াছড়ি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সীমান্তজুড়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম ব্যাপক আকারে জোরদার করা হয়েছে। মূলত কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকাগুলোকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
কাঁটাতারের বেড়াবিহীন পয়েন্টে বিশেষ কৌশল ও মাইকিং
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেসব স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বা পুশইনের চেষ্টা যৌথভাবে প্রতিরোধ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সীমান্তের নিরাপত্তা কেবল বাহিনীর পক্ষে শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন—এই বিবেচনা থেকে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে অভেদ্য প্রতিরোধব্যূহ তৈরি করা হচ্ছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে, কোনো সন্দেহভাজন গতিবিধি দেখলেই তাঁরা যেন তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে অবহিত করতে পারেন।
অবৈধ অনুপ্রবেশ কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে
বিজিবির সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালক মিডিয়া (যোগাযোগ ও প্রচার) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম আজ সোমবার দুপুরে স্ট্রিমকে জানান, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিরোধ করা হচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক, প্রস্তুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সক্ষম।
তিনি বলেন, 'বিজিবির সদস্যরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় অত্যন্ত সজাগ, আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ অনুপ্রবেশ কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।'
সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, তাঁদের দেশপ্রেম, সহযোগিতা ও অব্যাহত সমর্থন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিজিবি বিশ্বাস করে, অভিবাসন-সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় যথাযথ আইনি কাঠামো, দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। সীমান্ত-সংক্রান্ত সব বিষয়ে সংলাপ, সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সমাধানের ওপর জোর দেন তিনি।
ওপারে বিএসএফের তৎপরতা ও পুশইনের অভিনব কৌশল
সীমান্ত পরিস্থিতি ও বিজিবির প্রস্তুতি নিয়ে বিজিবির পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান বর্তমান চিত্র তুলে ধরেন। বিএসএফের তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, 'সীমান্তের ওপারে বিভিন্ন স্থানে বিএসএফের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমাদের পর্যবেক্ষণে এসেছে। তবে এটি তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার বিষয়। আমাদের মূল গুরুত্ব হচ্ছে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। যেকোনো অনিয়মিত কার্যক্রম মোকাবিলায় বিজিবির প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বজায় রাখা।'
কোন কৌশলে পুশইনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে—জানতে চাইলে লে. কর্নেল মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দিয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে লোকজনকে শূন্যরেখার নিকটবর্তী এলাকায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রাতের অন্ধকার, দুর্গম এলাকা কিংবা বিচ্ছিন্ন স্থানের সুযোগ নেওয়ার প্রবণতাও লক্ষ করা গেছে।'
শূন্যরেখায় নারী ও শিশুদের ঢাল বানানোর উদ্বেগ
অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নারী ও শিশুদের ব্যবহারের বিষয়টি বিজিবির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে বিজিবির পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, 'সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে নারী ও শিশুদের উপস্থিতি বিশেষভাবে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধিকতর ধারণা অর্জনের চেষ্টা করছে।'লক্ষণীয়। এ ধরনের ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা মনে করি, সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় মোকাবিলায় মানবিক বিবেচনা বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া উচিত, বিশেষত যখন নারী ও শিশুরা সম্পৃক্ত থাকে। এ ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীলতা, পরিপক্বতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, বিজিবির দৃঢ় অবস্থান, নিবিড় নজরদারি এবং সীমান্ত পর্যায়ের নিয়মিত সম্পৃক্ততার ফলে বহু ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভারতীয় অংশের সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিজিবির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, 'সীমান্তে কোনো ধরনের অনিয়মিত বা একতরফা কার্যক্রম টেকসই সমাধান বয়ে আনতে পারে না। আমরা শান্তিপূর্ণ, নিয়মভিত্তিক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অটল ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
১ few সেকেন্ড আগে
পুলিশ জানায়, হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রথমে দাবি করেছিল– বিপুল একাই কক্ষটি ভাড়া নিয়েছিলেন। তবে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের পর দেখা যায়– ৫ জুন রাত ৯টায় বিপুল দ্বিতীয় তলার একটি রুমে বোরকা পরিহিত নারীকে নিয়ে অবস্থান করেন।
৩ মিনিট আগে
সরকারের ১০০ দিনের অপরাধ চিত্র নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআইবি) প্রতিবেদন বিষয়ে মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, যেহেতু তাদের প্রতিবেদন কেবল পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে, সেহেতু এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না।
১১ মিনিট আগে
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে দুই ঘণ্টার কলম বিরতি পালন করেছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। আজ সোমবার (৮ জুন) সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বানে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
১৮ মিনিট আগে