স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মিরপুরে যুবদল নেতাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
সোমবার (১১ মে) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সাথে এ-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত।
আদালতে সুমনের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। এর আগে মিরপুর মডেল থানায় করা এ মামলায় হাইকোর্ট ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিলেন। হাইকোর্টের ওই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আজ সোমবার শুনানি শেষে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিনই বহাল রাখলেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ক্যাডাররা রামদা, পিস্তল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেপরোয়া হামলা চালায়। ওই সময় আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হন মিরপুরের বাঙালিয়ানা ভোজ হোটেলের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়া। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১০ নম্বর হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি।
এজাহারে বলা হয়, গুলিতে হৃদয়ের ডান পায়ের হাঁটুর বাটি দুই ভাগ হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) নেওয়া হলে ১৩টি সেলাই দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে অবস্থা গুরুতর হলে ৩ আগস্ট পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে তাঁর পা থেকে বুলেট বের করা হয়। সরকার পতনের পর ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন হৃদয় মিয়া, যেখানে ব্যারিস্টার সুমনকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়।
বিবাদীর আইনজীবী লিটন আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, মিরপুর মডেল থানায় করা এ মামলায় হাইকোর্ট ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দিয়েছিল। হাইকোর্টের ওই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে গেলে তা আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, 'আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশে হস্তক্ষেপ করেনি, অর্থাৎ হাইকোর্টের জামিন আদেশ বহাল রয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়।' তবে তার বিরুদ্ধে আরও ৬টি মামলা থাকায় এখনই তার মুক্তি মিলছে না বলে জানান এই আইনজীবী।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ঠিক আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি পুলিশের সঙ্গে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।’ গ্রেপ্তারের পর এই মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে তিনি। রিমান্ড আবেদনে পুলিশের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে সুমনের জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হলেও আওয়ামী লীগের একজন উদীয়মান নেতা এবং দলের নেতাকর্মীরা তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করতেন।
মিরপুরের এই মামলা ছাড়াও গত বছরের ২১ মে রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানায় করা পৃথক দুটি হত্যা মামলা এবং ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা একটি মামলাতেও সুমনকে আসামি করা হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মিরপুরে যুবদল নেতাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
সোমবার (১১ মে) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সাথে এ-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত।
আদালতে সুমনের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। এর আগে মিরপুর মডেল থানায় করা এ মামলায় হাইকোর্ট ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিলেন। হাইকোর্টের ওই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আজ সোমবার শুনানি শেষে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিনই বহাল রাখলেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ক্যাডাররা রামদা, পিস্তল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেপরোয়া হামলা চালায়। ওই সময় আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হন মিরপুরের বাঙালিয়ানা ভোজ হোটেলের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়া। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১০ নম্বর হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি।
এজাহারে বলা হয়, গুলিতে হৃদয়ের ডান পায়ের হাঁটুর বাটি দুই ভাগ হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) নেওয়া হলে ১৩টি সেলাই দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে অবস্থা গুরুতর হলে ৩ আগস্ট পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে তাঁর পা থেকে বুলেট বের করা হয়। সরকার পতনের পর ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন হৃদয় মিয়া, যেখানে ব্যারিস্টার সুমনকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়।
বিবাদীর আইনজীবী লিটন আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, মিরপুর মডেল থানায় করা এ মামলায় হাইকোর্ট ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দিয়েছিল। হাইকোর্টের ওই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে গেলে তা আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, 'আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশে হস্তক্ষেপ করেনি, অর্থাৎ হাইকোর্টের জামিন আদেশ বহাল রয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়।' তবে তার বিরুদ্ধে আরও ৬টি মামলা থাকায় এখনই তার মুক্তি মিলছে না বলে জানান এই আইনজীবী।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ঠিক আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি পুলিশের সঙ্গে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।’ গ্রেপ্তারের পর এই মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে তিনি। রিমান্ড আবেদনে পুলিশের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে সুমনের জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হলেও আওয়ামী লীগের একজন উদীয়মান নেতা এবং দলের নেতাকর্মীরা তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করতেন।
মিরপুরের এই মামলা ছাড়াও গত বছরের ২১ মে রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানায় করা পৃথক দুটি হত্যা মামলা এবং ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা একটি মামলাতেও সুমনকে আসামি করা হয়েছে।
.png)
-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩৪ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
১ ঘণ্টা আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে