স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তারের ইস্যু নিয়ে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদ হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় তাঁর মন্তব্য ঘিরে সংসদে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হলে বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জোর প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্যটি এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের প্রসিডিংস থেকে ওই মন্তব্য বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন।
বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘আপনারা বিগত দিনে মুতা বিয়ের কথা শুনেছেন। মুতা বিয়ে কী জিনিস, স্পিকার আপনার কাছে জানতে চাই মাননীয় স্পিকার। মাওলানা মামুনুল হক এ বাজেট নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলছেন। সরকারের পতন ঘটাবেন, অনেক কিছু ঘটাবেন। কিন্তু তিনি যে গাজীপুরে নারীসহ ধরা পড়লেন মুতা বিয়ের নামে, সেটি কী ছিল, তা আমি জানি না।’
খন্দকার আবু আশফাকের এই বক্তব্যের পরই বিরোধীদলীয় নেতারা টেবিল চাপড়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।
এ সময় তাঁদের শান্ত করে ওই সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়ে মন্তব্য না নেওয়াই ভালো। একজন রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত জীবন বা পরকীয়া সম্পর্কে আপনি মন্তব্য করেছেন। সাধারণত নিয়ম হলো, যাঁর এখানে এসে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই, তাঁর সম্পর্কে কথা বলা সংসদে সমীচীন নয়। দ্বিতীয়ত, আপনি মুতা বিয়ে সম্পর্কে আমার কাছে কেন জানতে চাইলেন? আমাকে কি এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মনে হয়? মুতা বিয়ে সম্ভবত কেউ যদি বিদেশে যায়, সেখানে অবস্থানকালে সাময়িক এক মাসের জন্য বিয়ে করতে পারেন বা একজন পার্টনার খুঁজে নিতে পারেন। এটাই আমার ধারণা, তবে এগুলো নিয়ে সংসদে আলাপ-আলোচনা না হওয়াই ভালো। আর অপ্রাসঙ্গিক কোনো কিছু অনুগ্রহ করে এখানে তুলবেন না।’
এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতা কথা বলতে চাইলে স্পিকার তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি থামতে না চাইলে স্পিকার বলে ওঠেন, ‘মুতা বিয়ে সম্পর্কে কী বলতে চান আপনি? মুতা বিয়ে সম্পর্কে আপনি বিশেষজ্ঞ নাকি?’ এ সময় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরও হাস্যরসের ভঙ্গিতে বলেন, ‘মুতা বিয়ে সম্পর্কে আমি বিশেষজ্ঞ নই। তবে বিষয়টা আমি জানি। মামুনুল হক সাহেবের বিষয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। তিনি কোনো মুতা বিবাহ করেননি। কোনো জায়গায় এই রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি যেখানে হেনস্তা হয়েছিলেন, সেটি নারায়ণগঞ্জে। তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং এটি এখন প্রতিষ্ঠিত। ফলে আমি চাইব, আপনি এটি এক্সপাঞ্জ করবেন। সংসদের রেকর্ডে এ ধরনের ভুল তথ্য এবং বক্তব্য থাকা উচিত হবে না।’
বিরোধীদলীয় উপনেতার বক্তব্যের পরেই চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি দাঁড়িয়ে বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, যা অসংশোধনযোগ্য এবং সমীচীন নয়, সেটি প্রসিডিংস থেকে এক্সপাঞ্জ করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।’
এরপর স্পিকার বলেন, ‘মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা সংসদের কার্যপ্রণালীতে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এখনও কিন্তু তিনি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেননি। যাক, এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করার কোনো দরকার নেই।’
স্পিকারের বক্তব্যের পরও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মজিবুর রহমান কথা বলতে চান। স্পিকার তাঁকে কথা না বলার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। তখন স্পিকার তাঁর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকারের অংশ এখানে আলাপ-আলোচনা হোক, এটা আমরা চাই না। এ বিষয়ে বলবেন না, অন্য কোনো কিছু বলবেন?’
উত্তরে মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমত প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি এই প্রসঙ্গটাকে বন্ধ করার জন্য ইশারায় সংসদ সদস্যকে নির্দেশ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, আপনার মন্তব্য সঠিক। একসময় মুতা বিয়ে করা যেত। কিন্তু পরবর্তীতে তা হারাম হয়ে গেছে। এটি এখন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, এখন আর করা যাবে না। এই কথাটা আপনি যোগ করে দিলে একটি সঠিক তথ্য থাকবে।’
তবে তাঁর বক্তব্যের পর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি অন্য আলোচনা শুরু করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তারের ইস্যু নিয়ে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদ হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় তাঁর মন্তব্য ঘিরে সংসদে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হলে বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জোর প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্যটি এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের প্রসিডিংস থেকে ওই মন্তব্য বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন।
বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘আপনারা বিগত দিনে মুতা বিয়ের কথা শুনেছেন। মুতা বিয়ে কী জিনিস, স্পিকার আপনার কাছে জানতে চাই মাননীয় স্পিকার। মাওলানা মামুনুল হক এ বাজেট নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলছেন। সরকারের পতন ঘটাবেন, অনেক কিছু ঘটাবেন। কিন্তু তিনি যে গাজীপুরে নারীসহ ধরা পড়লেন মুতা বিয়ের নামে, সেটি কী ছিল, তা আমি জানি না।’
খন্দকার আবু আশফাকের এই বক্তব্যের পরই বিরোধীদলীয় নেতারা টেবিল চাপড়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।
এ সময় তাঁদের শান্ত করে ওই সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়ে মন্তব্য না নেওয়াই ভালো। একজন রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত জীবন বা পরকীয়া সম্পর্কে আপনি মন্তব্য করেছেন। সাধারণত নিয়ম হলো, যাঁর এখানে এসে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই, তাঁর সম্পর্কে কথা বলা সংসদে সমীচীন নয়। দ্বিতীয়ত, আপনি মুতা বিয়ে সম্পর্কে আমার কাছে কেন জানতে চাইলেন? আমাকে কি এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মনে হয়? মুতা বিয়ে সম্ভবত কেউ যদি বিদেশে যায়, সেখানে অবস্থানকালে সাময়িক এক মাসের জন্য বিয়ে করতে পারেন বা একজন পার্টনার খুঁজে নিতে পারেন। এটাই আমার ধারণা, তবে এগুলো নিয়ে সংসদে আলাপ-আলোচনা না হওয়াই ভালো। আর অপ্রাসঙ্গিক কোনো কিছু অনুগ্রহ করে এখানে তুলবেন না।’
এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতা কথা বলতে চাইলে স্পিকার তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি থামতে না চাইলে স্পিকার বলে ওঠেন, ‘মুতা বিয়ে সম্পর্কে কী বলতে চান আপনি? মুতা বিয়ে সম্পর্কে আপনি বিশেষজ্ঞ নাকি?’ এ সময় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরও হাস্যরসের ভঙ্গিতে বলেন, ‘মুতা বিয়ে সম্পর্কে আমি বিশেষজ্ঞ নই। তবে বিষয়টা আমি জানি। মামুনুল হক সাহেবের বিষয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। তিনি কোনো মুতা বিবাহ করেননি। কোনো জায়গায় এই রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি যেখানে হেনস্তা হয়েছিলেন, সেটি নারায়ণগঞ্জে। তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং এটি এখন প্রতিষ্ঠিত। ফলে আমি চাইব, আপনি এটি এক্সপাঞ্জ করবেন। সংসদের রেকর্ডে এ ধরনের ভুল তথ্য এবং বক্তব্য থাকা উচিত হবে না।’
বিরোধীদলীয় উপনেতার বক্তব্যের পরেই চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি দাঁড়িয়ে বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, যা অসংশোধনযোগ্য এবং সমীচীন নয়, সেটি প্রসিডিংস থেকে এক্সপাঞ্জ করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।’
এরপর স্পিকার বলেন, ‘মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা সংসদের কার্যপ্রণালীতে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এখনও কিন্তু তিনি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেননি। যাক, এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করার কোনো দরকার নেই।’
স্পিকারের বক্তব্যের পরও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মজিবুর রহমান কথা বলতে চান। স্পিকার তাঁকে কথা না বলার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। তখন স্পিকার তাঁর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকারের অংশ এখানে আলাপ-আলোচনা হোক, এটা আমরা চাই না। এ বিষয়ে বলবেন না, অন্য কোনো কিছু বলবেন?’
উত্তরে মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রথমত প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি এই প্রসঙ্গটাকে বন্ধ করার জন্য ইশারায় সংসদ সদস্যকে নির্দেশ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, আপনার মন্তব্য সঠিক। একসময় মুতা বিয়ে করা যেত। কিন্তু পরবর্তীতে তা হারাম হয়ে গেছে। এটি এখন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, এখন আর করা যাবে না। এই কথাটা আপনি যোগ করে দিলে একটি সঠিক তথ্য থাকবে।’
তবে তাঁর বক্তব্যের পর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি অন্য আলোচনা শুরু করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে দেওয়া সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট এবং এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটের কর্মউপযোগিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ই-নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
৪ ঘণ্টা আগে